প্রকাশ :: ... | ... | ...

ভেটিংয়ের অপেক্ষায় নতুন পে-স্কেল, হালনাগাদ হচ্ছে পেনশনভোগীদের তথ্য


সংযুক্ত ছবি

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর নতুন জাতীয় বেতন স্কেল বা পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তুতি এগিয়ে নিচ্ছে সরকার। তবে এখনো প্রজ্ঞাপনের খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয়ে খসড়াটি পর্যালোচনা, প্রয়োজনীয় সংশোধন ও হালনাগাদের কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই কাজ শেষ করে দ্রুত আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে গেজেট প্রকাশ করা হবে। এদিকে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য একটি মূল গেজেটের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আরও পাঁচটি পৃথক এসআরও (সংবিধিবদ্ধ নিয়ন্ত্রণ আদেশ) জারির প্রস্তুতি চলছে। ফলে সব মিলিয়ে ছয়টি এসআরও জারি করতে হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা বলেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের পুরো প্রক্রিয়াটি নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে। পর্যালোচনায় কোনো অসঙ্গতি ধরা পড়লে তা সংশোধন ও হালনাগাদ করা হচ্ছে। দ্রুত পর্যালোচনা শেষ করে খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং ভেটিং সম্পন্ন হওয়ার পর গেজেট প্রকাশের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রায় দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও প্রজ্ঞাপন প্রকাশ না হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বিষয়টি আটকে নেই; বরং প্রজ্ঞাপন জারির আগে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক, আইনগত ও কারিগরি প্রস্তুতি চলছে। কেন সময় লাগছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, মন্ত্রিসভায় পে-স্কেল অনুমোদনের পর সরাসরি গেজেট প্রকাশ করা হয় না। অনুমোদিত বেতন কাঠামো বাস্তবে কীভাবে কার্যকর হবে, কোন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী কী সুবিধা পাবেন এবং কোন প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীর জন্য কী ধরনের প্রয়োগবিধি প্রয়োজন—এসব বিষয় নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপনের বিস্তারিত খসড়া তৈরি করতে হয়। সাবেক সচিব ড. মো. আনোয়ার উল্ল্যাহ বলেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য পাঠানো খসড়ায় মূলত কোন গ্রেডে কত টাকা বেতন-ভাতা বাড়বে, তার একটি সামগ্রিক প্রস্তাব থাকে। কিন্তু অনুমোদনের পর প্রজ্ঞাপনের খসড়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে কীভাবে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন হবে, বেতন কীভাবে পুনর্নির্ধারণ হবে এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক সুবিধাগুলো কীভাবে কার্যকর হবে—এসব বিস্তারিত উল্লেখ করতে হয়। এ ক্ষেত্রে বেসামরিক প্রশাসনের পাশাপাশি সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, সরকারি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিষয়ও বিবেচনায় নিতে হয়। ড. আনোয়ার উল্ল্যাহ বলেন, আগে থেকে এসব বিষয়ে বিস্তারিত প্রস্তুতি না থাকলে প্রজ্ঞাপনের খসড়া তৈরিতেই বেশ সময় লেগে যেতে পারে। এখনো আইন মন্ত্রণালয়ে যায়নি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর নতুন পে-স্কেলের খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে—এমন খবর বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খসড়াটি এখনো আইন মন্ত্রণালয়ে পৌঁছায়নি। আইন মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, গত সপ্তাহে তাঁরা শুনেছিলেন, এক-দুই দিনের মধ্যে অনুমোদিত পে-স্কেলের খসড়া ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেটি তাঁদের হাতে পৌঁছেনি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, খসড়াটি ‘আটকে আছে’—এভাবে বিষয়টিকে দেখার সুযোগ নেই। গেজেট প্রকাশের আগে যেসব প্রস্তুতি ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়, সেগুলো সম্পন্ন করতেই সময় লাগছে। তিনি বলেন, এটি এক পৃষ্ঠার কোনো নথি নয়। নতুন পে-স্কেলের মূল গেজেটের পাশাপাশি আরও পাঁচটি এসআরও জারি করতে হবে। সব নথি যথাযথভাবে প্রস্তুত ও পর্যালোচনা করে দ্রুত ভেটিংয়ের জন্য পাঠানোর চেষ্টা চলছে। ### ভেটিংয়ে কী দেখা হবে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে খসড়া আইন মন্ত্রণালয়ে গেলে সেখানে মূলত প্রস্তাবিত বিধানগুলো বিদ্যমান আইন, সংবিধান ও চাকরিসংক্রান্ত বিধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা পরীক্ষা করা হবে। এ ছাড়া খসড়ায় ব্যবহৃত শব্দ, বাক্য, আইনি পরিভাষা এবং নির্দেশনায় কোনো অস্পষ্টতা বা দ্ব্যর্থবোধকতা রয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা হবে। ভবিষ্যতে পে-স্কেলের কোনো বিধান নিয়ে আইনি জটিলতা বা ভিন্ন ব্যাখ্যার সুযোগ যাতে না থাকে, সে জন্য এই ভেটিং গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত বিধিমালা, সংবিধিবদ্ধ আদেশ ও অন্যান্য নির্দেশনার খসড়াও চূড়ান্ত করা হবে। ভেটিং শেষ হওয়ার পর প্রয়োজনীয় সংশোধন করে অর্থ মন্ত্রণালয় চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ব্যবস্থা করবে। ছয়টি এসআরও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন পে-স্কেলের মূল কাঠামোর পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর ক্ষেত্রে পৃথক প্রয়োগবিধি নির্ধারণ করা হবে। এ জন্য মোট ছয়টি এসআরও জারি করা হবে। বেসামরিক সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাংলাদেশ পুলিশ, বিজিবি, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, সশস্ত্র বাহিনী এবং বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য পৃথক ব্যবস্থা থাকবে। এর ফলে মূল গেজেটে নতুন বেতন কাঠামোর সাধারণ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলেও সংশ্লিষ্ট শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ, বিভিন্ন ভাতা, পেনশন ও অবসর-পরবর্তী সুবিধাসহ অন্যান্য বিষয় পৃথক এসআরওতে বিস্তারিতভাবে নির্ধারিত হবে। আইবাস++-এও পরিবর্তন নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের সঙ্গে সরকারি বেতন-ভাতা ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার আইবাস++-এও প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হচ্ছে। বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেনশন-সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করা হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা বলেন, ২০১৫ সালের পে-স্কেলের সময় আইবাস++ বর্তমান কাঠামোয় ছিল না। এবার নতুন বেতন কাঠামো ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ফলে বেতন ও পেনশন পুনর্নির্ধারণের জন্য সফটওয়্যারে প্রয়োজনীয় তথ্য ও কাঠামো প্রস্তুত করতে হচ্ছে। বর্তমানে চাকরিতে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তথ্যের ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে কম জটিলতা থাকলেও ইতিমধ্যে অবসরে যাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন-সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদ করা প্রয়োজন। নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী তাঁদের পেনশন পুনর্নির্ধারণে এসব তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুমোদন করা হয়। এতে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। প্রথম গ্রেডের নির্ধারিত বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। নতুন বেতন স্কেল ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের বেতনের অনুপাতও কমানো হয়েছে। বিদ্যমান ১:১.৯৪৫ অনুপাত কমিয়ে ১:১.৭৮ করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণে দেশের আর্থিক সক্ষমতা, সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, সরকারি কর্মচারীদের জীবনমান এবং একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও যৌক্তিক বেতন কাঠামোর প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সামরিক ও অসামরিক ক্ষেত্রে ‘এক গ্রেড এক পেনশন’ বা ‘ওয়ান র‌্যাঙ্ক ওয়ান পেনশন’ পদ্ধতি চালুর সিদ্ধান্ত রয়েছে। তবে একসঙ্গে এই ব্যবস্থা চালু করতে বিপুল আর্থিক ব্যয় এবং ২০১৯ সালের আগে অবসর নেওয়া অসামরিক কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। এ কারণে পর্যায়ক্রমে ২০৩০ সালের মধ্যে এ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে অবসরভোগী পেনশনধারীদের নিট পেনশন উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মাসে ৯ হাজার টাকা বা তার কম নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন ১০০ শতাংশ বাড়বে। ৯ হাজার ১ টাকা থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিট পেনশনে ৭৫ শতাংশ, ২০ হাজার ১ টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬৫ শতাংশ, ৩০ হাজার ১ টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত ৬০ শতাংশ এবং ৪০ হাজার ১ টাকা বা তার বেশি নিট পেনশন পাওয়া ব্যক্তিদের পেনশন ৫৫ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত রয়েছে। প্রথমবার প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা নতুন বেতন কাঠামোয় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের জন্য প্রথমবারের মতো প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা চালুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। যোগ্য প্রতিটি সন্তানের জন্য মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। এ ছাড়া ডিজিটাল যোগাযোগ ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যয় বিবেচনায় মোবাইল ভাতার আওতা বাড়ানো হয়েছে। এতদিন পঞ্চম গ্রেড পর্যন্ত কর্মচারীরা এ সুবিধা পেতেন। নতুন কাঠামোয় সব গ্রেডের সরকারি কর্মচারী মোবাইল ভাতা পাবেন। দুই অর্থবছরে ধাপে বাস্তবায়ন নতুন পে-স্কেল একসঙ্গে কার্যকর না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে বড় ধরনের আর্থিক সংশ্লেষ এবং মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ এবং আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন করা হবে। এ ক্ষেত্রে স্বল্প আয়ের কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিশেষ করে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা রয়েছে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ১ জুলাইয়ের মধ্যে মূল বেতন মোট তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর হওয়ার কথা। পেনশনভোগীদের নিট পেনশনও ধাপে ধাপে বাড়ানো হবে। জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেল অনুমোদন করা হবে এবং সেটিও জাতীয় বেতন স্কেলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে পর্যায়ক্রমে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। উপকার পাবেন ৩৩ লাখের বেশি মানুষ নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে প্রায় ২৪ লাখ সামরিক ও অসামরিক কর্মচারী এবং সোয়া ৯ লাখ অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য সুবিধাভোগী উপকৃত হবেন বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ জন্য সরকারের অতিরিক্ত বার্ষিক আর্থিক ব্যয় হবে আনুমানিক ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। সরকারের দাবি, মিডিয়াম টার্ম বাজেট ফ্রেমওয়ার্ক অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অর্থবছরগুলোর বাজেটে এ ব্যয়ের সংস্থান রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন পে-স্কেলের বাস্তবায়ন শুধু বেতন বাড়ানোর বিষয় নয়; এর সঙ্গে বেতন পুনর্নির্ধারণ, বিভিন্ন ভাতা, পেনশন, অবসর-পরবর্তী সুবিধা, সামরিক-বেসামরিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পৃথক প্রয়োগবিধি এবং সরকারি বেতন ব্যবস্থাপনার সফটওয়্যার হালনাগাদের বিষয়ও জড়িত। এ কারণে গেজেট প্রকাশের আগে প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে সময় নেওয়া হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের আশা, খসড়া পর্যালোচনা শেষ করে দ্রুত আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। ভেটিং সম্পন্ন হওয়ার পর প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে নতুন জাতীয় বেতন স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা হবে। সূত্র : জাগোনিউজ