প্রকাশ :: ... | ... | ...

এপ্রিলে দ্বিগুণ বাধায় পড়বে তেল সরবরাহ, আশঙ্কা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার


সংযুক্ত ছবি

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান বলেছেন, এপ্রিল মাসে তেলের ক্ষতি মার্চের তুলনায় দ্বিগুণ হবে। এর সঙ্গে এলএনজি সরবরাহে ক্ষতিও যোগ হবে। এপ্রিলে দ্বিগুণ বাধায় পড়বে তেল সরবরাহ, আশঙ্কা আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধের কারণে এপ্রিল মাসে তেল সরবরাহে বাধা দ্বিগুণ হবে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে ইউরোপেও। বুধবার এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ)-র প্রধান ফাতিহ বিরোল। নরওয়ের নরজেস ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টের সিইও নিকোলাই তানজেন-কে এক পডকাস্টে তিনি বলেন, “এপ্রিল মাসে তেলের ক্ষতি মার্চের তুলনায় দ্বিগুণ হবে, ‘এর সঙ্গে এলএনজি-র ক্ষতিও যোগ হবে। আজ সবচেয়ে বড় সমস্যা হল জেট ফুয়েল ও ডিজেলের অভাব। আমরা এশিয়ায় তা দেখছি। তবে আমার মনে হয় শিগগিরই, এপ্রিল বা মে মাসে ইউরোপেও এ সমস্যা দেখা দেবে।’ বিরোল জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে এখন পর্যন্ত প্রতিদিন ১ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ কমে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সম্পদ ( তেলকূপ ও শোধনাগার) ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ গত মাসে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) জানিয়েছিল, ইরান যুদ্ধ তেল সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিঘ্ন সৃষ্টি করেছে। সে সময় ঘাটতি ও মূল্যবৃদ্ধি সামাল দিতে তারা কৌশলগত মজুত থেকে রেকর্ড পরিমাণ তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ২ মার্চ থেকে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে, যা বিশ্বের মোট তেলের পাঁচ ভাগের এক ভাগের পরিবহন পথ। হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ না তুলে নিলে ইরানের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলের খনি এবং খার্ক দ্বীপও ধ্বংস হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তাতে কান দেয়নি ইরান। এ পরিস্থিতিতে কুয়েত ও ইরাকের মতো উপসাগরীয় তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছে। কারণ, হরমুজ প্রণালি সচল না হলে তাদের তেল পাঠানোর কোনও উপায় নেই। আইইএ-র প্রধান ফাতিহ বিরোল গত সপ্তাহেই সতর্ক করে বলেছিলেন, “এই সংকট একইভাবে চলতে থাকলে বিশ্বের কোনও দেশই এর প্রভাব থেকে রেহাই পাবে না।”