ফিলিপাইনের মধ্যাঞ্চলে আঘাত হানা এই ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে একাধিক প্রদেশ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। বিশেষ করে সেবু প্রদেশে নজিরবিহীন বন্যা দেখা দিয়েছে, যেখানে ঘরবাড়ি, যানবাহন, এমনকি জাহাজের কনটেইনার পর্যন্ত ভেসে গেছে। সরকারি হিসাবে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রায় ২০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যাদের মধ্যে ৫ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত এবং ৪ লাখ ৫০ হাজারকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরানো হয়েছে।
দেশটির প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র বৃহস্পতিবার জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নির্দেশ দেন। জাতীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা অফিস জানিয়েছে, এখনো নিখোঁজদের সন্ধানে নৌ ও বিমান বাহিনীর বিশেষ দল কাজ করছে।
এদিকে আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করেছেন, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আরেকটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করছে, যা আগামী সপ্তাহের শুরুতে ‘সুপার টাইফুনে’ রূপ নিয়ে উত্তর ফিলিপাইনে আঘাত হানতে পারে। ফলে দেশটিতে নতুন করে বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।