বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সম্প্রতি এক বক্তব্যে বলেছেন, ‘জনগণ আমাদের সঙ্গে থাকলে সাত দফা বাস্তবায়ন করে ছাড়ব। আমরা সরকারের সবকিছু ভেঙে তছনছ করে দেব।’ ডা. শফিকুর রহমানের এ বক্তব্যের মাধ্যমে আন্দোলনরত গার্মেন্টেস শ্রমিকদের ‘অগ্নিসন্ত্রাস’ ও ‘সহিংসতা’ উস্কে দিয়েছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। একইসাথে, গতকাল পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনার দায় জামায়াত আমির এড়াতে পারেন বলেও মন্তব্য করেছেন সরকারের এই কর্মকর্তা। সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব অভিযোগ ও মন্তব্য করেন। এসময় রাশেদ খাঁন বলেন, “মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেয়া হয়েছে। এই অগ্নিসন্ত্রাসের দায়ে জামায়াতের আমিরকে গ্রেপ্তার করা উচিত; তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। অগ্নিসন্ত্রাসের যে ঘটনা ঘটেছে এর দায় জামায়াতের আমির এড়াতে পারে না। অগ্নিসন্ত্রাসের উস্কানিদাতা হিসেবে জামায়াত আমিরকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ যে চক্রান্ত করছে, এই চক্রান্তের পেছনে রয়েছে জামায়াত। জামায়াত তাদেরকে উস্কে দিচ্ছে। সুতরাং আমি মনে করি, এই অগ্নিসন্ত্রাসের দায়ে জামায়াতের আমিরের গ্রেপ্তার করা উচিত। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।” রাশেদ খান বলেন, “লংমার্চে বক্তব্য দিলেন যে, ‘সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে’। এখন আবার ফেসবুকে পোস্ট করেছেন যে, ‘সরকারকে কঠোর হইতে হবে’। আপনি লংমার্চ থেকে বললেন, সবকিছু তছনছ করে দেওয়া হবে। এখন আওয়ামী লীগ যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করছে, আপনি বলছেন কঠোর হইতে হবে। সেই সময় মনে ছিল না? সারা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ যে নৈরাজ্য যে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটাচ্ছে যে সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে এর দায় কোনভাবেই জামাতের আমির এড়াতে পারে না।”