প্রকাশ :: ... | ... | ...

নোবিপ্রবি ক্যাম্পাসে পথকুকুর সুরক্ষায় শিক্ষার্থীদের রেবিস টিকাদান কর্মসূচি


সংযুক্ত ছবি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে ক্যাম্পাসে পথকুকুরদের জলাতঙ্ক (রেবিস) প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। নোয়াখালী ভেট কেয়ারের সহযোগিতায় এ কর্মসূচি পরিচালিত হয়। শুক্রবার (৩১ জুলাই) দিনব্যাপী পরিচালিত এ কর্মসূচিতে ক্যাম্পাসের প্রায় ২০টি পথকুকুরকে রেবিসের টিকা প্রদান করা হয়। টিকাদান কর্মসূচিতে নোয়াখালী ভেট কেয়ারের চিকিৎসক দল টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় নোবিপ্রবির একদল স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থী পথকুকুর শনাক্তকরণ, নিরাপদভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং টিকাদান কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা করেন। সেচ্ছাসেবীরা জানান, পথকুকুরদের নিয়মিত রেবিস টিকাদান জলাতঙ্ক প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ ক্যাম্পাসে মানুষ ও প্রাণীর নিরাপদ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। ভবিষ্যতেও ক্যাম্পাসের অবশিষ্ট পথকুকুরগুলোকে টিকাদানের আওতায় আনার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও তারা জানান। নোবিপ্রবির ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী শামীম হোসেন বলেন, "ক্যাম্পাসের পথকুকুরদের রেবিস টিকাদান জনস্বাস্থ্য ও প্রাণিকল্যাণ—উভয় ক্ষেত্রেই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যেসব কুকুরকে নিরাপদভাবে ধরা সম্ভব হয়েছে, তাদের টিকা দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও বাকি পথকুকুরগুলোকে টিকাদানের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে সবাইকে সহযোগিতার আহ্বান জানাই।" কর্মসূচিতে যুক্ত সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুজন বলেন, “আমরা চেষ্টা করেছি যত বেশি সম্ভব পথকুকুরকে রেবিসের টিকা দিতে। তবে কিছু কুকুর খুবই ভীতু হওয়ায় সামনে আসে না এবং নিরাপদভাবে ধরা সম্ভব হয়নি। সেগুলোকে এবার টিকা দেওয়া যায়নি। এর আগেও আমি নিজের অর্থায়নে সালাম হলের সামনের পথকুকুরগুলোর টিকাদান করিয়েছিলাম। অনেকদিন ধরেই নোয়াখালী ভেট কেয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ক্যাম্পাসজুড়ে এমন একটি উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আসছিলাম। তাদের সহযোগিতায় এবার যতটুকু সম্ভব কাজটি করতে পেরেছি।” তিনি আরও বলেন, “কিছুদিন আগে ক্যাম্পাসের পকেট গেট এলাকায় দুই শিশুকে একটি কুকুর কামড়ানোর ঘটনা ঘটে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। পরে জানতে পেরেছি, ওই কুকুরটি ক্যাম্পাসের নিয়মিত পথকুকুর ছিল না। তারপরও আমি ক্যাম্পাসের পথকুকুরদের খাবার দিতাম বলে পরোক্ষভাবে আমাকে দায়ী করা হয়েছে।” সুজন বলেন, “আমি সবসময় মানবিকতার জায়গা থেকে পথকুকুরদের খাবার দিয়েছি। এগুলো আমার ব্যক্তিগত কুকুর নয়, ক্যাম্পাসের পথকুকুর। সামনে পড়লে একটি বিস্কুটের প্যাকেট কিনে দিতাম, অসুস্থ হলে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করতাম। এটুকুই করেছি। আমার কাছে এটি মানবিক দায়িত্ব, এর বেশি কিছু নয়।” শু?আজা