প্রকাশ :: ... | ... | ...

মৃত্যুঞ্জয়ের প্রথম, আবাহনীর বড় জয়, মোহামেডানের তিনে তিন


সংযুক্ত ছবি

মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী

ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে প্রথম জয়ের দেখা পেল আবাহনী লিমিটেড। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা হারিয়েছেন ব্রাদার্স ইউনিয়নকে। এদিকে প্রত্যাশিত জয় পেয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাবকে হারিয়ে লিগের তৃতীয় জয় তুলে নিয়েছে মোহামেডান। সোমবার দুই দল রিজার্ভ ডেতে মাঠে নেমেছিল। আগের দিন যেখানে খেলা বন্ধ হয়েছিল আজ সেখান থেকেই খেলা শুরু হয়। মোহামেডান ২০০ রানে হারিয়েছে রূপগঞ্জ টাইগার্সকে। আবাহনী ১৬৬ রানে হারিয়েছে ব্রাদার্সকে। ইউল্যাব ক্রিকেট মাঠে সোমবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি ২০০ রানে জেতে মোহামেডান। মোহাম্মাদ নাঈম শেখের সেঞ্চুরিতে ৩৪৫ রানের পুঁজি গড়া ঐতিহ্যবাহী দলটি প্রতিপক্ষকে গুটিয়ে দেয় ১৪৫ রানে। জবাব দিতে নেমে ১৬.৫ ওভারে ৫৩ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারায় রূপগঞ্জ টাইগার্স। এরপর বৃষ্টি হলে আর খেলা চালানো যায়নি। আজ সেখান থেকেই শুরু হয় খেলা। একটি প্রথমের স্বাদ পেতে স্রেফ এক উইকেট দরকার ছিল মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর। রিজার্ভ ডেতে কাঙ্ক্ষিত সেই ঠিকানায় পৌঁছে গেলেন বাঁহাতি পেসার। মোহামেডানের জয়ের নায়ক নাঈম ১২ ছক্কা ও পাঁচ চারে ১৪৫ রানের ইনিংস খেলেন। তবে অবদান কম নয় ৪১ রানে পাঁচ উইকেট নেওয়া মৃত্যুঞ্জয়ের। লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারে এই প্রথম পাঁচ উইকেটের স্বাদ পেলেন তিনি। দারুণ বোলিং করেছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার রিশাদ হোসেনও। এই লেগ স্পিনার স্রেফ ১৩ রান দিয়ে ধরেছেন তিন শিকার। আগের দিন রান তাড়ায় ১৬.৫ ওভারে রূপগঞ্জ ৫ উইকেটে ৫৩ রান করার পর বৃষ্টির কারণে আর খেলা হয়নি। সেদিন ২৪ রানে চার উইকেট নিয়ে মোহামেডানকে জয়ের মঞ্চ গড়ে দেন মৃত্যুঞ্জয়। রিজার্ভ ডেতে নুহায়েল সানদিদকে বোল্ড করে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করে ২৪ বছর বয়সী ক্রিকেটার। রূপগঞ্জের হয়ে ফিফটি করতে পারেননি কেউ। ৩ চারে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেন সাজিদ মিয়া। আবাহনীর বিপক্ষে লক্ষ্য তাড়ায় ১২ ওভার শেষে ১ উইকেটে ৪৯ রান নিয়ে রিজার্ভ ডে শুরু করে ব্রাদার্স। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে একশ পার হতেই গুটিয়ে যায় তারা। ওপেনার ও অধিনায়ক জাহিদুজ্জামান ছাড়া ব্রাদার্সের হয়ে কেউ ২০ রানও করতে পারেননি। তিন চার ও এক ছক্কায় ৪০ রান করেন জাহিদুজ্জামান। আবাহনীর হয়ে পাঁচ বোলার দুটি করে উইকেট নেন- সৈয়দ খালেদ আহমেদ, রোহান উদ দ্দৌলা বর্ষণ, রকিবুল হাসান, সৌম্য সরকার ও মাহফুজুর রাব্বি। দুই ছক্কা ও চারটি চারে ৮৩ রানের ইনিংসে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতে নেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন।