প্রকাশ :: ... | ... | ...

পাসের হারে মেয়েরা এগিয়ে, জিপিএ-৫ বেশি ছেলেদের


সংযুক্ত ছবি

ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬.৩১ শতাংশ, ছাত্রদের ৪৭.৭৫ ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন মেয়েরা। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে ছাত্ররা। একই সঙ্গে এ বছর শূন্য পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে ২৯৩ হয়েছে, যেখানে গত বছর এ সংখ্যা ছিল ২০২। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী, মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছাত্রী ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৮ জন এবং ছাত্র ২ লাখ ৯০ হাজার ১৫৭ জন। ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬.৩১ শতাংশ, আর ছাত্রদের ৪৭.৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা ৮.৫৬ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে। এবার মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ২০ হাজার ৩৬৩ জন এবং ছাত্রী ১৯ হাজার ৭২১ জন। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন। সে হিসাবে এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩ জন, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ৪২ শতাংশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩৫ হাজার ৯৪৮ জন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ১৮ হাজার ১৫৫ জন এবং ছাত্রী ১৭ হাজার ৭৯৩ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ২ হাজার ২৮ জন ও ছাত্রী ১ হাজার ২২২ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে মেয়েরা উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে। এ বোর্ডে ৮৮৬ জন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রী ৭০৬ জন এবং ছাত্র ১৮০ জন। এদিকে এ বছর ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। গত বছর এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২০২। এক বছরের ব্যবধানে শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ৯১টি। অন্যদিকে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৪৫ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১৩৯টিতে। এবার মোট ৯ হাজার ৩৯০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ৩০২। অর্থাৎ অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৮৮টি বাড়লেও শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে ২০৬টি। এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর তথ্যের ভিত্তিতে প্রকাশিত ফলাফলে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন। সার্বিক পাসের হার ৫২.১২ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ। ফলে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৬.৭১ শতাংশ পয়েন্ট। এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২ জুলাই। লিখিত পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি পরীক্ষা স্থগিত হয়। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো নেওয়া হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো `eduboardresults.gov.bd` এবং `educationboardresults.gov.bd` ওয়েবসাইটের ‘Result’ বিভাগে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড ও প্রতিষ্ঠানের EIIN নম্বর ব্যবহার করে ফলাফল ডাউনলোড করতে পারবে। পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকেও ফলাফল জানতে পারবেন।