প্রকাশ :: ... | ... | ...

মঙ্গল শোভাযাত্রায় বর্ষবরণ: বর্ণিল আয়োজনে দেশজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে পহেলা বৈশাখ, ১৪৩৩


সংযুক্ত ছবি

আজ (১৪ এপ্রিল) বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ। এ উপলক্ষে সকাল ৬টায় রমনা বটমূলে ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়। এরপর সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। ছায়ানট ও জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার যৌথ উদ্যোগে রমনা বটমূলের অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। ভোর থেকেই অসংখ্য মানুষের উপস্থিতি দেখা যায় এ অনুষ্ঠানে। উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ বৈশাখী শোভাযাত্রায় এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল 'নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান' । মুখোশ, মোটিফ ও প্রতীকী স্থাপনার মাধ্যমে এ প্রতিপাদ্য তুলে ধরা হয়। উৎসবকে সামনে রেখে গতকাল (১৩ এপ্রিল) চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন মুখোশ ও মোটিফ তৈরির কাজ শেষ করেন। এর মধ্যে কাঠের অস্থায়ী কাঠামোর ওপর নির্মিত বিশাল আকৃতির একটি হাতির ভাস্কর্য ছিল, যা ঐতিহ্য ও আশার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। সরকারি আয়োজনের অংশ হিসেবে জাতীয় পত্রিকাগুলোতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বাণীসংবলিত বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে এ উৎসবের সাংস্কৃতিক তাৎপর্য উঠে এসেছে। রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ, লোকজ ঐতিহ্য ও নাগরিক অংশগ্রহণের সমন্বয়ে এক বৃহৎ জাতীয় উৎসবে রূপ নিয়েছে এবারের আয়োজন। গতকাল (১৩ এপ্রিল) রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, 'বিদায় ১৪৩২, স্বাগতম বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির নববর্ষের প্রথম দিন। এ উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বব্যাপী সকল বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।' 'নতুন বছর সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক—এই কামনা করি। আবারও সবাইকে জানাই নববর্ষ ১৪৩৩-এর শুভেচ্ছা।' এদিকে 'জাগাও পথিকে, ও সে ঘুমে অচেতন' প্রতিপাদ্য নিয়ে এবার পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভাযাত্রা করল 'বর্ষবরণ পর্ষদ'। মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডি-২৭ নম্বর সড়কে উন্মুক্ত এ আয়োজনের সূচনা হয় ঢাকের বাদ্য আর আনন্দ-উচ্ছ্বাসে। দিনব্যাপী আয়োজনে মঙ্গল শোভাযাত্রা ছাড়াও আছে গান, আবৃত্তি, নৃত্য, মূকাভিনয়সহ নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। বৈশাখের প্রথম দিন মঙ্গলবার সকাল ৯টায় দিনব্যাপী আয়োজন শুরু হয় সমবেত কণ্ঠের গান দিয়ে। জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি', 'ধন ধান্য পুষ্প ভরা' এবং 'এসো হে বৈশাখ'- এই তিনটি গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা। এরপর সকাল সাড়ে ৯টায় ধানমন্ডি-২৭ নম্বরের মীনাবাজারের সামনে থেকে শুরু হয় মঙ্গল শোভাযাত্রা। রাপা প্লাজা ঘুরে ২৭ নম্বর সড়ক হয়ে আবার অনুষ্ঠানস্থলে ফিরে আসে শোভাযাত্রা। বেলা ১১টা থেকে মীনাবাজার চত্বরে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানমালা। সেখানে ছিল ব্রতচারী ও ঢালীনৃত্য, মূকাভিনয়, একক আবৃত্তি, একক গানের পরিবেশনা। বেলা ১টা থেকে ২টা পর্যন্ত মধ্যাহ্ন বিরতি শেষে শুরু হবে বৈকালিক অধিবেশন। এ পর্বে থাকবে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদ ও বিভিন্ন শাখা সংসদ, উঠোন, তপোবন, খেলাঘরসহ বিভিন্ন সংগঠনের পরিবেশনায় সমবেত সংগীত। এছাড়া মুক্তধারা সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র, উদীচী, স্রোত, কথা আবৃত্তি চর্চাসহ বিভিন্ন সংগঠনের শিল্পীরা বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করবেন। একক সংগীত পরিবেশনায় থাকবেন মকবুল আহমেদ, সুকুমার বিশ্বাস, নারায়ণ চন্দ্র শীল, পীযূষ বড়ুয়া, মনিরা রওনক বুবলি, আঁখি হালদার, শাওন রায়, অরুনিমা আহমেদ প্রথমা ও শিল্পী সাহা। একক আবৃত্তি নিয়ে মঞ্চে উঠবেন বেলায়েত হোসেন, লায়লা আফরোজ, নায়লা তারান্নুম কাকলি, মো. মাসুদ উজ জামান, শিখা সেনগুপ্তা, অনিকেত রাজেশ, শাহদাত হোসেন নিপু, ইকবাল খোরশেদ, অলোক বসু, শাহীদা ফাল্গুনী, মোস্তাফিজুর রহমান মামুন, মেহেদী হাসান। ব্রতচারী নৃত্য পরিবেশন করবে তক্ষশীলা বিদ্যালয়। মূকাভিনয় পরিবেশন করবেন রঙ্গন আহমেদ। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা শেষ হবে সরদার হীরক রাজা ও তার সঙ্গীদের বাউল গান পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। বাঙালির প্রাণের উৎসব পয়লা বৈশাখ। বর্ণিল আয়োজন, আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে সারাদেশে উদযাপিত হচ্ছে দিনটি। পুরানো বছরের গ্লানি ও জীর্ণতাকে পেছনে নতুন উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। ভোর থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শুরু হয় বর্ষবরণের আনুষ্ঠানিকতা। খুলনা: বৈশাখি শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ, লোকজ মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে খুলনায় বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপিত হয়। খুলনা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বাংলা নববর্ষবরণে আয়োজন করা হয় নানা অনুষ্ঠানের। পান্তা-ইলিশের পাশাপাশি খৈ, মুড়ি, নাড়ু, তরমুজ আর বাতাসা দিয়ে আপ্যায়ন করা হয় অতিথিদের। সকালে রেলওয়ে স্টেশন প্রাঙ্গণ থেকে বৈশাখি শোভাযাত্রা বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহিদ হাদিস পার্কে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন। রাজশাহী: ‘নববর্ষের ঐক্যতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসন বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করে। মহানগরীর কাজিহাটা পার্ক গেট এলাকা থেকে শোভাযাত্রা বের হয়। এতে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। ঢাক-ঢোলের শব্দ, বাদ্যযন্ত্রের ঝঙ্কার আর বাঙালির চিরচেনা ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও মুখোশ পরে শত শত মানুষ এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন। বর্ণিল এই মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন শিশু একাডেমি প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে ও বেলুন উড়িয়ে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখি মেলার উদ্বোধন করেন। রংপুর: মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা আয়োজনে রংপুরে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। সকাল থেকেই নগরীর ঐতিহ্যবাহী জিলা স্কুল মাঠের বটমূলে শুরু হয় বর্ষবরণের আনুষ্ঠানিকতা। কবিতা-আবৃত্তি, গান, নৃত্যসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। লাল-সাদা পোশাকে সজ্জিত নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিতে উৎসব পায় ভিন্নমাত্রা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শহীদুল ইসলাম, ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক রুহুল আমিনসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি ধারণের আহ্বান জানান। বেলা ১১টায় জিলা স্কুলের সম্মুখ থেকে একটি বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রায় বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, রেঞ্জ ডিআইজি সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন। খাগড়াছড়ি: সকাল সাড়ে ৮টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এক প্রাণবন্ত শোভাযাত্রা বের করা হয়। এর অন্যতম আকর্ষণ ছিল গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী মুখোশ, পাখা, ও বিভিন্ন লোকজ উপকরণ, যা বাঙালির সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে জীবন্ত করে তোলে। বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে এগিয়ে চলা এই আয়োজন শহরবাসীর মাঝে বাড়তি আনন্দের সঞ্চার করে। পরে টাউন হল প্রাঙ্গণে লোকজ মেলার উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভুইঁয়া। মেলার উদ্বোধনের পর শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীরা গান, নৃত্য ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরেন বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির নানা দিক। এছাড়া, জেলা বিএনপির উদ্যোগে খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠেও আয়োজন করা হয় বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। দিনব্যাপী এই আয়োজনে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ঝালকাঠি: আজ সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৈশাখী শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রায় অংশ নেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। উপস্থিত ছিলেন রাজনৈতিক নেতাকর্মী, স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। সাতক্ষীরা: ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতি তুলে ধরে সাতক্ষীরায় উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে পয়লা বৈশাখ। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কালেক্টরেট পার্কে জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ’ গানের মধ্য দিয়ে দিবসের শুভ সূচনা হয়। পরে সাতদিনব্যাপী বৈশাখী মেলা ও মঙ্গল শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজ আখতার। কেরাণীগঞ্জ: উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্য দিয়ে পয়লা বৈশাখ উদযাপন হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের কার্যালয় থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের হয়। এতে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। র‍্যালি শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাংলো প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন হয়। স্থানীয় শিল্পী ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা পরিবেশন করেন নৃত্য, গান, কবিতা ও আবৃত্তি। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী এই উৎসব সবার মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা পৌঁছে দেবে এমনটি আশা করছেন সবাই। নাটোর: জেলা শহরে বর্ণিল শোভাযাত্রা বের করা হয়। সেটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নাটোর রানী ভবনের রাজবাড়ী প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে নৃত্য, সংগীত, বাদ্যযন্ত্র পরিবেশন ও ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত দর্শকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও আনন্দের সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে রাজবাড়ী উন্মুক্ত মঞ্চের পেছনে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অতিথিদের জন্য পান্তা-ইলিশসহ বাঙালির ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয়। নাটোর নবাব সিরাজউদ্দৌলা সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণেও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে পৃথক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল এমপি, জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এমপি, জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আবুল হায়াত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখার খায়েরসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া নলডাঙ্গাসহ জেলার প্রতিটি উপজেলায়ও দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পয়লা বৈশাখ উদযাপন করা হয়েছে।