প্রকাশ :: ... | ... | ...

হরিদাস চন্দ্রের মুক্তি দাবি হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ


সংযুক্ত ছবি

গাইবান্ধায় ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হরিদাস চন্দ্রকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে তাঁর মুক্তির দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। একই সঙ্গে সংখ্যালঘুদের বিষয়ে সরকার ‘অনেকটাই উদাসীন’ হয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংগঠনটির নেতারা। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন ঐক্য পরিষদের নেতারা। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে ঐক্য পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্মল রোজারিও বলেন, মন্দির নির্মাণ ধর্মীয় স্বাধীনতার অংশ। প্রতিটি ধর্মের নিজস্ব উপাসনালয় নির্মাণ, রক্ষা ও সংরক্ষণের অধিকার রয়েছে। গাইবান্ধায় মন্দির নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষও অংশ নিয়েছিল। তখন বলা হয়েছিল, সরকার গঠন করতে পারলে সংখ্যালঘুরা ভালো থাকবে। ‘কিন্তু আজ আমরা দেখছি, তারা অনেকটাই উদাসীন হয়ে গেছে। সরকার যদি থাকে, তাহলে এ ধরনের ঘটনা কীভাবে ঘটতে পারে?’ গাইবান্ধায় মন্দির নির্মাণে বাধা দেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান নির্মল রোজারিও। ঐক্য পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মনীন্দ্র কুমার নাথ বলেন, মন্দিরে ৮০ ফুট, ১০০ ফুট বা ১৫০ ফুটের মূর্তি নির্মাণ করবেন কি না, সেটি উদ্যোক্তার বিষয়। এ বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা নেই। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের কর্মকাণ্ডে অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। সমাবেশ থেকে হরিদাস চন্দ্রের মুক্তির দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি রামমূর্তিসহ শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালীমন্দির নির্মাণে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন বক্তারা। উল্লেখ্য, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় ৮১ ফুট উচ্চতার রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়ে আলোচনায় আসা হরিদাস চন্দ্রকে গত রোববার রাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন ঐক্য পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সুব্রত চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক হেমন্ত আই কোরাইয়া, ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি অতুল মণ্ডল প্রমুখ। শু/আজা