প্রকাশ :: ... | ... | ...

স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধে সংসদে দাবি বিএনপি এমপির


সংযুক্ত ছবি

স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধে সংসদে দাবি বিএনপি এমপির, ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সমালোচনাও করেন তিনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করা দলের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি সংসদে তুলেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। সোমবার প্রস্তাবিত বাজেটের সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এক পর্যায়ে তিনি এ দাবি তোলেন। এসময় ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সমালোচনাও করেন তিনি। কোনো দলের নাম না নিয়ে ঝালকাঠি-১ আসনের এই সংসদ সদস্য বলেন, “এই দলটি ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল। যে দলটি বাংলাদেশের সৃষ্টির বিরুদ্ধে ছিল। আমি মহান সংসদে দাবি করব, তারা বাংলাদেশের রাজনীতি করতে পারবে না, তাদের রাজনীতিও ফ্যাসিস্টদের মত নিষিদ্ধ করা হোক।” ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, নামের পরে ইসলাম থাকলেই ইসলাম হয় না। যারা ধর্মের নামে রাজনীতি করেন, গত নির্বাচনে ভোটের বিনিময়ে মানুষকে বেহেশত দিয়েছেন। “বিড়ির সুখ টানের মধ্য দিয়েও তারা বলেছিল সকল পাপ মওকুফ হওয়া যাবে। এইভাবে একের পর এক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে যারা ইসলামের নামে রাজনীতি করছে, এই দলটি ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল।” জামাল বক্তব্যের সময় কোনো দলের নাম নেননি। তবে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি এবং সাম্প্রতিক নির্বাচনি প্রচারণার প্রসঙ্গ টেনে বক্তব্য দেন তিনি। তবে তার এ বক্তব্যের প্রতিউত্তর দিতে কাউকে দেখা যায়নি। এর আগে রফিকুল ইসলাম জামাল প্রস্তাবিত বাজেটের প্রশংসা করে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখার উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বাজেট রাখা হয়েছে, যেটা ইতিপূর্বে কখনও রাখা হয়নি।” তবে কওমি মাদ্রাসার জন্য আলাদা বরাদ্দ না থাকায় অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, “২০২৬-২৭ অর্থবছরে যে বাজেট এসেছে, এটা যদি আমরা লক্ষ্য করি, আমাদের নির্বাচনি ইশতেহার ছিল, আমাদের ৩১ দফার যে ইশতেহার, তার প্রতিফলন এই বাজেট।” নিত্যপণ্যে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে তিনি বলেন, বাজেটের পর বাজারে দ্রব্যমূল্য বাড়েনি; বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমা উচিৎ। হার্টের রিং ও চোখের লেন্সে শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তকেও ‘মানবিক’ বলে তুলে ধরেন তিনি।