দখল-চাঁদাবাজি-হামলার তথ্য কেন্দ্রকে জানাতে নির্দেশ | অভিযুক্তকে আশ্রয় দিলে স্থানীয় নেতারাও জবাবদিহির আওতায় | রাড্ডার ঘটনায় তিন কমিটি বিলুপ্ত, বহিষ্কার ১৪ তৃণমূলের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠলে তা গোপন না করে দ্রুত কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানানোর নির্দেশ দিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী কোনো নেতা বা কর্মী জড়িত থাকলেও তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করা যাবে না। বরং অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া এবং অপরাধের বিষয় হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে জেলা পর্যায়ের নেতাদের। দলের ভেতর থেকে পাওয়া এই বার্তার তাৎপর্য শুধু শৃঙ্খলা রক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে দখল, চাঁদাবাজি, হামলা, ভাঙচুর কিংবা ব্যক্তিস্বার্থে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ যেন স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় চাপা না পড়ে—কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এখন সেই কাঠামোতেই নজর দিতে চাইছে। অভিযোগ গোপন করা, অভিযুক্তকে আশ্রয় দেওয়া কিংবা ব্যবস্থা না নেওয়ার জন্য স্থানীয় নেতৃত্বকেও জবাবদিহির আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, কোনো বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে অনেক সময় বিষয়টি আড়াল করার চেষ্টা হয়। স্থানীয় নেতারা সরাসরি ব্যবস্থা নিতে না পারলেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বিষয়টি জানানো উচিত। কারণ কোনো ঘটনা স্থানীয় পর্যায়ে চাপা পড়ে পরে বড় রাজনৈতিক বিতর্কে রূপ নিলে তার প্রভাব শুধু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নয়, পুরো দলের ওপর পড়ে। দলীয় সূত্র বলছে, এ কারণেই জেলা কমিটিগুলোকে শুধু কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নকারী সাংগঠনিক ইউনিট হিসেবে দেখতে চায় না বিএনপি। নিজ নিজ এলাকায় দলের নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জেলা নেতাদের ধারণা রাখতে হবে। কোনো অভিযোগ উঠলে সেটি যাচাই করতে হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রাথমিক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে হবে এবং গুরুতর হলে কেন্দ্রকে জানাতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে মিরপুরের রাড্ডা মা ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় বিএনপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এই অবস্থানের সবচেয়ে দৃশ্যমান উদাহরণ হয়ে এসেছে। ঘটনার পর ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল এবং ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। পাশাপাশি বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়। তবে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনাকে সরাসরি সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি; সেখানে অনৈতিক কর্মকাণ্ড, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী আচরণের কথা বলা হয়েছে। ঘটনাটির সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় কয়েকজন নেতাকর্মীর নাম আসার পর দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তও চলছে। রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় পরে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজনসহ ১৯ জনকে গ্রেপ্তারের খবর দিয়েছে প্রথম আলো। ঘটনার রাজনৈতিক অভিঘাতও কম নয়। রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উচ্চপর্যায়ের সূত্রের বরাতে প্রথম আলো জানায়, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। এখানেই তৃণমূলের ওপর নতুন করে নজরদারির সিদ্ধান্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক সামনে আসে। কোনো স্থানীয় ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয়ধারী ব্যক্তিদের নাম এলেই শুধু অভিযুক্ত ব্যক্তির ভূমিকা নয়, তাঁর সঙ্গে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে সংশ্লিষ্ট অন্যদের ভূমিকাও আলোচনায় আসছে। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে একজনের কর্মকাণ্ড এখন আর কেবল ব্যক্তিগত দায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে না—সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক নেতৃত্বের দায়িত্বও প্রশ্নের মুখে পড়ছে। বিএনপির নতুন নির্দেশনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সম্ভবত এখানেই। এত দিন কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে সেটি অনেক সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার মধ্যেই সীমিত থাকত। এখন অভিযোগ জেনেও স্থানীয় নেতৃত্ব কী করেছে, সেটিও বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। দলীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো জেলা বা মহানগর পর্যায়ের নেতা যদি জেনে-বুঝে অভিযোগ লুকিয়ে রাখেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন কিংবা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে তথ্য না জানান, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এর ফলে তৃণমূলের নেতৃত্বের দায়িত্বের পরিধি বাড়ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় নেতাদের জন্য নতুন একটি বাস্তবতা তৈরি হচ্ছে—নিজ এলাকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দলের নামে সংঘটিত অপরাধ বা অনিয়ম সম্পর্কেও তাদের জবাবদিহি করতে হতে পারে। তবে এখানেই একটি জটিলতাও রয়েছে। স্থানীয় রাজনীতিতে গ্রুপিং ও ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে এক পক্ষের বিরুদ্ধে অন্য পক্ষের অভিযোগ ওঠা অস্বাভাবিক নয়। জেলা পর্যায়ের কয়েকজন নেতা মনে করেন, প্রতিটি অভিযোগ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে পাঠানোর আগে প্রাথমিকভাবে যাচাই করা জরুরি। নইলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে করা অভিযোগও দলীয় তদন্তের অংশ হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ বিএনপির সামনে এখন দুটি সমান্তরাল চ্যালেঞ্জ—একদিকে অভিযোগ গোপন না করা, অন্যদিকে যাচাইহীন অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা না নেওয়া। কার্যকর সাংগঠনিক শৃঙ্খলার জন্য দুটিই গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপির তৃণমূল নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তার আলোচনাটি এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন রাজনৈতিক সহিংসতার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ দলীয় অভ্যন্তরীণ বিরোধকে ঘিরে ঘটছে। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই মাসে দেশে ৬৮টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় চারজন নিহত এবং ৫২৭ জন আহত হয়েছেন। সংগঠনটির হিসাব অনুযায়ী, এর মধ্যে ৩৫টি ঘটনা বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল-সংশ্লিষ্ট। এসব ঘটনায় একজন নিহত ও ৩৪০ জন আহত হয়েছেন। সংগঠনটি ১৬টি জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর, নিজেদের সংগৃহীত তথ্য ও ফ্যাক্ট ফাইন্ডিংয়ের ভিত্তিতে এই হিসাব করেছে। এই পরিসংখ্যানকে বিএনপির তৃণমূলের সার্বিক পরিস্থিতির একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তবে দলীয় কোন্দল, আধিপত্য বিস্তার ও রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে সংঘাত যে সংগঠনটির জন্য একটি সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ—এটি আলোচনায় আনার মতো তথ্য। কারণ তৃণমূলের রাজনীতি শুধু কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয় নয়। স্থানীয় পর্যায়ে কে দলের প্রভাব ব্যবহার করছেন, কে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন, কোথায় জমি বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ তৈরি হচ্ছে—এসব বিষয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সরাসরি নজর রাখা সম্ভব নয়। সেই জায়গায় জেলা, মহানগর, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের সাংগঠনিক কাঠামোকেই প্রথম প্রতিরোধব্যবস্থা হিসেবে কাজ করতে হয়। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, দলের ভেতরে বা বাইরে যারা জনস্বার্থ ও শান্তি-শৃঙ্খলার পরিপন্থী কর্মকাণ্ড করবে, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। দলের পরিচয় ব্যবহার করে অন্যায় কর্মকাণ্ড করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। ৩ অক্টোবর ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় তৃণমূলের নেতাদের এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেছেন, কয়েকজন রাজনীতিকের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী বিব্রত ও মর্মাহত হচ্ছেন। তাঁর বক্তব্যে স্থানীয় পর্যায়ে ঐক্য, সংগঠন এবং জনসেবার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে গ্রহণযোগ্য ও স্বচ্ছ ব্যক্তিকে প্রার্থী বাছাইয়ের ওপর কেন্দ্রীয় নজরদারির কথাও তিনি জানিয়েছেন। এখানে বিএনপির জন্য মূল পরীক্ষা হবে নির্দেশনা ঘোষণার পর তার বাস্তব প্রয়োগ। শুধু রাজধানী বা আলোচিত কোনো ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নিলেই তৃণমূলের শৃঙ্খলা নিশ্চিত হবে না। একই ধরনের অভিযোগ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় উঠলে সেখানে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সেটিই শেষ পর্যন্ত দলের নীতির কার্যকারিতা নির্ধারণ করবে। সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণেও রাড্ডার ঘটনার পর বিএনপির সামনে প্রশ্ন হিসেবে উঠে এসেছে—বহিষ্কৃত ব্যক্তিরা ভবিষ্যতে আগের মতো প্রভাব ধরে রাখতে পারবেন কি না, নতুন কমিটিতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের আশ্রয়দাতারা জায়গা পাবেন কি না এবং অন্য এলাকাতেও একই ধরনের অভিযোগে সমান ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না। তৃণমূলের ওপর নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্তের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—দলীয় ব্যবস্থা এবং রাষ্ট্রীয় আইনের প্রয়োগকে আলাদা রাখা। কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ উঠলে দলীয়ভাবে বহিষ্কার বা পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া রাজনৈতিক শৃঙ্খলার বিষয়। কিন্তু অপরাধ সংঘটিত হয়ে থাকলে তার তদন্ত ও বিচার আইন অনুযায়ী হওয়াই মূল বিষয়। রাড্ডার ঘটনার ক্ষেত্রেও একই প্রশ্ন সামনে এসেছে। দলীয় শাস্তি রাজনৈতিক দায়ের একটি অংশ মেটাতে পারে; কিন্তু অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ, অপরাধের প্রমাণ সংগ্রহ, ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি পূরণ এবং আইনগত বিচার—এসবের দায়িত্ব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর। বিএনপির জন্য তাই বর্তমান উদ্যোগের সাফল্য শুধু কতজনকে বহিষ্কার করা হলো, কতটি কমিটি ভেঙে দেওয়া হলো কিংবা কতজনকে সতর্ক করা হলো—তা দিয়ে মাপা যাবে না। বরং স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ ওঠার পর কত দ্রুত তা নথিভুক্ত হচ্ছে, কতটা নিরপেক্ষভাবে যাচাই হচ্ছে, দলীয় পরিচয়ের কারণে কেউ বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে কি না এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে আইনগত ব্যবস্থা হচ্ছে কি না—এসব প্রশ্নই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। কারণ তৃণমূলের কোনো নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রথমে স্থানীয় একটি ঘটনা হলেও সেটি দ্রুত দলের ভাবমূর্তি, সরকারের গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের জবাবদিহির প্রশ্নে পরিণত হতে পারে। বিএনপির হাইকমান্ড এখন সেই ঝুঁকিটিই আগেভাগে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে বলে দলীয় সূত্রের ভাষ্য। কেন্দ্রের নির্দেশনা বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তার প্রমাণ মিলবে আলোচিত রাজধানীর বাইরের ঘটনাগুলোতে। অভিযোগ গোপন না করে কেন্দ্রকে জানানো, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা এবং সত্যতা পাওয়া গেলে রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে ব্যবস্থা নেওয়ার সংস্কৃতি স্থানীয় সংগঠনে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে এই উদ্যোগ সাংগঠনিক কাঠামোয় দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন আনতে পারে। আর যদি তা কেবল আলোচিত কয়েকটি ঘটনার পর সাময়িক কঠোরতার মধ্যে সীমিত থাকে, তাহলে তৃণমূলের সেই পুরোনো প্রশ্নই থেকে যাবে—দলের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ক্ষমতা ও স্বার্থের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কতটা কার্যকর।