প্রকাশ :: ... | ... | ...

রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ার যোগ্যতা নেই, অথচ সে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী : আমির হামজা


সংযুক্ত ছবি

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য আমির হামজা। তিনি বলেছেন, চাটাচাটি করে এ পদটা যদি আজ না পেত আমার মনে হয় আজ রাস্তা ঝাড়ু দিয়ে খাওয়া লাগতো। ওর তো রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ারও যোগ্যতা নেই। ওর কি যোগ্যতা আছে রাস্তা ঝাড়ু দিতে নেবে মানুষ? অথচ সে আজ প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। সম্প্রতি বগুড়ার এক মাহফিলে বক্তব্যকালে এমন সব মন্তব্য করেন এই ইসলামী বক্তা। আমির হামজা বলেন, চাটাচাটি করে এ পদটা যদি আজ না পেত আমার মনে আজ রাস্তা ঝাড়ু দিয়ে খাওয়া লাগতো। ওর তো রাস্তা ঝাড়ু দেওয়ারও যোগ্যতা নেই। ওর কি যোগ্যতা আছে রাস্তা ঝাড়ু দিতে নেবে মানুষ? অথচ সে আজ প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী। রাশেদ খানকে উদ্দেশ্য করে মুফতি আমির হামজা বলেন, ওরা আজ আলেমদের পেছনে লাগে। ওদের যদি আজ মোবাইল চেইক করে দেখবেন….নাউজুবিল্লাহ। চরিত্র বলে কিছু আছে? তাকে নিয়ে প্রকাশিত নারীঘটিত কথোপকথনের অডিও ও ভিডিওকে এআই প্রযুক্তির দাবি করেন মআমির হামজা। এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর মরহুম নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। এ সংসদ সদস্য বলেন, আমি আওয়ামী লীগের সময় রিমান্ডে গিয়ে দেখলাম, ডিসি এসপিরা আমাকে মোবাইলে শোনাচ্ছে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী এক মহিলার সাথে গল্প করছে। একেবারে হুবহু মিলে যাচ্ছে ওনার কণ্ঠ। ওই সময় এআই প্রযুক্তি ইসরায়েলের কাছ থেকে এনেছিলেন হাসিনা। আমাকে বলছে দেখ তোর হুজুর কী করে। আমির হামজা বলেন, মানুষের পেছনে যারা লেগে থাকে এদের কথা যেনো আল্লাহ বন্ধ করে দেয়। গত ৬ নভেম্বর আমির হামজার কথোপকথনের একটি অডিও ফাঁসের দাবি করে ফেসবুকে পোস্ট দেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। পোস্টে তিনি দাবি করেন, আমির হামজাকে ঘিরে নারীসংক্রান্ত কিছু ভিডিও ও অডিও তার কাছে এসেছে। সেগুলো ফ্যাক্ট চেক করে তথ্যের সত্যতা পেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। একইসাথে আমির হামজার কথোপকথনের কিছু অংশ প্রকাশ করে অডিওর লিংক কমেন্ট বক্সে যুক্ত করার কথা জানান। ফাঁস হওয়া বলে দাবি করা অডিওতে এক ব্যক্তিকে ক্ষমা চাওয়া, অনুতপ্ত হওয়া এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলতে শোনা যায়। কথোপকথনে ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, আপনাদের ওপর আমার কোনো রাগ, ক্ষোভ, অভিমান, মানে কিছুই নেই। ওটুকু আমার শয়তানের ধোঁকায় হোক, নফসের জালে হোক, হয়ে যাওয়ার পরে আমি নিজেই অনুতপ্ত।