ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ইসলামের নীতি-আদর্শে নিজেদের গড়ে তুলতে পারলে তাঁদের মাধ্যমেই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের পতাকা উড়বে। তিনি বলেন, সেই দিন বেশি দূরে নয়। ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শাহবাগে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শাহবাগে আয়োজিত ওই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুনতাছির আহমাদ। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল সুলতান মাহমুদ। সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিন আল মাদানি, আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি শেখ ফজলুল করিম মারুফ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা উত্তরের সভাপতি ও ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল করিম আকরাম, রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন এবং ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি শরিফুল ইসলাম রিয়াদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সমাবেশে অংশ নেন। চরমোনাই পীর ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, তাঁদের নিজেদের যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। দেশ ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ মানুষ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। তিনি বলেন, যোগ্যতা, দক্ষতা, নৈতিকতা ও আদর্শিক চেতনার সমন্বয়ে ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে। তাঁর মতে, ব্যক্তিজীবনে ইসলামের নীতি-আদর্শ ধারণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কর্মীদের শুধু সংগঠনের কর্মী হিসেবে নয়, বরং দেশ ও সমাজের জন্য দায়িত্বশীল ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। শিক্ষা, দক্ষতা, নৈতিকতা ও আদর্শের সমন্বয়ে ভবিষ্যতের নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সমাবেশে বক্তারা সংগঠনের প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য, ছাত্রসমাজের নৈতিক ও আদর্শিক উন্নয়ন এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে তরুণদের ভূমিকার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।