প্রকাশ :: ... | ... | ...

শিক্ষা কার্যক্রমে চলচ্চিত্র পাঠ জরুরি কেন?


সংযুক্ত ছবি

একটা সময় ছিল, যখন ছেলেমেয়েরা ক্লাস পালিয়ে সিনেমা দেখতে যেত। এখন এই নতুন যুগে সিনেমাই সদর্পে ক্লাসরুমে ঢুকে পড়ছে। একে তো বিশ্বব্যাপী দৃশ্যমাধ্যমের সহায়তায় শিক্ষা প্রদানের বিষয়টি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, তার ওপর ভালো চলচ্চিত্র যে মনন গঠনে চমৎকার ভূমিকা রাখে সেটাও আজ কেউ অস্বীকার করে না। নতুন প্রজন্মের শিক্ষকদের ভেতর চলচ্চিত্র দেখার চর্চা আগের প্রজন্মের চেয়ে বেশি। তাই তারা চলচ্চিত্রের শক্তি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। সেজন্যই বোধহয়, বাংলাদেশের কয়েকটি বিদ্যায়তনে ইদানীং চলচ্চিত্র দেখানোর চল শুরু হয়েছে। তবে সেটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ হিসেবেই বিবেচিত হবে। এদেশে নিয়মিত চর্চার অংশ হিসেবে এখনো চলচ্চিত্র দেখানো হয় না শিক্ষার্থীদের। দেশের বাইরে কিন্তু এই চর্চা শুরু হয়েছে গত শতক থেকেই। ১৯৯৪ সাল থেকে ফ্রান্সের ‘একোল এ সিনেমা’ কার্যক্রমের আওতায় স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ধ্রুপদি ও সমসাময়িক ভালো চলচ্চিত্র প্রদর্শন সংযুক্ত করা হয় জাতীয় শিক্ষাদান কর্মসূচিতে। যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ ফিল্ম ইন্সটিটিউটের আছে ‘ইনটু ফিল্ম’ কার্যক্রম, এর মাধ্যমে ওরা স্কুলগুলোয় গল্প বলার দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শিশুদের ইতিহাস সচেতন করে তোলে এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে সম্মান জানাতে শেখায়।