প্রকাশ :: ... | ... | ...

বৈরী আবহাওয়াতেও কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল


সংযুক্ত ছবি

ছুটির দিন মানেই দৈনন্দিন ব্যস্ততা ও যান্ত্রিক জীবন থেকে একটু স্বস্তির খোঁজে দূরে কোথাও হারিয়ে যাওয়া। আর সেই স্বস্তির ঠিকানা হিসেবে পর্যটকদের অন্যতম পছন্দ বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার। সপ্তাহান্তের শুক্রবার ও শনিবারকে ঘিরে পর্যটন নগরীতে এখন যেন জনসমুদ্র। সৈকতজুড়ে চলছে হাজারো দর্শনার্থীর কোলাহল ও আনন্দ-উচ্ছ্বাস। সরেজমিনে দেখা গেছে, কক্সবাজারের কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্টসহ প্রধান পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটকদের ব্যাপক ভিড়। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গোসল ও আনন্দে মেতে উঠেছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। নীল জলরাশি আর ফেনিল ঢেউয়ের ছোঁয়ায় বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে সময় কাটাচ্ছেন তারা। চলতি সপ্তাহে আবহাওয়া কিছুটা বৈরী থাকলেও পর্যটকদের ভ্রমণ-আনন্দে ভাটা পড়েনি। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাস উপেক্ষা করেই অনেকে সমুদ্রস্নান ও সৈকতে ঘোরাঘুরি করছেন। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা পর্যটক দম্পতি রহিম উদ্দিন বলেন, ‘সপ্তাহজুড়ে কাজের তীব্র ব্যস্ততা থাকে। তাই একটু স্বস্তি পেতে এবং বৈরী আবহাওয়া উপভোগ করতেই পরিবার নিয়ে কক্সবাজার চলে এসেছি। বৈরী পরিবেশের মাঝে সমুদ্রের এই রূপ আর বিপুল মানুষের কোলাহল সত্যি অন্যরকম এক অনুভূতি দিচ্ছে।’ পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়ে আনন্দিত স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীরাও। হোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার বলেন, ‘সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে আশাতীত পর্যটকের আগমন ঘটেছে। আবহাওয়া কিছুটা খারাপ হলেও পর্যটকদের উৎসাহে কোনো কমতি নেই। হোটেল-মোটেলগুলোতে সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধির দিকেও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।’ এদিকে পর্যটকদের নিরাপদ ভ্রমণ ও সমুদ্রস্নান নিশ্চিত করতে তৎপর রয়েছে লাইফগার্ড কর্মী ও ট্যুরিস্ট পুলিশ। বৈরী আবহাওয়ার কারণে গভীর পানিতে না নামতে লাল পতাকা টানানোর পাশাপাশি মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে বৈরী আবহাওয়াও থামাতে পারেনি পর্যটকদের উচ্ছ্বাস। ছুটির দিনে কোলাহল, আড্ডা ও সমুদ্রস্নানের আনন্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে কক্সবাজারের সৈকত এলাকা। শু/আজা