প্রকাশ :: ... | ... | ...

রংপুরে পুলিশ কর্মকর্তাদের অব্যাহতির বিরুদ্ধে নারাজি মঞ্জুর


সংযুক্ত ছবি

রংপুরে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হোমিও চিকিৎসক জহুরুল ইসলাম সিদ্দিকীকে হত্যাচেষ্টা মামলায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) আসামি পুলিশ কর্মকর্তাদের অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করায় বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মামলাটি সিআইডির একজন পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে দিয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার দুপুরে চিফ জুডিসিয়াল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এর বিচারক রফিকুল ইসলাম এ আদেশ প্রদান করেন। মামলার বাদী নিজেই উপস্থিত হয়ে আদালতে চার্জশিট না দিয়ে আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে দেওয়া ফাইনাল রিপোর্টের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আবেদনটি মঞ্জুর করেন। মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আন্দোলন চলাকালে বাদী নিউ মার্কেটের পেছনে তার হোমিও ফার্মেসিতে রোগী দেখছিলেন। এ সময় পুলিশের তৎকালীন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাইন বিল্লাহ অন্য কর্মকর্তাদের সহায়তায় তাকে লক্ষ্য করে গুলি করলে তিনি পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় তিনি তৎকালীন ডিআইজি আবদুল বাতেন, পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার উত্তম কুমার পাল, তৎকালীন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শাহজাহানসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলার বাদী বলেন, আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পুলিশ গুলি করেছিল। অথচ পিবিআই তাদের বাচিয়ে রিপোর্ট দিয়েছে। বিচার পাওয়ার আশায় আদালতে নারাজি দিয়েছি। গুলিতে আমার ক্ষতস্থানে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয়, রাতে ঘুমাতে পারি না। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি, আমাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হোক। পিপি আবদুল হাই বেলাল বলেন, আসামিরা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হওয়ায় পিবিআইয়ের পরিদর্শক পদমর্যাদার তদন্ত কর্মকর্তা প্রভাবিত হয়ে ফাইনাল রিপোর্ট দিয়েছিলেন। বাদীর আবেদনের ভিত্তিতে বিজ্ঞ আদালত সিআইডির এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তা দিয়ে পুনঃতদন্তের আদেশ দিয়েছেন।