বগুড়ার গাবতলীতে আইনজীবী ও সাবেক বিএনপি নেতা শিপন আলীর বিরুদ্ধে পরকীয়া, অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা এবং তালাক নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ তুলেছেন তার স্ত্রী লিপি বেগম। সোমবার (১২ অক্টোবর) গাবতলী প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে লিপি বেগম জানান, ২০২৪ সালের ১৩ জুন পরিবারের সম্মতিতে গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুর ইউনিয়নের তেলিহাটা গ্রামের ছাবেদুর রহমানের ছেলে অ্যাডভোকেট শিপন আলীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি সুখানপুকুর ইউনিয়নের তেলিহাটা গ্রামের এক তালাকপ্রাপ্ত নারীর বাড়িতে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় লোকজন শিপন আলীকে আটক করে। পরে ওই নারীকে সাত লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করে পরিস্থিতি সামাল দেন শিপন। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার ভিডিও ও তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে শিপনকে সুখানপুকুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। এই ঘটনার পরও শিপন আরেক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। এসব বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে শিপন আলী তাকে ৬ মাস আগে তালাক দিয়েছেন অপপ্রচার করছেন। লিপির দাবি, তালাকের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। এ সংক্রান্ত কোনো তালাকনামা বা আইনি কাগজপত্রও তিনি পাননি। এমনকি গত ৮ অক্টোবর রাতেও শিপন বাসায় এসেছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে লিপি প্রশ্ন তুলে বলেন, শিপন যদি আমাকে ছয় মাস আগেই তালাক দিয়ে থাকেন, তাহলে আমি এখন পর্যন্ত কোনো তালাকনামা পেলাম না কেন? লিখিত বক্তব্যে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বানও জানান তিনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আইনজীবী শিপন আলী সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি রাজনৈতিকভাবে ষড়যন্ত্রের শিকার। আমাকে এবং আমার দলকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেসহ্যে তিনি এ ধরনের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।