জাতীয় নাগরিক পার্টি পুনর্গঠিত হয়েছে, আমরা আগামী দিনের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হয়েছি: পাটওয়ারী

আজাদ ডেস্ক:
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১০
 ছবি:

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, আমরা গণঅভ্যুত্থানের আগে নেমে এসেছিলাম, এবারও সেভাবে নেমে এসেছি। এই সময়ে অনেক রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ হাল ছেড়ে দিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এই সরকারকে কিছু করা যাবে না, বলা যাবে না, ধরা যাবে না, ছোঁয়া যাবে না। এই বিএনপি সরকারকে সবকিছুর জবাবদিহির আওতায় আনার উদ্দেশ্যে, আমরা সেই অসম্ভবকে আবার সম্ভব করার জন্য মাঠে নেমে এসেছি।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এনসিপির আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণের প্রতিবাদে আসন্ন গণবিক্ষোভ কর্মসূচি উপলক্ষ্যে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

তিনি বলেন, বিএনপি সরকারকে ধরা যাবে, ছোঁয়া যাবে। তাদের জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসা যাবে, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা যাবে।


নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি পুনর্গঠিত হয়েছে। আমরা আগামী দিনের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হয়েছি। সকালে আমাদের পুনর্গঠিত প্রস্তুতি কমিটি প্রকাশ হয়েছে। বিকেলে আপনারা আমাদের রাজপথে দেখতে পেয়েছেন।

তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে বাংলাদেশের মানুষ যখন হাল ছেড়ে দিয়েছিল যে শেখ হাসিনাকে আর বিদায় করা যাবে না, তখন কিন্তু আমরা রাজপথে আবার নেমে এসেছিলাম। আমরা সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছিলাম এবং বাংলাদেশের মানুষকে দেখিয়ে দিয়েছিলাম, বাংলাদেশের মানুষের সামনে যখনই কোনো অন্যায়-অবিচার নেমে আসে, সেটা বাংলাদেশের মানুষ কখনো সহ্য করে না, ভবিষ্যতেও করবে না।


সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, আমরা দেখেছিলাম, এই সরকার নির্বাচনের পরে ক্ষমতায় আসার পর আমাদের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল যে দলীয়করণ করা হবে না, সবকিছু ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখা হবে। জনগণের কল্যাণে একটি রাষ্ট্র গঠন হবে। সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন আমরা দেখতে পাইনি। আমরা যখন মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি, মানুষ আমাদের বলেছে, সরকার আমাদের পেটে লাথি দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আমরা গণঅভ্যুত্থানের আগে নেমে এসেছিলাম, এবারও সেভাবে নেমে এসেছি। এই সময়ে অনেক রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ হাল ছেড়ে দিয়েছেন। তারা মনে করছেন, এই সরকারকে কিছু করা যাবে না, বলা যাবে না, ধরা যাবে না, ছোঁয়া যাবে না। এই বিএনপি সরকারকে সবকিছুর জবাবদিহির আওতায় আনার উদ্দেশ্যে আমরা সেই অসম্ভবকে আবার সম্ভব করার জন্য মাঠে নেমে এসেছি। বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় দলীয় শৃঙ্খলা নষ্ট করা হয়েছে। দলীয় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরাই বাংলাদেশে এসব বন্ধ করতে পারব।


দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে যুদ্ধের পরিস্থিতি কিংবা গ্যাসের দাম বৃদ্ধির অজুহাতে তারা যে দাম বাড়াচ্ছে, সেই জায়গায় আমরা দেখতে পাচ্ছি, বাংলাদেশের সিন্ডিকেটের কারণে দাম বেশি বৃদ্ধি হচ্ছে। তাই আমরা আবার রাজপথে নেমে এসেছি, মানুষের কাছে যাচ্ছি। এটা আমাদের বন্ধ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এটা কোনো দলের দাবি নয়। দল-মতনির্বিশেষে ধনী, গরিব, ফকির সবারই একটা দাবি, বাংলাদেশে আমরা পেটে খাবার চাই। সুস্থভাবে বাঁচতে চাই, সবকিছু ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে চাই।

রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সাধারণ মানুষের বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা না থাকার কথা উল্লেখ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, এখন আমরা রাজনৈতিক

রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের সাধারণ মানুষের বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা নেই উল্লেখ করে এনসিপির এই নেতা বলেন, বর্তমানে আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, এমপি, মন্ত্রী কিংবা ভবিষ্যতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এমন প্রার্থীরা কারওয়ান বাজারসহ অন্যান্য কাঁচাবাজারে নিজেরা গিয়ে কেনাকাটা করেন না। তাদের গৃহকর্মীরাই বাজার করেন। তারা যেহেতু অবৈধ ও কালো টাকায় কেনাকাটা চালান, তাই বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ কতটা কষ্টে আছে, তা তাদের স্পর্শ করে না।

নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা যারা গ্রাম থেকে উঠে এসেছি, আমাদের মা-বাবা এখনো গ্রামে থাকেন। আমরা যারা মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান, যারা কখনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত হইনি, আমাদের কাছে এক টাকার মূল্য অনেক বেশি। এজন্য আমরা যখন বাজারে যাই, বাজার থেকে দ্রব্যমূল্য কিনি, তখন দেখতে পাই, এগুলো তো আমাদেরই ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নেই। তাহলে গরিব মানুষের কী অবস্থা হবে?

কর্মসূচির বিষয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আমরা পুরো ঢাকা শহরের বিভিন্ন জায়গায় লিফলেট বিতরণ করব, মানুষের কাছে যাব। আগামী এক সপ্তাহ পরে আমাদের একটি গণবিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।

১

মার্কিন কর্মকর্তাদের হত্যার চেষ্টা চালাচ্ছে ইরান, গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তা

২

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রীর পদত্যাগ চায় এনসিপি

৩

নিষিদ্ধ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মিছিল থেকে পুলিশের ওপর হামলা, আহত ২

৪

৭১ এর ভূমিকার জন্যই জামায়াত বর্তমানে আওয়ামী লীগের সমর্থন চায়: রিজভী

৫

মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাকড

৬

জামায়াত আমিরের ডিভাইস না দেওয়ার পেছনে বড় অপরাধ লুকানোর বিষয় আছে: রাশেদ খাঁন

৭

ভারতের প্রথম আইআইটি থেকে ডিজিটাল স্বাস্থ্য: ভারত-ইউএনডিপির সাত দশকের অংশীদারিত্ব

৮

এবার জামায়াতের নায়েবে আমিরের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট হ্যাকড

৯

ভোট ডাকাতি করব না, কাউকে করতেও দেব না: গোলাম পরওয়ার

১০

দিনাজপুরে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে গাছ আলু

১১

বিশ্বের স্থপতিদের হতবাক করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করল গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি

১২

পর্যটন উন্নয়নে প্রয়োজনে ইসিআই আইন সংশোধন করা হবে: লুৎফুর রহমান কাজল

১৩

সাদপন্থিরা আর কখনো টঙ্গী ইজতেমা ময়দান ব্যবহার করতে পারবে না: হেফাজতের আমির মুহিববুল্লাহ

১৪

চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন আসছে: আইজিপি

১৫

আ.লীগের সঙ্গে ‘আঁতাত’, কেউ প্রমাণ দিতে পারলে জাতির কাছে ক্ষমা চাইবেন: জামায়াত আমিরের চ্যালেঞ্জ

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত