সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে ৮ জনের মৃত্যু, বিক্ষুব্ধদের ভাঙচুর; সেনা মোতায়েন, তদন্ত কমিটি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাসে অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহত ও অসুস্থদের মধ্যে শিপইয়ার্ডের শ্রমিকের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও রয়েছেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা ইয়ার্ডে ঢুকে ভাঙচুর চালালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজ ইয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ইয়ার্ডে থাকা একটি পুরোনো এলএনজি জাহাজের ট্যাংক থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে নিহত প্রত্যেক শ্রমিকের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকারস অ্যান্ড রিসাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)। একই ঘটনায় কারখানাটির কার্যক্রম সাময়িক বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ শিপ রিসাইক্লিং বোর্ড (বিএসআরবি)। দুর্ঘটনার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিএসবিআরএ’র তরফে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিশেষজ্ঞ টিমের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মাহবুবুল হাসান বলেন, গ্যাস নির্গমন নাকি বিস্ফোরণ, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ইয়ার্ডে শ্রমিকদের নিরাপত্তাব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে।  ফায়ার সার্ভিস ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রাম মেডিকেলের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইশতিয়াক রহমান দুপুরে জানান, এখন পর্যন্ত ৭ জনকে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৬ জন মারা গেছেন। একজন চিকিৎসাধীন আছেন। ডা. ইশতিয়াক বলেন, “তাদের শরীরে বিস্ফোরণজনিত আঘাত এবং গ্যাস ইনহেলেশন জনিত প্রভাব পেয়েছি। জাহাজ কাটার সময় বিস্ফোরণ হয়েছে বলে শুনেছি।” সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আলমগীর বলেন, সবশেষ শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ২ জনের মরদেহ ছিল। তাদের বেলা আড়াইটার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মেডিকেল নিহত ৬ জন ছিল। মোট ৮ জন নিহত হয়েছেন। আমরা পৌঁছার আগেই আহত কয়েকজনকে বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মোট কতজন আহত তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছি না।” হতাহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসা আঙ্গুর মিয়া বলেন, “শ্রমিকরা জাহাজ কাটার কাজ করছিল। তখন গ্যাস ট্যাংকিতে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণ হয়। নিহতদের মধ্যে আমি দুজনকে চিনি। তারা গাইবান্ধা জেলার মানুষ।” নিহতদের একজন মনছুরের স্ত্রীর ভাই মহিউদ্দিন বলেন, “খবর পেয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছি। এখনো মালিকপক্ষের কেউ আসেনি। মনছুর ও নাছির দুই ভাই মারা গেছেন। তারা ভাটিয়ারির বাসিন্দা।” দুর্ঘটনার কারণ...

$post['title']

‘দেশে আদিবাসী গোষ্ঠী নেই’: দুই মন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ আদিবাসী পরিষদের

$post['title']

‘এক ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত, না হলে যেখানে পাব সেখানে গুলি’

$post['title']

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নোবিপ্রবির ৬ শিক্ষার্থী

$post['title']

চট্টগ্রাম ওয়াসার ৮৬ কোটি গেল কোথায়

$post['title']

এসএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন শুরু মঙ্গলবার