পার্বত্য অঞ্চলের বেকারত্ব দূরীকরণ ও দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাঙামাটির লংগদুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিনামূল্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপ সম্পন্ন হয়েছে। এ উপলক্ষে ৪৮ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে সনদপত্র এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া ১২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রাথমিক চিকিৎসা বক্স বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১২ অক্টোবর) লংগদু জোন সদরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন লংগদু জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহমুদুল হাসান, পিএসসি। এ সময় জোনের জেডএসও মেজর মো. ইমরুল কায়েস, পিএসসিও উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার বেকার তরুণ-তরুণীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বাবলম্বী করে তোলার লক্ষ্যে গত ২০ সেপ্টেম্বর লংগদু জোনের উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়। কর্মসূচির আওতায় কম্পিউটার, মোবাইল মেরামত, মেকানিক্যাল ও মেরামত এবং প্রাথমিক চিকিৎসা এই চারটি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে জোন কমান্ডার প্রশিক্ষণার্থীদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা বাস্তব জীবনে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এ কর্মসূচি স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নে সেনাবাহিনীর এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আইফোনের লোভেই স্কুল শিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। তিনি দাবি করেন, নিখোঁজ হওয়ার দিন বিকেল ৫-৬টার মধ্যে অপ্রতিমকে মেরে ফেলা হয়। বলেন, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, অপ্রতিমকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে নিয়ে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে...
কক্সবাজারে ফুটবল ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ দিন দিন বাড়লেও সেই তুলনায় নেই পর্যাপ্ত অবকাঠামো। জেলার বড় ফুটবল ম্যাচগুলোতে ধারণক্ষমতার কয়েক গুণ বেশি দর্শক মাঠে হাজির হওয়ায় তৈরি হচ্ছে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার ঝুঁকি। এমন পরিস্থিতিতে পর্যটন নগরী কক্সবাজারে ২০ থেকে ৫০ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন একটি আধুনিক ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ক্রীড়ামোদী, সাবেক খেলোয়াড় ও ফুটবলপ্রেমীরা। কক্সবাজারের প্রধান ক্রীড়া ভেন্যু বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা বর্তমানে আনুমানিক ৩ থেকে ৫ হাজার।...
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন আর শুধু বিচ্ছিন্ন অপরাধের বিষয় নয়। গত কয়েক বছরে সেখানে হত্যা, অপহরণ, মাদক পাচার, চাঁদাবাজি ও আধিপত্য বিস্তারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সংগঠিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা। ক্যাম্পের পাহাড়ি অংশে অস্ত্রের মজুত, স্থানীয়ভাবে অস্ত্র তৈরির কারখানা এবং সীমান্ত ও সমুদ্রপথে বিদেশি অস্ত্র প্রবেশের তথ্য মিলিয়ে তৈরি হয়েছে একটি জটিল নিরাপত্তা বলয়। ২০২০ সালে কুতুপালংসহ কয়েকটি ক্যাম্পে ধারাবাহিক সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে যে বাস্তবতা স্পষ্ট হ...
প্রায় নয় বছর ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন এখনো শুরু করা যায়নি। মিয়ানমারের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা, তালিকা যাচাই এবং আন্তর্জাতিক উদ্যোগের পরও একজন রোহিঙ্গাকেও বড় পরিসরে নিজ দেশে ফেরানো সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণ, মাদক ও অস্ত্রের বিস্তার এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা কমে যাওয়ায় সংকটটি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ৩০...
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে। একসময় চুরি-ছিনতাই বা ছোটখাটো অপরাধের অভিযোগ বেশি শোনা গেলেও এখন সংঘবদ্ধ সশস্ত্র গোষ্ঠীর আধিপত্য, মাদক কারবার, অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়, মানবপাচার ও অস্ত্রের ব্যবহার পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ক্যাম্পের ভেতরে আধিপত্য বিস্তারের পাশাপাশি এসব অপরাধের কিছু অংশ ক্যাম্পের বাইরের এলাকা ও সীমান্ত পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, গত নয় বছরে রোহিঙ্গা ক্যাম্পকেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধে সাড়ে চার হাজারের বেশি মামলা হয়...