আলজাজিরার বিশ্লেষণ

আইনি লড়াই কি পাখতুনখোয়ার ক্ষমতায় ফেরাবে পিটিআইকে

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১০
 ছবি:

জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন চ্যালেঞ্জের ঘোষণা ইমরান খানের দলের, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার যুক্তি কেন্দ্রের; প্রশ্নে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে নির্বাচিত সরকার স্থগিত করে জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াইয়ে নামছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দলটির অভিযোগ, নিরাপত্তার যুক্তি দেখিয়ে প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন খর্ব করা হয়েছে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় প্রাদেশিক সরকারের নিষ্ক্রিয়তার কারণেই হস্তক্ষেপ জরুরি হয়ে পড়েছিল।

এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে, আদালতের লড়াই কি পিটিআইকে আবার প্রাদেশিক ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে পারবে? আপাতত এর উত্তর নির্ভর করছে জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির সাংবিধানিক বৈধতা, সংসদীয় অনুমোদন এবং প্রদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর। তবে আইনি চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দলটি। ফলে বিষয়টি শুধু প্রাদেশিক প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধে সীমাবদ্ধ নেই; পাকিস্তানের কেন্দ্র-প্রদেশ সম্পর্ক ও রাজনৈতিক সংঘাতও এতে জড়িয়ে পড়েছে। 

গত রোববার প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকারের পরামর্শে খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারি করেন। এর ফলে ২০১৩ সাল থেকে প্রদেশটিতে ক্ষমতায় থাকা পিটিআইয়ের নির্বাচিত সরকার স্থগিত হয়ে যায়। প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি ও তাঁর মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যকে হেফাজতে নেওয়ার খবরও জানায় কেন্দ্রীয় সরকার।

পিটিআইয়ের কেন্দ্রীয় তথ্যসচিব শেখ ওয়াকাস আকরাম আল জাজিরাকে জানান, জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি। মহাসচিব সালমান আকরাম রাজার নেতৃত্বে একটি কমিটি এ বিষয়ে রিটের খসড়া তৈরি করেছে। দলের চেয়ারম্যান গওহর আলি খানও আদালত ও পার্লামেন্টে সিদ্ধান্তটি চ্যালেঞ্জ করার কথা জানিয়েছেন। তবে কোন আদালতে আবেদন করা হবে এবং আদালত কী সিদ্ধান্ত দেবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। <Cite refs={["turn561773search1","turn561773search0"]}/>

নিরাপত্তা নাকি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ

কেন্দ্রীয় সরকারের যুক্তি, আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখোয়ায় সন্ত্রাসী তৎপরতা মোকাবিলায় প্রাদেশিক সরকার কার্যকর ভূমিকা পালন করেনি। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রাদেশিক প্রশাসনের যথেষ্ট উদ্যোগ ও সমন্বয়ের অভাব ছিল। এ পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপকে তারা সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রয়োজন হিসেবে তুলে ধরছে।

পাকিস্তানের রাজনৈতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব লেজিসলেটিভ ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ট্রান্সপারেন্সির (পিআইএলডিএটি) যুগ্ম পরিচালক আসিয়া রিয়াজের মতে, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম থেকে প্রাদেশিক সরকারের সরে থাকার অভিযোগকে জরুরি অবস্থা জারির সাংবিধানিক ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

তবে এই ব্যাখ্যার সঙ্গে একমত নন লাহোর ইউনিভার্সিটি অব ম্যানেজমেন্ট সায়েন্সেসের শিক্ষক ও আইনজীবী হাসান আবদুল্লাহ নিয়াজি। তাঁর মতে, প্রদেশে কার্যকর আইনসভা ও প্রশাসন ছিল এবং নির্বাচিত সরকার জনগণের আস্থাও অর্জন করেছিল। ফলে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের ওপর অসাংবিধানিক হস্তক্ষেপ বলে বিবেচিত হতে পারে।

কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার পিটিআই সরকারের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তাঁর দাবি, প্রদেশে হাজারো মানুষের মৃত্যুর জন্য পিটিআই সরকার দায়ী এবং দলটির সঙ্গে পাকিস্তান তালেবান (টিটিপি) ও আফগান তালেবানের যোগসাজশ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে প্রকাশ্যে যাচাইযোগ্য প্রমাণের উল্লেখ আল জাজিরার বিশ্লেষণে পাওয়া যায়নি। পিটিআই এসব অভিযোগের বিরোধিতা করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যেও কেন্দ্রের পদক্ষেপের উদ্দেশ্য নিয়ে মতভেদ রয়েছে। কেউ একে নিরাপত্তা, প্রশাসন ও রাজনীতির সম্মিলিত সংকট হিসেবে দেখছেন; অন্যদের মতে, নিরাপত্তার যুক্তি দিয়ে পিটিআইয়ের প্রাদেশিক সরকারকে সরিয়ে দেওয়ার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও থাকতে পারে। এসব ব্যাখ্যা বিশ্লেষকদের মূল্যায়ন—চূড়ান্ত আইনি সিদ্ধান্ত নয়। 

সংবিধানের পরীক্ষা

জরুরি অবস্থা ও গভর্নরের শাসন জারির ক্ষেত্রে পাকিস্তানের সংবিধানের ২৩২ ও ২৩৪ অনুচ্ছেদ গুরুত্বপূর্ণ। ২৩২ অনুচ্ছেদ জরুরি অবস্থা জারির বিধান নিয়ে কাজ করে। অন্যদিকে ২৩৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো প্রদেশের সরকার সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হতে পারছে না বলে প্রেসিডেন্ট মনে করলে নির্দিষ্ট শর্তে কেন্দ্র প্রাদেশিক প্রশাসনের দায়িত্ব নিতে পারে বা গভর্নরের মাধ্যমে তা পরিচালনা করতে পারে।

আল জাজিরার ব্যাখ্যা অনুযায়ী, প্রাদেশিক পরিষদের প্রস্তাব ছাড়াই জরুরি অবস্থা জারি করায় ঘোষণাটি ১০ দিনের মধ্যে পার্লামেন্টের উভয় কক্ষে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে। জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে যৌথ অধিবেশনে অনুমোদন এবং গভর্নরের শাসনের মেয়াদ—দুটির সাংবিধানিক প্রক্রিয়া এক নয়। জরুরি অবস্থা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় অনুমোদন না পেলে কার্যকারিতা হারাতে পারে; গভর্নরের শাসনও সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত বহাল রাখার বিধানের আওতায় রয়েছে।

পিটিআইয়ের আইনি লড়াইয়ের কেন্দ্রে থাকবে, কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের সাংবিধানিক শর্ত পূরণ হয়েছে কি না। প্রাদেশিক সরকার সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ব্যর্থ হয়েছিল—কেন্দ্রের এই দাবিই যথেষ্ট কি না, নাকি নির্বাচিত সরকারকে স্থগিত করার আগে আরও নির্দিষ্ট সাংবিধানিক শর্ত পূরণ করতে হয়, তা আদালতের বিবেচনায় আসতে পারে। তবে আদালতে আবেদন করলেই সরকার পুনর্বহাল হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। আবেদন গ্রহণ, শুনানি, অন্তর্বর্তী আদেশ এবং চূড়ান্ত রায়—প্রতিটি ধাপই গুরুত্বপূর্ণ।

আন্দোলন ও জনজীবনে প্রভাব

জরুরি অবস্থা ঘোষণার সময় পিটিআই ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ইসলামাবাদ অভিমুখে পদযাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তিন বছরের বেশি সময় ধরে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মুক্তি ও চিকিৎসাসংক্রান্ত দাবিও দলটির আন্দোলনের অংশ। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের পর প্রাদেশিক নেতাদের আটক, নিরাপত্তা জোরদার এবং বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবন্ধকতা তৈরির ঘটনায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে।

পেশোয়ারসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়কে কনটেইনার বসানো, পুলিশ মোতায়েন এবং মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্নের খবর পাওয়া গেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তও জনজীবনে প্রভাব ফেলেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে সরকারের বক্তব্য থাকলেও, রাজনৈতিক নেতাদের আটক ও যোগাযোগব্যবস্থায় বিঘ্ন নিয়ে মানবাধিকারকর্মীদের উদ্বেগ রয়েছে। 

পিটিআইয়ের জন্য এখন তাৎক্ষণিক চ্যালেঞ্জ হলো আটক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখা, দলীয় সংগঠন সচল রাখা এবং আন্দোলন অব্যাহত রাখার সক্ষমতা ধরে রাখা। একই সঙ্গে আদালতে সাংবিধানিক যুক্তি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারকে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতা স্থগিত করার সিদ্ধান্তের আইনি ভিত্তি ও নাগরিক অধিকারের প্রশ্নে জবাব দিতে হবে।

 ক্ষমতায় ফেরা কতটা নির্ভর করছে আদালতের ওপর

আইনি লড়াই পিটিআইয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা এককভাবে প্রদেশের ক্ষমতা পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করবে না। আদালত সিদ্ধান্তটি অসাংবিধানিক ঘোষণা করলে বা কার্যকর কোনো স্থগিতাদেশ দিলে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আবার কেন্দ্র প্রয়োজনীয় সংসদীয় অনুমোদন আদায় করতে পারলে এবং আদালতে নিজের অবস্থান প্রতিষ্ঠা করতে পারলে গভর্নরের শাসন বহাল রাখার পথও খোলা থাকবে। এর পাশাপাশি প্রদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় বাস্তব অগ্রগতি হয় কি না। নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সরকারের পদক্ষেপের যৌক্তিকতা নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়তে পারে। বিপরীতে সহিংসতা কমলে কেন্দ্র তার সিদ্ধান্তের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরতে পারবে—যদিও তাতেও সাংবিধানিক বৈধতার প্রশ্ন স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিটে যাবে না।

অতএব, পিটিআইয়ের আইনি লড়াই শুধু একটি প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতায় ফেরার প্রশ্ন নয়। এটি পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় ক্ষমতা ও প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের সীমা, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার দায়িত্ব এবং নির্বাচিত সরকারের সাংবিধানিক সুরক্ষা কতটা কার্যকর—সেই বৃহত্তর বিতর্কেরও পরীক্ষা। আদালতের সিদ্ধান্ত, পার্লামেন্টের ভূমিকা এবং মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত নির্ধারণ করবে, এই সংঘাত কোন দিকে এগোয়।

১

জামায়াতের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, জেলার মহানগরী কার্যালয়ে ভাঙচুর

২

হালান্ডের রেকর্ডের রাতে সিটির হার, প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পিএসজি

৩

৯ গোলের লড়াইয়ে বারকোলার হ্যাটট্রিক, লিভারপুলের বড় জয়

৪

৭ গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৭ মিনিটের ঝড়ে রিয়াল মাদ্রিদের জয়

৫

৪৫ বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ, সুপারিশ পেলেন ১৭০২ জন

৬

সংজ্ঞা ও মানদণ্ড নির্ধারণের তাগিদ, নতুন করে যাচাই হবে জুলাইযোদ্ধা তালিকা, আবেদনের সুযোগ বাদ পড়াদের

৭

তুমুল আলোচিত নেহা বোরা সম্পর্কে যা জানতে চাইছেন মানুষ

৮

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সহিংসতার তদন্ত চায় ভারত

৯

নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে প্রস্তুত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

১০

ডিসেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের তৎপরতা, নাশকতার আশঙ্কায় উদ্বেগ

১১

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও রেলপথের চার লেনের কাজ চলবে

১২

প্রযুক্তির ভিড়ে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

১৩

রংপুরে জলাশয় থেকে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

১৪

ঢাকা থেকে সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী

১৫

গাইবান্ধায় জামায়াত নেতার পদত্যাগ

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত