ছাড়পোকা দমনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ৩২ লাখ ব্যয়ের ব্যাখ্যা দিলেন ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক যুবাইর বিন নেছারী (এবি জুবায়ের)। ব্যাখ্যায় তিনি বলেছেন, ‘সবখানে নেগেটিভিটি খুঁজে বেড়ানো ভালো লক্ষণ না।’
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এক পোস্টে তিনি এ ব্যাখ্যা দেন।
এবি জুবায়ের তার পোস্টে লেখেন, গতকাল থেকে মিডিয়ার ফ্রেমিং দেখতেছি ‘ছাড়পোকা দমনে ৩২ লাখ টাকা ব্যয় ডাকসুর’। এমন টোনে শিরোনাম করছে যেন অস্বাভাবিক কিছু।
তিনি লেখেন, ১৮টা হলের মোট ৪ হাজার ৮৭৭টি রুমে আমরা পেস্ট কন্ট্রোল মেডিসিন দিয়েছি। বেডের সংখ্যা ১৬ হাজার ৭২৯। এবার প্রতিটা বেড ধরে হিসাব করে দেখেন তো বেডপ্রতি কত পড়ে? আর যেটা দিয়েছি সেটা বাজারে কিনতে পাওয়া নরমাল গ্যাসের ট্যাবলেট না। একটা স্বনামধন্য কোম্পানির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সম্পন্ন মেডিসিন। কিছু রুম বাদে ম্যাক্সিমাম জায়গা থেকেই ভালো ফিডব্যাক এসেছে। যেগুলোতে আশানুরূপ ফল আসেনি সেগুলোও হয়তো প্রোপার মেইনটেনেন্স করতে পারলে আসত।
এবি জুবায়ের আরও লেখেন, সে আলাপে না যাই। আলাপ হচ্ছে, এই টাকাও ভার্সিটির দেওয়া কোনো টাকা না। আমরা বাহির থেকে টাকা ম্যানেজ করে চেষ্টা করেছি যতদূর সম্ভব সমাধান করার। এগুলো ডাকসুর কাজ না। কাজ প্রশাসনের। তারপরও আমরা করেছি শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের কষ্টের কথা চিন্তা করে।
শু/আজা