সৌদির সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট: ‘নিরুপায়’ বাংলাদেশের সামনে কোন সমীকরণ

মাসুম বিল্লাহ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

একদিকে বাণিজ্য, শ্রমবাজার, ধর্মীয় আবেগ ও পরাশক্তির আগ্রহ; অন্যদিকে নিরাপত্তা ঝুঁকি ও লাভক্ষতির হিসাব।

লোহিত সাগরে হুতিদের হুমকি মোকাবেলায় সৌদি আরবের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে যখন বাংলাদেশের নাম এল, অনেকেরই প্রশ্ন ছিল, বাংলাদেশ কি তাহলে ইরানের বিপক্ষে অবস্থান নিল? কিংবা কারও সঙ্গে বিরোধে না যাওয়ার পররাষ্ট্রনীতি থেকে বাংলাদেশ কি সরে এল? ওই জোটে যোগ দিয়ে বাংলাদেশের লাভ কী, ক্ষতির ঝুঁকিই বা কতটা, সেসব প্রশ্নও স্বাভাবিকভাবে সামনে আসছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে খুব বেশি বিকল্প বাংলাদেশের সামনে ছিল না। সে কারণে এরকম একটি ‘নীতিগত অবস্থান’ সরকারকে নিতে হয়েছে। কারণ ওখান দিয়েই তো আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য হয়, আমাদের জাতীয় স্বার্থ এর সঙ্গে জড়িত। সেই জন্যই আমার মনে হয় বাংলাদেশ এখন যোগ দিয়েছে।”

বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সভাপতি হুমায়ুন কবির বলছেন, লোহিত সাগরে ‘কার্যকর’ সামরিক ভূমিকা রাখার সুযোগ বাংলাদেশের জন্য সীমিত। ফলে সৌদি জোটে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ মূলত ‘প্রতীকী’ পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থাকবে। আমি এটা মনে করি, এটাই যৌক্তিক। তা না হলে আমাদের সামনে বেশি রাস্তা নাই।”

নিরাপত্তা বিশ্লেষক নাসির উদ্দিন আহমেদ মনে করেন, আরো দুটো বিষয় বাংলাদেশের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলেছে। অবসরপ্রাপ্ত এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, “বর্তমানে সৌদি আরব ও আমেরিকা যেহেতু একইসঙ্গে ইরানের কিছু লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করছে, তাই ধরে নিতে হবে যে সৌদি আরবের এই জোটের বিষয়ে আমেরিকারও আগ্রহ আছে। আবার সৌদি আরবে বাংলাদেশের বিরাট শ্রমবাজার। তাই সৌদি আরবের এই আহ্বানের বিপক্ষে গেলে শ্রমবাজারে আঘাত আসতে পারে।”

সরকার বলছে, সৌদি আরবের সঙ্গে ‘কৌশলগত’ সম্পর্ক জোরদার এবং ‘জাতীয় স্বার্থ রক্ষার’ অংশ হিসেবেই এ জোটে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ।

নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা এ সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা দেখলেও ভবিষ্যতে সম্ভাব্য কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।

তাদের ভাষ্য, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ যদি সামরিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা নেয়, তাহলে ইরান বা হুতি গোষ্ঠীর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।


কেন এই জোট
পশ্চিম এশিয়ার চলমান সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে এই সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব।

ইরান যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালিতে তেল ও গ্যাস পরিবহন ব্যাহত হওয়ায় বাব আল-মান্দাব হয়ে লোহিত সাগরের নৌপথের কৌশলগত গুরুত্ব বেড়েছে।

কিন্তু ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতিরা সম্প্রতি লোহিত সাগরে সৌদি আরবসংশ্লিষ্ট জাহাজে হামলা চালায় এবং সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দেয়। তাতে গুরুত্বপূর্ণ এ সমুদ্র পথ নিয়েও নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়।

বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ বাব আল-মান্দাব প্রণালি দিয়ে পরিচালিত হয়। প্রতিদিন কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেলও এই পথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।

প্রণালির সবচেয়ে সরু অংশের প্রস্থ মাত্র ২৯ কিলোমিটার। সেখানে মাত্র দুটি নৌ চ্যানেল দিয়ে জাহাজ চলাচল সম্ভব। ফলে ওই পথ বাধাগ্রস্ত হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

এ অবস্থায় বাব আল-মান্দাব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে নতুন বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা আসে গত ৩১ জুলাই।

রিয়াদে ৪৩টি দেশের সামরিক প্রতিনিধি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনের পর জোট গঠনের ওই ঘোষণা দেওয়া হয়।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী দেশ ৪৩টি হলেও জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশ যৌথ ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে।

‘মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’ নামের এই জোটের লক্ষ্য হলো বাব আল-মান্দাব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের রুট সুরক্ষিত রাখা এবং সদস্য দেশগুলোর সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষা করা।

জোটের যৌথ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, এটি একটি প্রতিরক্ষামূলক উদ্যোগ। কোনো রাষ্ট্র, জোট বা আন্তর্জাতিক সংস্থাকে লক্ষ্য করে এটি গঠন করা হয়নি। আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট কনভেনশন এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান রেখেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ঘোষণাপত্র অনুযায়ী, সৌদি আরব হবে জোটের স্থায়ী সদর দপ্তর। সেখানে যৌথ অভিযান সমন্বয় কেন্দ্র, সামুদ্রিক অভিযান কেন্দ্র এবং সচিবালয় স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, যৌথ মহড়া, প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সমন্বিত সামুদ্রিক অভিযান পরিচালনায় সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো হবে।

বাংলাদেশের জন্য সৌদি নেতৃত্বাধীন কোনো সামরিক জোটে যুক্ত হওয়া অবশ্য নতুন নয়।

এর আগে ২০১৫ সালে সৌদি আরবের নেতৃত্বে গঠিত সন্ত্রাসবাদবিরোধী ইসলামী সামরিক জোটে (আইএমসিটিসি) যোগ দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে সে জোটের সদর দপ্তরে পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল পাঠায়নি ঢাকা।

বর্তমান বিএনপি সরকার কূটনীতির সঙ্গে প্রতিরক্ষাকে যুক্ত করে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।


ইতোমধ্যে তুরস্ক এবং চীনের সঙ্গে ‘টু প্লাস টু’, অর্থাৎ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনার প্ল্যাটফর্ম গড়ার ঘোষণা এসেছে।

বাংলাদেশ কেন যোগ দিল
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রশ্ন রাখা হয় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সামনে। জবাবে তিনি বলেন, ‘হুতিদের ঠেকাতে’ সৌদি আরবের নেতৃত্বে বহুজাতিক এই জোটে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। মূল বিষয় হচ্ছে, সৌদির সঙ্গে আমাদের একটি বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। এবং আমরা সৌদির সঙ্গে সম্পর্ককে কেবল হজ-ওমরার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখছি না। কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নয়, বরং ঢাকা ও রিয়াদের সম্পর্ক হবে কৌশলগত এবং এটা খুবই মজবুত সম্পর্ক হবে।”

দুই পবিত্র মসজিদের রক্ষক হিসেবে সৌদি আরবের বিশেষ অবস্থানের কথাও বলেন হুমায়ুন কবির, ‘যে কোনো সময় যদি সৌদি আরব নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনো সহায়তা চায়, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ নৈতিক ও আদর্শিক জায়গা থেকে সবসময়ই সাড়া দেবে এবং সহায়তা করবে।”

তবে বাংলাদেশ যে ইরানের সঙ্গে বিরোধে জড়াতে চায় না, সে বিষয়টি স্পষ্ট করে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, “আমরা কিন্তু ইরানের সঙ্গেও কথা বলছি। সুতরাং এমন নয় যে, ইরানকে আক্রমণ করতে হবে।”

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলে সেখানেও সৌদি জোটের প্রসঙ্গ আসে।

তিনি বলেন,পশ্চিম এশিয়ার ‘স্থিতিশীলতা এবং শান্তি ও সুরক্ষার জন্য’ সরকার এই জোটে নীতিগত সমর্থন দিয়েছে। তবে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের ধরন বা পরিধি এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। এটা অন্য কোনো গোষ্ঠী বা অন্য কারো বিরুদ্ধে না। এটা শুধু বাংলাদেশের স্বার্থে, বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থে আমরা নীতিগতভাবে একমত হয়েছি।”

সৌদি জোটের অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশ কি সেখানে সৈন্য পাঠাবে? হুমায়ুন কবির বলেন, “এটি হুতিদের কর্মকাণ্ড মোকাবেলার জন্য একটি জোট। হুতিদের মোকাবিলা করতে যে ধরনের সহায়তা লাগবে, বাংলাদেশের যে সক্ষমতা রয়েছে, সে অনুযায়ী আমরা তা দেব।”

এদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট।

অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী সৌদি সরকারের নেতৃত্বে গঠিত জোট থেকে বেরিয়ে আসতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে দেশের বাম ও প্রগতিশীল দলগুলোর এই মোর্চা।

এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, “এটা স্পষ্ট, পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও নানা বৈশ্বিক জোটে বিভক্ত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কোনো একটি পক্ষের সঙ্গে এ ধরনের সামরিক জোটে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের নিরাপত্তা, বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়াবে। ফলে অপ্রয়োজনীয় সামরিক ব্যয়ও বাড়বে। এ ছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের ইরানসহ অন্যান্য আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এমনকি বাংলাদেশের পণ্যবাহী জাহাজ হুতির মত সশস্ত্র গোষ্ঠীর টার্গেটে পরিণত হবে।”

গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট বলেছে, “মার্কিন সমর্থিত এই সহযোগী জোটে অংশগ্রহণ ইরান ও ফিলিস্তিন জনগণের সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার সামিল, যা বাংলাদেশের জোট নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতির পরিপন্থি।”

বাংলাদেশের লাভ-ক্ষতি
সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির মনে করেন, সমুদ্রপথে অবাধ নৌ চলাচলের আন্তর্জাতিক নীতিকে সমর্থন করার অংশ হিসেবেই বাংলাদেশ এই জোটে যুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি এতে ভয়ের কিছু মনে করছি না। কারণ হরমুজ বা ইরানের সঙ্গে সরাসরি কোনো সংঘাতের বিষয় এটা না। এটা লোহিত সাগর খোলা রাখার জন্য; আমরা নীতিগতভাবে এটাকে সমর্থন করছি।”

এর জোটে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে কারও সঙ্গে বিরোধে না যাওয়ার পররাষ্ট্রনীতি থেকে বাংলাদেশে সরে এল কি-না, সেই প্রশ্ন রাখা হয়েছিল এই বিশ্লেষকের সামনে।

উত্তরে তিনি বলেন, এটা এখন আর কেবল পররাষ্ট্রনীতির বিষয় নেই; এর সঙ্গে ‘জাতীয় স্বার্থ’ সরাসরি জড়িত, লোহিত সাগর বন্ধ হয়ে গেলে তো আমরা খুব বিপদে পড়ে যাব।…আমার ব্যবসা-বাণিজ্যের বড় অংশ ওই পথ দিয়েই হয়।”

জাতীয় স্বার্থের বিষয়টি মানলেও ভবিষ্যতে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তাগত ঝুঁকির বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক নাসির উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, “আমাদের প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিশেষ করে নৌবাহিনীর সাবমেরিন সক্ষমতা চীন থেকে এসেছে। চীনসহ যেসব দেশ ইরানের পক্ষে রয়েছে, বা যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, তারা সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন এই জোটে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অংশগ্রহণকে ইতিবাচকভাবে নাও দেখতে পারে।”

সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার ভাষ্য, “এই জোটে যোগ দেওয়ার এক নম্বর ঝুঁকি হল, যদি আমাদের নৌবহর মোতায়েন করা হয় অথবা কোনো নৌঘাঁটি তৈরি হয়, তাহলে তা ইরান বা হুতিদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হতে পারে।”

হুমায়ুন কবির অবশ্য মনে করেন, লোহিত সাগরে এখনই বাংলাদেশের সামরিক সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা কম। জাতিসংঘের অধীনে না হলে আমরা সাধারণত এই ধরনের সেনা মোতায়েনে যাই না। এটা আমাদের দীর্ঘদিনের একটি নীতিগত অবস্থান।”

আর নাসির উদ্দিন আহমেদ মনে করেন, এই জোটে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ যদি সৌদি আরবের কাছ থেকে ‘বাস্তব সুবিধা’ নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে এই অংশগ্রহণ আরও ‘অর্থবহ’ হবে।

“সৌদি আরব যদি বাংলাদেশের জন্য ভবিষ্যতে পর্যাপ্ত বিনিয়োগ ও অন্যান্য সহায়তা নিশ্চিত করে এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখে, সর্বোপরি বাংলাদেশ কখনও বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রান্ত হলে পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করে, তবে এই জোটে যাওয়াটা যৌক্তিক হবে।”

সূত্র: বিডিনিউজ

এলাকার খবর

সম্পর্কিত