ইসলামাবাদের আলোচনায় শান্তি আসবে মধ্যপ্রাচ্যে?

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

পাকিস্তান যখন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরানোর আশা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে এক টেবিলে বসানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, ইসরায়েল তখন লেবাননে অব্যাহত বিমান হামলা চালিয়ে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে।

রয়টার্স লিখেছে, ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর প্রথম প্রথম সরাসরি আলোচনাকে ঘিরে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

পাঁচতারকা হোটেল সেরেনা এবং আশপাশের তিন কিলোমিটার এলাকা সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করে ফেলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদল সেখানেই অবস্থান করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ‘গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠান’ উপলক্ষে রোববার পর্যন্ত সব অতিথিকে চেক-আউট করতে বলা হয়েছে।

তবে জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ তুলে নেওয়ার কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে না।

ইসরায়েলের বিমান বৃহস্পতিবারও লেবাননের কয়েক জায়গায় বোমা ফেলেছে। প্রতিবেশী দেশটিতে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় হামলায় ২৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হওয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও হরমুজ প্রণালি না খোলায় বিশ্ববাজারে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে জ্বালানি তেলের দাম। ইউরোপ ও এশিয়ার শোধনাগারগুলোকে প্রতি ব্যারেল তেল এখন প্রায় ১৫০ ডলারে কিনতে হচ্ছে। জেট ফুয়েলের দাম বেড়েছে আরও বেশি।

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের পাশাপাশি গত মাসে লেবাননে হামলা চালিয়ে সশস্ত্র প্রতিরোধ বাহিনী হিজবুল্লাহকে নির্মূলের অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। দেশটি বলছে, লেবাননে তাদের এই অভিযান ট্রাম্প ঘোষিত যুদ্ধবিরতির আওতায় পড়ে না।

ওয়াশিংটনও বলেছে, লেবানন এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়। তবে মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তান ও ইরান বলছে, চুক্তির শর্তে লেবাননের কথাও রয়েছে। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ বেশ কয়েকটি দেশ বলেছে, যুদ্ধবিরতি লেবাননেও প্রযোজ্য হওয়া উচিত।

আর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এই সামরিক তৎপরতা যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার জন্য ‘মারাত্মক ঝুঁকি’ তৈরি করছে।

ছবি: রয়টার্স

পাকিস্তানের একটি সূত্রের বরাত দিয়ে রয়টার্স লিখেছে, ইসলামাবাদ চেষ্টা করছে, যাতে লেবানন ও ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করে যুদ্ধবিরতির আলোচনাকে সঠিক পথে রাখা যায়।

মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি আলোচনা শুরুর আগে ইসলামাবাদের নিরাপত্তা বাড়ানোর পাশাপাশি বৃহস্পতি ও শুক্রবার ছুটি ঘোষণা করেছে। এই সময়ে সব স্কুল ও সরকারি কার্যালয় বন্ধ থাকবে; বিধিনিষেধ মানতে হবে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচলের ক্ষেত্রেও।

তবে আলোচনার প্রধান বিষয়গুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এখনও সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের দেওয়া প্রস্তাবগুলোকে আলোচনার ‘ভিত্তি’ হিসেবে বর্ণনা করলেও মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণী এই যুদ্ধ বন্ধে দুই পক্ষই নিজ নিজ দাবিতে অনড়।


কার কী অবস্থান
রয়টার্স লিখেছে, ইরানের একটি প্রতিনিধি দল ১০ দফা প্রস্তাব নিয়ে ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের দেওয়া আগের ১৫ দফা পরিকল্পনার সঙ্গে এর মিল নেই বললেই চলে।

যেমন, ইরানের প্রস্তাবে তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে, যা ওয়াশিংটন আগেই নাকচ করে দিয়েছিল এবং ট্রাম্প বলেছিলেন, এ বিষয়টি আলোচনাযোগ্য নয়।

ইরানের ১০ দফায় তাদের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা নিয়ে কিছু বলা হয়নি, অথচ ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র ওই সক্ষমতা রাতারাতি কমিয়ে আনার দাবি জানিয়ে আসছে।

তেহরান বলেছে, তাদের ‘শক্তিশালী’ ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে কোনো আপস হবে না, যদিও গত এক মাসের লড়াইয়ের পর আর কত ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট আছে তা স্পষ্ট নয়।

একজন পাকিস্তানি কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স লিখেছে, যুদ্ধপরবর্তী পুনর্গঠন, ক্ষতিপূরণ ও নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মত বিষয়ে ইরান হয়ত কিছু দাবি আদায় করে নিতে পারবে, কিন্তু ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে সমঝোতা আশা নেই বললেই চলে।

আগের আলোচনাগুলোতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা গুরুত্ব পেত। কিন্তু এখন সেগুলো ছাপিয়ে গেছে হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ, যে জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বিভিন্ন দেশে সরবরাহ করা হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরসায়েল তেহরানে হামলা শুরু করার পর ইরান এই জলপথ কার্যত বন্ধ করে রেখেছে।

তাতে তেলের দাম বেড়ে গিয়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। এশিয়ার দেশে দেশে জ্বালানির জন্য শুরু হয়েছে হাহাকার।

তেহরান ইঙ্গিত দিয়েছে যে, স্থায়ী শান্তি চুক্তির আওতায় তারা এই প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে ফি আদায় করতে চায়। ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী ওই প্রণালি সংকীর্ণতম স্থানে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার প্রশস্ত।

ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি না হলে এবং প্রণালি খুলে না দিলে ইরানকে ‘ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।

তবে ইরান এখনও অবরোধ তুলে নেওয়ার কোনো লক্ষণ দেখায়নি। তেহরান বলেছে, লেবাননে ইসরায়েলের হামলা চলতে থাকলে কোনো চুক্তি হবে না।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ওয়াশিংটন তাদের ১০ দফা প্রস্তাব মেনে নিতে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। ওই দশ দফায় বলা হয়েছে–

# কোনো ধরনের আগ্রাসন চলবে না
# হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকবে
# ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির স্বীকৃতি দেওয়া হবে
# ইরানের ওপর থেকে সব প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হবে
# জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থায় ইরানের বিরুদ্ধে আনা
# সব প্রস্তাব বাতিল করা হবে
# উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করা হবে
# লেবাননে সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে হবে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি সূত্রের দাবি, পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠানো ট্রাম্পের ১৫ দফা প্রস্তাবে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ সরিয়ে নেওয়া, সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি সীমিত করা এবং আঞ্চলিক বিভিন্ন গ্রুপকে অর্থায়ন বন্ধ করার কথা বলা হয়েছে।

আলোচনার প্রস্তুতির মধ্যেই ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বজায় থাকবে এবং ইরান শর্ত না মানলে যুদ্ধ আরও ভয়াবহ রূপ নেবে।

স্থায়ী সমাধানের সম্ভাবনা কতটুকু?
রয়টার্স লিখেছে, ট্রাম্প বিজয় ঘোষণা করলেও যুদ্ধের শুরুতে ঘোষিত লক্ষ্যগুলো অর্জনে ওয়াশিংটন সফল হয়নি।

ইরানকে তার প্রতিবেশীদের ওপর হামলা চালানো থেকে বিরত রাখা, পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস করা বা সরকার পতনের পরিবেশ তৈরি করার মত লক্ষ্যগুলো এখনও পূরণ হয়নি।

এসব বিষয়ে ইরান বড় ধরনের ছাড় দেবে-তেমন সম্ভাবনা কম। বরং তারা ইঙ্গিত দিয়েছে, হরমুজ প্রণালির অর্থনৈতিক সুবিধা ব্যবহার করে তারা শক্তিশালী শত্রুর বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম।

ইসরায়েলের অবস্থান কী?
লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সমান্তরাল যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া ইসরায়েল তেহরানকে নিজেদের ‘অস্তিত্বের জন্য হুমকি’ হিসেবে দেখে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের শাসন ক্ষমতায় পরিবর্তন চান। তবে তা বাস্তবায়ন করতে হলে স্থল অভিযানের প্রয়োজন হতে পারে এবং তাতে পরিস্থিতি কতটা স্থিতিশীল থাকবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।

লেবাননে ইসরায়েলের অভিযানের বিষয়টি যুদ্ধবিরতির অন্তর্ভুক্ত হবে কি না—এ প্রশ্ন এখন বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দাবি, লেবানন এই চুক্তির আওতায় নেই। কিন্তু ইরানি প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, লেবাননে হামলা বন্ধ করা তেহরান-ওয়াশিংটন চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত।

ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতিতে রাজি হলেও লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ করবে না।

অন্যদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সব ফ্রন্টেই হামলা বন্ধ থাকার কথা। বিশেষ করে লেবাননের কথা তিনি বলেছেন।

ফলে ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা শুরুর আগেই সমঝোতার প্রক্রিয়া ভেস্তে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

লেবাননে হামলার চিত্র
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর পর গত ছয় সপ্তাহের মধ্যে বুধবার ছিল সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী দিন। এদিন লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ব্যাপক বিমান হামলায় ২৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ইসরায়েল দাবি করেছে, এসব হামলায় হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেমের এক সহযোগীকেও হত্যা করা হয়েছে।

বুধবার যুদ্ধবিরতির ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মাথায় ইসরায়েল ২ মার্চের পর সবচেয়ে বড় হামলা চালায় লেবাননে। দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে ১০০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা করে ইসরায়েলি বোমারু বিমান।

লেবাননের সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, বৈরুত, বেকা ভ্যালি এবং দক্ষিণ লেবাননের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় চালানো এসব হামলায় অন্তত ২৫৪ জন নিহত এবং ১,১৬৫ জন আহত হয়েছেন।

ভয়াবহ এই পরিস্থিতির মুখে লেবাননের ডক্টরস সিন্ডিকেটের প্রধান ইলিয়াস চেলিলা জরুরি ভিত্তিতে সব বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে হাসপাতালে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বৈরুতের বড় হাসপাতালগুলো সব গ্রুপের রক্তের জন্য জরুরি আবেদন জানিয়েছে।

জাতিসংঘ হতাহতের এই সংখ্যাকে ‘ভয়াবহ’ বলেছে এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভলকার তুর্ক এ ধ্বংসলীলাকে বলেছেন ‘আতঙ্কজনক’।

ইসরায়েল কোনো প্রমাণ ছাড়াই দাবি করেছে, তারা হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামোতে। তবে লেবাননের কর্মকর্তা ও সহায়তা সংস্থাগুলো বলছে, পুরো আবাসিক এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং হাসপাতালগুলোতে আহতদের জায়গা হচ্ছে না।

লেবাননের পার্লামেন্ট স্পিকার নাবিহ বেরি এই হামলাকে ‘পুরোদস্তুর যুদ্ধাপরাধ’ আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, “যুদ্ধবিরতির ঘোষণার দিনেই এমন অপরাধ প্রমাণ করে যে ইসরায়েল ও তার নিরাপত্তা বাহিনী ওই চুক্তি মানতে ব্যর্থ হয়েছে।”

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন, লেবাননে ইসরায়েলের হামলা চলতে থাকলে এই চুক্তি ভেঙে পড়তে পারে এবং সংঘাত আরও বাড়তে পারে।

লন্ডনের কিংস কলেজের অধ্যাপক আন্দ্রেয়াস ক্রিগ লেবাননকে এই যুদ্ধবিরতির ‘অ্যাকিলিস হিল’ বা দুর্বলতম দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, “এটা ইরানকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা চালাতে বাধ্য করতে পারে, যাতে প্রতিরোধের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং হিজবুল্লাহর কাছে তারা নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে পারে।”

ইসরায়েল যে ইরানের ধৈর্য পরীক্ষা করতে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করবে, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন অধ্যাপক ক্রিগ।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত