ইয়ামালের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে ৪ পয়েন্ট এগিয়ে বার্সেলোনা

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
হ্যাটট্রিকের পর লামিনে ইয়ামালের উদযাপন। ছবি: রয়টার্স ছবি:
হ্যাটট্রিকের পর লামিনে ইয়ামালের উদযাপন। ছবি: রয়টার্স ছবি:

ম্যাচ জুড়ে আক্রমণে দাপট দেখাল বার্সেলোনা। চমৎকার এক হ্যাটট্রিক করলেন লামিনে ইয়ামাল। শেষ দিকে জালের দেখা পেলেন রবের্ত লেভানদোভস্কি। ভিয়ারেয়ালকে উড়িয়ে লা লিগার শীর্ষস্থান মজুবত করল হান্সি ফ্লিকের দল। কাম্প নউয়ে শনিবার লিগ ম্যাচটি ৪-১ গোলে জিতেছে শিরোপাধারীরা।

২৬ ম্যাচে ২১ জয় ও এক ড্রয়ে বার্সেলোনার পয়েন্ট হলো ৬৪। এক ম্যাচ কম খেলে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে রেয়াল মাদ্রিদ। ২৬ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে ভিয়ারেয়াল।

প্রথমার্ধেই দুই গোল করে দলকে এগিয়ে নেন ইয়ামাল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান কমান পাপ গেয়ি। পরে ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে দুই গোলের লিড পুনরুদ্ধার করেন ইয়ামাল। যোগ করা সময়ে দলের চতুর্থ গোলটি করেন দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা লেভানদোভস্কি।

ম্যাচে ৭৩ শতাংশ পজেশন রেখে গোলের জন্য ১৯টি শট নিয়ে আটটি লক্ষ্যে রাখতে পারে বার্সেলোনা। ভিয়ারেয়ালের ছয় শটের একটি লক্ষ্যে ছিল।

বল দখলে রেখে শুরু থেকে আক্রমণ করতে থাকে বার্সেলোনা। ২৩ মিনিটে প্রথম লক্ষ্যে শট রাখতে পারে তারা। ইয়ামালের সেই প্রচেষ্টা ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক। চার মিনিট পরই গোলের দেখা পান তরুণ স্প্যানিশ তারকা। ফের্মিন লোপেসের থ্রু পাস ধরে বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি। ৩৭মিনিটে দুর্দান্ত গোলে ব্যবধান বাড়ান ইয়ামাল। ডান দিকে বক্সের বাইরে একজনকে কাটিয়ে ভেতরে ঢুকে আরেকজনকে কাটান তিনি। আরও দুই খেলোয়াড় ছিল তার সামনে। সেখান থেকেই বাঁ পায়ের জোরাল শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম মিনিটে আরেকটি সুযোগ তৈরি করে বার্সেলোনা। কাছ থেকে দানি ওলমোর শট ঠেকান গোলরক্ষক। ৪৯ মিনিটে ব্যবধান কমায় ভিয়ারেয়াল। প্রতিপক্ষের কর্নার বক্সে ক্লিয়ার করতে পারেনি বার্সেলোনা। কাছ থেকে বল জালে পাঠান পাপ গেয়ি। ৫৪ মিনিটে সমতা টানার সুবর্ণ সুযোগ হারান আয়োসে পেরেস। পোস্ট ছেড়ে বক্সের অনেকটা বাইরে এসে বল ক্লিয়ার করার চেষ্টায় ঠিকমতো পারেননি হোয়ান গার্সিয়া। পোস্ট তখন ফাঁকা, কিন্তু বক্সের বাইরে থেকে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি পেরেস। ৬৯ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করে দলকে জয়ের পথে এগিয়ে নেন ইয়ামাল। মাঝমাঠ থেকে চমৎকার পাস দেন পেদ্রি। বলের পেছনে ছুটে বক্সে ঢুকে এগিয়ে আসা গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে কোনাকুনি শটে জালে পাঠান ইয়ামাল।

যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে জালের দেখা পান লেভানদোভস্কি। জুল কুন্দের পাসে কাছ থেকে ফাঁকা জালে বল পাঠান অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার।

দারুণ এই জয় আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে কঠিন লড়াইয়ের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বার্সেলোনার। ঘরের মাঠেই আগামী মঙ্গলবার কোপা দেল রের সেমি-ফাইনালের ফিরতি লেগে মাদ্রিদের দলটির মুখোমুখি হবে শিরোপাধারীরা। প্রথম লেগে ৪-০ গোলে হেরে পিছিয়ে আছে কাতালান দলটি।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত