এক অভিযানে শতাধিক ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা, হতাহত ২৩০: আইআরজিসি

| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপনের দৃশ্য। 

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দেশটির সাবেক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা ড. আলি লারিজানির মৃত্যুর প্রতিশোধ হিসেবে তেল আবিব শহরে ১০০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এতে হতাহত হয়েছে দুই শতাধিক ইসরায়েলি।

বুধবার (১৮ মার্চ) এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের জবাবে চলমান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর ৬১তম ধাপে এসব হামলা চালানো হয়। খবর প্রেস টিভির

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এসএনএসসি) সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা ড. লারিজানির শাহাদাতের প্রতিশোধ নিতে বহু-ওয়ারহেড বিশিষ্ট খোররমশাহর-৪ ও কাদর ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি এমাদ ও খেইবার শেকান প্রজেক্টাইল ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালানো হয়েছে।’


ইরানি ড্রোন রুখতে মধ্যপ্রাচ্যে ২ শতাধিক বিশেষজ্ঞ পাঠাল ইউক্রেন
ইরানি ড্রোন রুখতে মধ্যপ্রাচ্যে ২ শতাধিক বিশেষজ্ঞ পাঠাল ইউক্রেন
১ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসি দাবি করে, এই তীব্র ও দ্রুতগতির হামলায় খোররমশাহর-৪ ও কাদর ক্ষেপণাস্ত্র দখলকৃত ভূখণ্ডের কেন্দ্রস্থলে ১০০টির বেশি সামরিক ও নিরাপত্তা স্থাপনায় কোনো বাধা ছাড়ায় আঘাত হেনেছে।


এই সাফল্যের পেছনে জায়নবাদী শাসনের বহুমাত্রিক ও অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভেঙে পড়ার ফল বলে উল্লেখ করেছে আইআরজিসি। আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, এ পর্যন্ত ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর হামলায় ২৩০ জনের বেশি ইসরায়েলি নিহত বা আহত হয়েছে।

তেল আবিব ছাড়াও দখলকৃত নগর আল-কুদস, হাইফা বন্দরনগরী, প্রযুক্তিকেন্দ্র বেয়ার শেবা এবং নেগেভ মরুভূমিসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল ও কৌশলগত স্থাপনাকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে হামলা। এছাড়া, কাতার, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোও এই প্রতিশোধমূলক হামলার আওতায় এসেছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত