হায়দার হোসেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হায়দার হোসেনের মৃত্যুর গুজব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় ভক্ত-শ্রোতাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়। ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও পেজে তার মৃত্যুর খবর দাবি করে একাধিক পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি কয়েকটি স্বনামধন্য সংবাদমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া ফটোকার্ডও সামাজিক মাধ্যমে ঘুরতে দেখা যায়, যা অনেককে বিভ্রান্ত করে। গুজবটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ভক্ত-শ্রোতাদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। অনেকেই ফোন ও বার্তার মাধ্যমে শিল্পীর খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। ফলে একপর্যায়ে পরিস্থিতি পরিষ্কার করতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট দেন হায়দার হোসেন। শনিবার (৮ মার্চ) রাতে ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, সর্বশক্তিমান আল্লাহর অশেষ কৃপায় আমি বেঁচে আছি এবং ভালো আছি। আমাকে দোয়ায় রাখার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তার এই বার্তার পর ভক্ত-শ্রোতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে এবং গুজবটি মিথ্যা বলে নিশ্চিত হওয়া যায়। গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমের সঙ্গেও কথা বলেন এই শিল্পী। তিনি জানান, সন্ধ্যার পর থেকেই একের পর এক ফোন আসতে থাকে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সন্ধ্যা থেকে ফোন রাখতে পারছি না। একের পর এক ফোন আসছে। কী যে ঝামেলায় পড়েছি! আমি সুস্থ আছি, ভালো আছি। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন হায়দার হোসেন। কণ্ঠশিল্পী হওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন গীতিকার ও সুরকার হিসেবেও পরিচিত। তার সৃষ্ট অনেক গানই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শ্রোতাদের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে। বিশেষ করে তার গাওয়া ‘৩০ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি’ এবং ‘আমি ফাইসা গেছি’ গান দুটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। স্বাধীনতা ও সমাজ বাস্তবতার কথামালা নিয়ে তৈরি এসব গান এখনও শ্রোতাদের কাছে সমানভাবে সমাদৃত।