তিতুমীর কলেজে হল ফি ৮ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রতিবাদ, কমিয়ে ৬ হাজার করার দাবি

অহনা পোদ্দার, সরকারি তিতুমীর কলেজ প্রতিনিধি
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

সরকারি তিতুমীর কলেজের চারটি হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত ৮ হাজার টাকা হল ফিকে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিতুমীর কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী হল ফি কমিয়ে ৬ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তিতুমীরের সকল সাধারণ শিক্ষার্থী। 

বেশ কিছুদিন ধরে হল ফি কমানোর বিষয় নিয়ে প্রশাসনকে অবগত করা হলেও প্রশাসনের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ দেখতে না পাওয়াই আজ ১৬ জুলাই রোজ বৃহস্পতিবার  শিক্ষার্থীরা হল ফি নিয়ে প্রশাসনের নিরবতা ,
ও হল ফি এর তারিখ বর্ধিত এবং ফি কমানোর যৌক্তিক দাবি আদায়ের জন্য প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ও সংবাদ সম্মেলন করেন।

এসময় সংবাদ সম্মেলনে এক শিক্ষার্থী  আহম্মেদ আসহাব শোভন,  কলেজ প্রশাসনকে আশরাফুল বলে উল্লেখ করে বলেন গত বছরের মতো এবারও তিতুমীর কলেজের হল ফি অযৌক্তিকভাবে ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অন্যান্য কলেজে হল ফি ৬ হাজার টাকা। বারবার দাবি জানিয়েও প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায় নি।  তিনি অভিযোগ করেন, একটি বেডে দুইজন করে শিক্ষার্থী থাকলেও পূর্ণ ৮ হাজার টাকা করে আদায় করা হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। তিনি আরো বলেন অধিকাংশ আবাসিক শিক্ষার্থী মফস্বল থেকে আসা এবং সীমিত সামর্থ্যের হওয়ায় প্রশাসনের উচিত শিক্ষার্থীবান্ধব সিদ্ধান্ত নিয়ে হল ফি কমিয়ে আনা।


উপস্থিত আরেক শিক্ষার্থী ইমরান মোল্লা বলেন,  এই যে অযৌক্তিক ফি টা বারবার প্রশাসনের কাছে যাবার পরও তারা যে কর্ণপাত করছেন না কোনো পদক্ষেপ করছেন না এই দায় ভার টা আসলে কার  প্রশাসনের নাকি কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের। আমরা নিজেরাও জেনেছি রাজনৈতিক সংগঠনগুলো প্রশাসনের সাথে দফায় দফায় বসেছেন এবং তারা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। কিন্তু দিন শেষে আমাদের যে প্রাপ্তির জায়গা সেটা এখনও শূন্য। আমরা স্পষ্ট ভাবে জানাতে চাই আপনারা যারা প্রশাসনে আছেন তারা যদি আমাদের চাওয়া পাওয়ার মূল্যায়ন না করতে পারেন আপনাদের প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করুন। আমাদের শিক্ষার্থীদের চাওয়া পাওয়া যারা পূরণ করতে পারবে তারাই ইনশাল্লাহ পরবর্তীতে আসবে।

 

শু/আজা

এলাকার খবর

সম্পর্কিত