টেকনাফে ২০ হাজার ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৫

কক্সবাজার প্রতিনিধি
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

কক্সবাজারের টেকনাফে র‌্যাপিড অ্যাকশনব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১৫ এর পৃথক অভিযানে ২০ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।র‌্যাব-১৫ জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আওতায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে র‌্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার দরগারছড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ইয়াবার বড় একটি চালান জব্দ করা হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার সকাল

আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে র‌্যাব-১৫ এর সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল টেকনাফের শাপলা চত্বরে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, কয়েকজন মাদক কারবারি টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দরগারছড়াস্থ সিরাতুল মুস্তাকিম জামে মসজিদের সামনের সড়ক দিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

খবরটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। পরে তাদের নির্দেশনায় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে ওই এলাকায় একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করে র‌্যাব সদস্যরা।সকাল ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে মিঠা পানিরছড়া এলাকা থেকে একটি মোটরসাইকেলে দুই ব্যক্তি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে র‌্যাব সদস্যরা তাদের থামার সংকেত দেন। এ সময় মোটরসাইকেলের আরোহীরা পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা ধাওয়া করে তাদের আটক করেন।

পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আইনানুগভাবে তল্লাশি চালিয়ে মোটরসাইকেলের পেছনে বসা নুরুল আমিনের হাতে থাকা একটি হলুদ রঙের শপিং ব্যাগ থেকে কৌশলে লুকিয়ে রাখা ২০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— মো. আজিজ খান (২৩), পিতা শমসু মিয়া, টেকনাফ সদর ইউনিয়নের লেঙ্গুর বিল (জাহালিয়া পাড়া) এলাকার বাসিন্দা এবং নুরুল আমিন (৩৪), পিতা মৃত হোসেন আহমেদ, লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২৬, ব্লক-এইচ/৩ এলাকার বাসিন্দা।

র‌্যাব জানায়, ইয়াবা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধারকৃত আলামতসহ টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাদক নির্মূলে র‌্যাবের কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। সীমান্তবর্তী এলাকায় ইয়াবাসহ সব ধরনের মাদক পাচার ও কারবারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

র‌্যাবের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে মাদক সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

 

শু/আজা

বিষয়:

কক্সবাজার
এলাকার খবর

সম্পর্কিত