জাতীয়

সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান: এবার সাড়া মিলবে তো?

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৯
 ছবি:

দেশে গ্যাসের সংকট ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বাসাবাড়ি, শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ উৎপাদন—প্রায় সব খাতেই এর প্রভাব পড়ছে। পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমছে, স্থলভাগে নতুন বড় মজুতের সন্ধান মিলছে না। ফলে বাড়ছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির ওপর নির্ভরতা। এমন পরিস্থিতিতে আবারও বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে সরকার। ২৬টি অফশোর ব্লকে অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে পেট্রোবাংলা। এর মধ্যে ১১টি অগভীর সমুদ্রের এবং ১৫টি গভীর সমুদ্রের ব্লক।

সরকার এবার দরপত্রে ভালো সাড়া পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। ইতিমধ্যে দুটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি দরপত্র কিনেছে এবং সাতটি কোম্পানি তথ্য-প্যাকেজ সংগ্রহ করেছে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। তবে আগের অভিজ্ঞতা আশাবাদে কিছুটা সংশয়ও তৈরি করছে। ২০২৪ সালে বড় বড় আন্তর্জাতিক কোম্পানি আগ্রহ দেখালেও শেষ পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠানই দরপত্র জমা দেয়নি।

এবারের দরপত্রে বিদেশি কোম্পানিগুলো কতটা সাড়া দেয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

সংকট বাড়ছে, কমছে দেশীয় উৎপাদন

দেশে গ্যাসের দৈনিক চাহিদার তুলনায় সরবরাহে ঘাটতি এখন প্রায় ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। গত রোববার সকাল ১০টার হিসাবে দেশে মোট ২ হাজার ৩২৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে দেশীয় উৎপাদন ছিল ১ হাজার ৬২১ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে পাওয়া যায় ৭০৩ মিলিয়ন ঘনফুট। অথচ একসময় দেশে দৈনিক প্রায় ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস উৎপাদন হয়েছে। এখন উৎপাদন নেমে এসেছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে।

জ্বালানি বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ভোলা ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে দেশে বড় কোনো গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়নি। পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদনও ক্রমাগত কমছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘‘গ্যাস সংকট মোকাবিলায় অনুসন্ধানের পরিবর্তে আমরা দীর্ঘদিন ধরে আমদানির ওপর বেশি নির্ভর হয়ে পড়েছি। পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমতে থাকায় সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।’’

২৬ ব্লকে নতুন দরপত্র

চলতি বছরের মে মাসে বঙ্গোপসাগরের ২৬টি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে পেট্রোবাংলা। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ৩০ নভেম্বর। পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) মো. শোয়েব জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত দুটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি দরপত্র কিনেছে। আরও সাতটি কোম্পানি তথ্য-প্যাকেজ সংগ্রহ করেছে। দরপত্র কেনা কোম্পানির মধ্যে রয়েছে তুর্কি পেট্রোলিয়াম ওভারসিজ কোম্পানি (টিপিএও) এবং চীনের জ্বালানি প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল অফশোর অয়েল করপোরেশন (সিএনওওসি)। এ ছাড়া বেরিংগিয়া পাওয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড, ক্রিসএনার্জি, পিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড, অনোডা ইনকরপোরেটেড, রিস্ট্যাড এনার্জি, ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড এবং টিপিএও তথ্য-প্যাকেজ কিনেছে। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা বলছেন, দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় পর্যন্ত আরও কোম্পানি আগ্রহ দেখাতে পারে।

২০২৪ সালে কেন ব্যর্থ হয়েছিল বিডিং?

বাংলাদেশের অফশোর তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে আছে আগের অভিজ্ঞতা। ২০২৪ সালের মার্চে বঙ্গোপসাগরের ব্লকগুলোতে অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। তখন মার্কিন জ্বালানি কোম্পানি এক্সনমবিলসহ সাতটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি দরপত্র কিনেছিল। দুটি কোম্পানি পেট্রোবাংলার কাছ থেকে তথ্যও সংগ্রহ করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনো কোম্পানি দরপত্র জমা দেয়নি। ফলে ওই বিডিং রাউন্ড পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে একটি কমিটি গঠন করে। সেই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তির (পিএসসি) বেশ কিছু শর্ত পরিবর্তন করা হয়।

বিশেষ করে গ্যাসের দাম বাড়ানো হয়েছে। গভীর সমুদ্রের ক্ষেত্রে ব্রেন্ট ক্রুডের দামের ১১ শতাংশ এবং অগভীর সমুদ্রের ক্ষেত্রে সাড়ে ১০ শতাংশ দামের সমপরিমাণ গ্যাসের মূল্য নির্ধারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। আগের কাঠামোয় এই হার ছিল ১০ শতাংশ। সরকারের ধারণা, পিএসসির শর্তে পরিবর্তনের ফলে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোর কাছে বাংলাদেশ আগের চেয়ে বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

এবার কি আগ্রহ বাড়বে?

পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা বলেন, ২০২৪ সালের বিডিং থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এবার পিএসসির শর্তে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধাও বাড়ানো হয়েছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘‘এবার বড় চ্যালেঞ্জ আন্তর্জাতিক কোম্পানির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনসহ আগের বিভিন্ন জটিলতা এবার অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা গেছে। সে কারণে আমরা আশা করছি এবার সাড়া পাওয়া যাবে।’’ অফশোর দরপত্র আহ্বানের সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদও জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের কয়েকটি কোম্পানি বাংলাদেশের অফশোর তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহ দেখিয়েছে। বিশেষ করে এক্সনমবিল সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে তিনি জানিয়েছিলেন। 

গত ২ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদেও জ্বালানি মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এবারের দরপত্রে ভালো সাড়া পাওয়া যাবে। তবে আগ্রহ দেখানো আর বাস্তবে দরপত্র জমা দিয়ে বিনিয়োগে যাওয়া—দুটি ভিন্ন বিষয়। ২০২৪ সালের অভিজ্ঞতা সেটিই দেখিয়েছে।

### সমুদ্রসীমা পাওয়ার ১২ বছর পরও অনুসন্ধান নেই

ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ আন্তর্জাতিক আদালতে নিষ্পত্তির পর বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৪ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং এর আগে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ১ লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটারের বেশি সমুদ্র এলাকা পায়। কিন্তু এক যুগের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় বড় পরিসরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান শুরু করা সম্ভব হয়নি। 

অন্যদিকে, বাংলাদেশের কাছাকাছি মিয়ানমারের সমুদ্রাঞ্চল থেকে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশ মনে করেন, অফশোর অনুসন্ধান আর পিছিয়ে দেওয়ার সুযোগ নেই।

আগেও এসে ফিরে গেছে বিদেশি কোম্পানি

বাংলাদেশে অফশোর অনুসন্ধানে বিদেশি কোম্পানির আগ্রহের ইতিহাস খুব বেশি আশাব্যঞ্জক নয়। ২০০৮ সালে দুটি ব্লকে কাজের জন্য মার্কিন কোম্পানি কনোকোফিলিপসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। পরে তারা কাজ না করেই বাংলাদেশ থেকে চলে যায়। ২০১২ সালে ভারতের ওএনজিসি ভিদেশ লিমিটেড দুটি ব্লকের জন্য চুক্তি করে। ২০১৭ সালে একটি ব্লকের জন্য আন্তর্জাতিক কোম্পানি পসকো দাইয়ুর সঙ্গে চুক্তি করে পেট্রোবাংলা। কিন্তু ২০২০ সালে পসকো দাইয়ুও ওই ব্লক ছেড়ে চলে যায়। ফলে এবার দরপত্রে কোম্পানি পাওয়া গেলেও তারা শেষ পর্যন্ত অনুসন্ধান ও উৎপাদনে কতটা এগোয়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গ্যাস পেলেও সঙ্গে সঙ্গে সংকট কাটবে না

অফশোর অনুসন্ধানে বিনিয়োগ এলেই দেশের বর্তমান গ্যাস সংকট দ্রুত কমে যাবে—এমন আশা করার সুযোগ নেই। পেট্রোবাংলার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সমুদ্রে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেলেও তা উত্তোলন করে জাতীয় গ্রিডে এনে ব্যবহার উপযোগী করতে অন্তত আট বছর সময় লাগতে পারে। অর্থাৎ এখন দরপত্র সফল হলেও অনুসন্ধান, কূপ খনন, বাণিজ্যিক মজুতের নিশ্চয়তা, উৎপাদন অবকাঠামো তৈরি এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে আনার পুরো প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় লাগবে। এ কারণে আগামী কয়েক বছর দেশের গ্যাস সংকট মোকাবিলায় অফশোর অনুসন্ধানের পাশাপাশি স্থলভাগে অনুসন্ধান, পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন বাড়ানো এবং এলএনজি আমদানির ব্যবস্থাও চালিয়ে যেতে হবে।

গ্যাসের দাম নিয়ে প্রশ্ন

অফশোর অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক কোম্পানির স্বার্থ নিশ্চিত করতে পিএসসির শর্ত পরিবর্তন করলেও এতে দেশের স্বার্থ কতটা নিশ্চিত হচ্ছে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শামসুল আলম মনে করেন, নতুন পিএসসিতে আন্তর্জাতিক কোম্পানির স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, এবার দরপত্রে সাড়া না পাওয়ার কারণ থাকার কথা নয়। তবে তিনি পিএসসির শর্তে স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, চুক্তির শর্তগুলো জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা উচিত। শামসুল আলমের প্রশ্ন, সমুদ্রে পাওয়া গ্যাসের দাম যদি আমদানি করা গ্যাসের সমান বা তার চেয়ে বেশি হয়, তাহলে সেই গ্যাস উত্তোলনের সুফল জনগণ কতটা পাবে? তাঁর মতে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গ্যাসের মূল্য নির্ধারণে জনগণের স্বার্থ ও ন্যায্যতার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

সামনে বড় পরীক্ষা

বাংলাদেশের জন্য বঙ্গোপসাগর এখন শুধু সম্ভাবনার জায়গা নয়, ক্রমবর্ধমান গ্যাস সংকটের মধ্যে এটি হয়ে উঠেছে কৌশলগত প্রয়োজনের ক্ষেত্র। দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমছে। পুরোনো ক্ষেত্রগুলোর মজুত ফুরিয়ে আসছে। স্থলভাগে বড় নতুন আবিষ্কার হচ্ছে না। বিপরীতে এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে, যার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় এবং সরকারের ভর্তুকির চাপও রয়েছে। এই বাস্তবতায় সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সফলতা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। কিন্তু সেই সাফল্যের প্রথম ধাপ হলো আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগে আনা।

এবার ২৬টি ব্লকের দরপত্রে কোম্পানিগুলো কতটা আগ্রহ দেখায়, ৩০ নভেম্বরের পর তার একটি প্রাথমিক উত্তর মিলবে। তবে শুধু দরপত্রে সাড়া পাওয়া নয়—কোম্পানিগুলো বাস্তবে অনুসন্ধানে নামে কি না, বাণিজ্যিক মজুত আবিষ্কার হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত সেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে পৌঁছায় কি না—বাংলাদেশের জন্য আসল পরীক্ষা হবে সেখানেই। কারণ বর্তমান গ্যাস সংকটের সময়ে সমুদ্রের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে আরেকটি ব্যর্থ বিডিং রাউন্ডের সুযোগ বাংলাদেশের সামনে খুব বেশি নেই।
 

আসিফ মাহমুদ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, জাতীয় নাগরিক পার্টির

ভোটার এলাকা বদলালেন আসিফ মাহমুদ ও নাসীরুদ্দীন, সিটি নির্বাচনের প্রস্তুতির ইঙ্গিত

আপা আসার আগেই তোকে মেরে ফেলব’—হুমকি দিয়ে জামায়াত নেতাকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

চলতি সপ্তাহেই শেষ ডাকসুর মেয়াদ, পরের নির্বাচন কবে?

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট

জামিনে মুক্তি পাওয়া ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিকে গুলি করে হত্যা

সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান: এবার সাড়া মিলবে তো?

দেশে অটোরিকশা ৮০ লাখ, অবৈধ চার্জে বছরে রাজস্ব ক্ষতি ৪ হাজার কোটি টাকা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পুলিশের ওপর হামলা বাড়ছে, সাত মাসে আহত ৩৬১

১০

গাজী নজরুলকে কমিটিতে রাখা নিয়ে সংসদে সরকারি-বিরোধী দলের তর্ক

১১

রাণীনগরে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, মুদি দোকানি আটক

১২

শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

১৩

ভূমিহীন সেলিম মিয়ার ‘ভূমি গবেষণাগার ও তথ্য ভাণ্ডার’

১৪

‘দেশবাসী তৈরি হও’ স্লোগানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী যুবলীগের মিছিলের ভিডিও ভাইরাল

১৫

দেশে সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ: প্রতিমন্ত্রী

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত