পর্ষদ পুনর্গঠনের দাবি গ্রাহকদের

ইসলামী ব্যাংকের চাকরিচ্যুত ও গ্রাহক ফোরামের সদস্যদের মধ্যে মারামারি, আহত ২০–২৫

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯
 ছবি:

 

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি থেকে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে জামায়াতপন্থি বলে পরিচিত একদল গ্রাহকের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষের কয়েকজনসহ ২০ থেকে ২৫ জন আহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন। ঘটনার পর গ্রাহকদের একটি অংশ বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয়। পুলিশ বলছে, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটলেও পরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

মতিঝিল জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হুসাইন মুহাম্মাদ ফারাবী সোমবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে বলেন, চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহকদের মধ্যে কিছুটা হাতাহাতি হয়েছিল। পরে গ্রাহকেরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিতে সোমবার সকাল থেকে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান নেন ব্যাংকটির চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ। তাঁদের অবস্থানের বিপরীত পাশে অবস্থান নেন ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে থাকা একদল গ্রাহক।

গ্রাহকদের এই প্ল্যাটফর্মটি গত মে মাস থেকে ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনসহ বিভিন্ন দাবিতে কর্মসূচি পালন করে আসছে। তাঁদের সঙ্গে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবিদাওয়াকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। সোমবার সকালে দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ার পর বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। পরে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সেখান থেকে সরে যান। অন্যদিকে গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন।

চাকরিচ্যুতদের একজন শহীদুল ইসলাম বলেন, তাঁরা চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিতে আন্দোলন করছেন। তাঁদের ‘এস আলমের দালাল’ বলা হচ্ছে—এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, তাঁরা কারও দালাল নন। শহীদুল ইসলামের অভিযোগ, আন্দোলনরত চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর অন্যায়ভাবে হামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁদের ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান করতে দেওয়া হচ্ছে না।

অন্যদিকে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর আহ্বায়ক অধ্যাপক নুর নবী মানিকের দাবি, তাঁদের পূর্বনির্ধারিত শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশ হামলা চালিয়েছে।

নুর নবী মানিক বলেন, ‘অবৈধ নিয়োগে চাকরিচ্যুত এস আলমের দোসররা’ তাঁদের কর্মসূচিতে হামলা করেছে। এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ করেন নুর নবী মানিক। তাঁর দাবি, পুলিশের সামনে গ্রাহকদের টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হলেও পুলিশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেনি। বরং পুলিশ পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে। ফোরামের সদস্য সচিব মুতাছিম বিল্লাহসহ তাঁদের প্রায় ২৫ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে দুই পক্ষের অভিযোগের বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো পক্ষকে দায়ী করে বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের পরই কারা হামলা করেছে বা কীভাবে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে, তা স্পষ্ট হবে।

এর আগে রোববারও ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন ব্যাংকটির চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তাঁদের চাকরিতে পুনর্বহালের দাবিতে ওই কর্মসূচি পালিত হয়। পরে সেখানে যান ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর সদস্যরা। দুই পক্ষ ব্যাংক টাওয়ারের সামনের সড়কের দুই পাশে অবস্থান নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দুই পক্ষের মাঝখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন।

রোববার উত্তেজনা তৈরি হলেও সেদিন বড় ধরনের সংঘর্ষ হয়নি। পরে দুই পক্ষই নিজেদের দাবিদাওয়া সংবলিত স্মারকলিপি ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা বিভাগের কাছে জমা দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল দাবি চাকরিতে পুনর্বহাল। অন্যদিকে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’ ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনসহ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা ও মালিকানা কাঠামো নিয়ে বিভিন্ন দাবি জানিয়ে আসছে। দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির মধ্যে সোমবারের সংঘর্ষের ঘটনায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও আশপাশের এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে গ্রাহকদের একাংশ বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেওয়ায় ওই এলাকাতেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

মক্কা-মদিনায় হামলায় ক্ষুব্ধ ওআইসি, সৌদির পাশে থাকার ঘোষণা

সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু: ছিনতাইকৃত মালামালসহ ২ আসামি গ্রেপ্তার

এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলার হুঁশিয়ারি ফরিদা ইয়াসমিনের

বেক্সিমকোর চার প্রতিষ্ঠানের বোর্ডে পরিবর্তনের প্রস্তাব, সরে যেতে পারেন সালমান এফ রহমান

সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচারের চেষ্টা, টেকনাফে নারী-পুরুষসহ উদ্ধার ১৫

পদ্মা-যমুনার পানি বাড়ছে, তলিয়ে গেছে ফসলি জমি

মাসুদ আজহারের মাথার দাম ঘোষণা পাকিস্তানের, ‘নাটক’ বলল ভারত

সরকারি ও বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা ও সংসদকে কার্যকর করা : রাষ্ট্রপতি

মির্জা ফয়সাল আমিন, নম্র চৌধুরী ও ওবায়দুল্লাহ মাসুদ নিলেন মনোনয়নপত্র; ১৮ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা

১০

কুষ্টিয়ায় বিএনপি কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর, আ.লীগ নেতার গোডাউনে আগুন

১১

ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, ধ্বংস ৩০ MQ-9 Reaper

১২

অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত জ্যোতির

১৩

ভারতে না খেলতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল: আসিফ নজরুল

১৪

স্থানীয় সরকার আইনে এককভাবে নির্বাচনের সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১৫

রাতে পরপর ৩ ককটেল বিস্ফোরণ, থমথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত