বিবিএসের প্রতিবেদন

ধর্মীয় বৈচিত্র্যে এগিয়ে কয়েকটি জেলা, পিছিয়ে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০
 ছবি:

পার্বত্য তিন জেলায় অর্থনৈতিক ইউনিট ও সাক্ষরতা কম, কয়েকটি জেলায় দারিদ্র্যের হার জাতীয় গড়ের ওপরে

ধর্মীয় ও জাতিগত বৈচিত্র্যে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশের কয়েকটি জেলায় দারিদ্র্য, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও অবকাঠামোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিসর সীমিত। আবার দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, মৌলভীবাজার ও গোপালগঞ্জের মতো কয়েকটি জেলায় দারিদ্র্যের হার জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জনশুমারি, দারিদ্র্য মানচিত্র ও অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য বিশ্লেষণে এসব বৈষম্য উঠে এসেছে।

তবে ধর্মীয় বৈচিত্র্যের সঙ্গে অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার সরাসরি কারণগত সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার সুযোগ নেই। সংশ্লিষ্ট গবেষকদের মতে, ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগব্যবস্থা, ভূমির মালিকানা, কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা, শিল্পায়নের ঘাটতি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো বিষয়ও এসব অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে।

বিবিএসের জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যার তথ্য অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, খুলনা, বাগেরহাট ও হবিগঞ্জে ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর বৈচিত্র্য তুলনামূলকভাবে উল্লেখযোগ্য। পার্বত্য তিন জেলায় মুসলিম, বৌদ্ধ, হিন্দু, খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীর উপস্থিতি এ বৈচিত্র্যের বড় ভিত্তি। খাগড়াছড়িতে মুসলিম ৪৬ দশমিক ৫৬ ও বৌদ্ধ ৩৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। বান্দরবানে মুসলিম ৫২ দশমিক ৬৮ ও বৌদ্ধ ২৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। রাঙ্গামাটিতে মুসলিম ৩৬ দশমিক ২২ ও বৌদ্ধ ৫৭ দশমিক ২৫ শতাংশ।

অন্যদিকে গোপালগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, খুলনা, বাগেরহাট ও হবিগঞ্জে মুসলিম ও হিন্দু জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ধর্মীয় বৈচিত্র্যের অন্যতম ভিত্তি।

দারিদ্র্যে পিছিয়ে পাঁচ জেলা

বিবিএসের ‘বাংলাদেশ দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২’ অনুযায়ী, দেশে দারিদ্র্যের হার ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। ধর্মীয় বৈচিত্র্যে এগিয়ে থাকা আলোচিত ১০ জেলার মধ্যে পাঁচটিতে এ হার জাতীয় গড়ের চেয়ে বেশি। দিনাজপুর ও গোপালগঞ্জে দারিদ্র্যের হার ২৫ দশমিক ৭ শতাংশ, বান্দরবানে ২৫ শতাংশ, ঠাকুরগাঁওয়ে ২৩ দশমিক ৩ শতাংশ এবং মৌলভীবাজারে ২০ দশমিক ৪ শতাংশ।

বিবিএসের শ্রেণিবিন্যাসে দিনাজপুর, গোপালগঞ্জ, বান্দরবান ও ঠাকুরগাঁও উচ্চ দারিদ্র্যের শ্রেণিতে রয়েছে। মৌলভীবাজার ও খাগড়াছড়ি মধ্যম এবং রাঙ্গামাটি, বাগেরহাট, হবিগঞ্জ ও খুলনা নিম্ন দারিদ্র্যের শ্রেণিতে রয়েছে।

উপজেলাভিত্তিক হিসাবে কয়েকটি এলাকায় দারিদ্র্যের হার আরও বেশি। দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে দারিদ্র্যের হার ৪৪ দশমিক ৬ শতাংশ, বিরামপুরে ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ। বান্দরবানের থানচিতে এ হার ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ এবং নাইক্ষ্যংছড়িতে ৩০ দশমিক ৮ শতাংশ। ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে ৩০ দশমিক ৯ শতাংশ। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দারিদ্র্যের হার ৩১ দশমিক ৩ শতাংশ এবং গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ২৯ দশমিক ২ শতাংশ।

চরম দারিদ্র্যের ক্ষেত্রেও জেলাগুলোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। বিবিএসের শ্রেণিবিন্যাসে বান্দরবান, মৌলভীবাজার, দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও উচ্চ চরম দারিদ্র্যের শ্রেণিতে রয়েছে। খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বাগেরহাট মধ্যম এবং গোপালগঞ্জ, খুলনা ও হবিগঞ্জ নিম্ন শ্রেণিতে রয়েছে।

অর্থনৈতিক ইউনিটে সবার নিচে পার্বত্য তিন জেলা

বিবিএসের অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে মোট অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ১ কোটি ১৭ লাখের বেশি। জেলা হিসেবে সবচেয়ে কম অর্থনৈতিক ইউনিট রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায়। বান্দরবানে ৩২ হাজার ১০১টি, রাঙ্গামাটিতে ৪৯ হাজার ৯৩৭টি এবং খাগড়াছড়িতে ৫৩ হাজার ৪৪৫টি অর্থনৈতিক ইউনিট রয়েছে। ৬৪ জেলার মধ্যে এ তিন জেলার অবস্থান যথাক্রমে ৬৪তম, ৬৩তম ও ৬২তম।

অন্যদিকে গোপালগঞ্জে অর্থনৈতিক ইউনিট ১ লাখ ৯ হাজার ৯৪টি, ঠাকুরগাঁওয়ে ১ লাখ ১০ হাজার ৪৪৩টি, মৌলভীবাজারে ১ লাখ ১৭ হাজার ৬৮৪টি, হবিগঞ্জে ১ লাখ ২৬ হাজার ৩১০টি এবং বাগেরহাটে ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৩৬টি। তবে দিনাজপুরে ২ লাখ ৬৯ হাজার ১৬৩টি এবং খুলনায় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৩০২টি অর্থনৈতিক ইউনিট রয়েছে। সংখ্যার হিসাবে দিনাজপুর নবম এবং খুলনা ১৩তম অবস্থানে রয়েছে।

অর্থনৈতিক ইউনিটে নিয়োজিত মানুষের সংখ্যাতেও পার্বত্য জেলার পিছিয়ে থাকার চিত্র পাওয়া যায়। জাতীয়ভাবে এসব ইউনিটে নিয়োজিত মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ৬ লাখ ৩২ হাজার ৬৬১। এর মধ্যে বান্দরবানে নিয়োজিত ৮১ হাজার ৬৪৪ জন—জেলাভিত্তিক হিসাবে সর্বনিম্ন। খাগড়াছড়িতে এ সংখ্যা ১ লাখ ২৫ হাজার ৯৫৩ এবং রাঙ্গামাটিতে ১ লাখ ২৬ হাজার ৪১৫।

অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ও সেখানে নিয়োজিত মানুষের হিসাব স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একটি চিত্র তুলে ধরে। তবে শুধু ইউনিটের সংখ্যা দিয়ে কোনো জেলার উৎপাদনশীলতা, মাথাপিছু আয় কিংবা আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায় না। সে জন্য ইউনিটের ধরন, আকার, উৎপাদন, মজুরি ও কর্মসংস্থানের স্থায়িত্বের তথ্যও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

ভৌগোলিক অবস্থান ও ভূমির মালিকানার প্রভাব

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক অধ্যাপক এ কে এনামুল হকের মতে, ধর্মীয়ভাবে বৈচিত্র্যপূর্ণ ও অনগ্রসর জেলাগুলোর অর্থনৈতিক পিছিয়ে থাকার পেছনে সামাজিক বা রাজনৈতিক বিভাজনের চেয়ে ভৌগোলিক বাস্তবতা, ভূমির মালিকানা কাঠামো ও অঞ্চলভেদে অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা বড় ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির অপ্রতুলতা ও সম্প্রদায়ভিত্তিক ভূমি ব্যবস্থাপনা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সম্প্রসারণে প্রভাব ফেলতে পারে। গোপালগঞ্জের চরাঞ্চল ও উপকূলীয় এলাকায় নদীভাঙনে মানুষ বসতি ও জীবিকা হারিয়ে দারিদ্র্যের চক্রে পড়তে পারে। হাওর অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ফসলহানিও পরিবারগুলোকে দ্রুত আর্থিক সংকটে ফেলতে পারে।

এনামুল হকের ভাষ্য, রংপুর ও ঠাকুরগাঁও অঞ্চলে ভূমির মালিকানার অসম বণ্টন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আয়বৈষম্য বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে দরিদ্র পরিবারের কর্মক্ষম সদস্যদের বড় শহরে গিয়ে কাজ করার সুযোগও সবার জন্য সমান নয়। তাঁর মতে, এসব ভৌগোলিক, ভূমি ও শ্রমবাজারসংক্রান্ত সীমাবদ্ধতা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের দারিদ্র্য পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করতে পারে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গমতার কারণে কৃষিপণ্য বাজারজাত করা কঠিন হয়। এতে কৃষকেরা অনেক সময় মধ্যস্বত্বভোগীদের কাছে কম দামে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব এবং রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতাও তাঁদের পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাঁর মতে, এসব অঞ্চলে দারিদ্র্য কমাতে স্থানীয় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ আয়বর্ধক কর্মসূচি, সহজ শর্তে ঋণ, কারিগরি শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। পাশাপাশি কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

শিক্ষা ও মৌলিক সেবায় বৈষম্য

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে সাত বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সীদের সাক্ষরতার হার ৭৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। কিন্তু আলোচিত জেলাগুলোর মধ্যে বান্দরবানে এ হার ৬৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ—জাতীয় গড়ের চেয়ে অনেক কম। খাগড়াছড়িতে সাক্ষরতার হার ৭১ দশমিক ৭৩ শতাংশ এবং রাঙ্গামাটিতে ৭১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। হবিগঞ্জে এ হার ৬৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।

অন্যদিকে দিনাজপুরে সাক্ষরতার হার ৭৬ দশমিক ৪ শতাংশ, মৌলভীবাজারে ৭৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং ঠাকুরগাঁওয়ে ৭৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। দক্ষিণাঞ্চলের বাগেরহাট, খুলনা ও গোপালগঞ্জে এ হার যথাক্রমে ৮১ দশমিক ৩২, ৮০ দশমিক ৫৬ ও ৭৯ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

মৌলিক স্যানিটেশন সুবিধার ক্ষেত্রেও পার্থক্য রয়েছে। জাতীয়ভাবে এ সুবিধার আওতায় থাকা মানুষের হার ৫৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। বান্দরবানে এ হার ৩৩ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং রাঙ্গামাটিতে ৪৩ দশমিক ৯৯ শতাংশ। বিপরীতে বাগেরহাটে ৭২ দশমিক ৮৫ শতাংশ এবং গোপালগঞ্জে ৭৭ দশমিক ২৩ শতাংশ মানুষ মৌলিক স্যানিটেশন সুবিধার আওতায় রয়েছে।

উন্নয়ন বরাদ্দ ও বিনিয়োগ বাড়ানোর তাগিদ

ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (আইপিডি) ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বিশ্লেষণেও আঞ্চলিক বরাদ্দে বৈষম্যের চিত্র উঠে আসে। ২০২৩ সালে প্রকাশিত ওই বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মোট উন্নয়ন বরাদ্দের মাত্র দশমিক ৪৩ শতাংশ পেয়েছিল ঠাকুরগাঁও। পার্বত্য তিন জেলা মিলিয়ে বরাদ্দের অংশ ছিল ১ দশমিক ৬০ শতাংশ এবং বৃহত্তর দিনাজপুর অঞ্চলের ১ দশমিক ৮০ শতাংশ। তবে এসব সংখ্যা দিয়ে এককভাবে কোনো জেলার প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম বা বেশি ছিল কি না, তা নির্ধারণ করা যায় না; জনসংখ্যা, প্রকল্পের ধরন ও বাস্তবায়ন ব্যয়ও বিবেচনায় নিতে হয়।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, উন্নয়ন বরাদ্দ, শিল্পায়ন, বিনিয়োগ, যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা ও কৃষির উৎপাদনশীলতা কোনো অঞ্চলের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এসব ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় দারিদ্র্য ও কর্মসংস্থানের সংকট দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। তাঁর মতে, দারিদ্র্যপ্রবণ জেলাগুলোতে স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, নতুন শিল্প-কারখানা স্থাপন, কারিগরি ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণ এবং যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন জরুরি। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের জন্য কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ বাড়ানো সম্ভব।

সামগ্রিক তথ্য বলছে, আলোচিত জেলাগুলোর অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থায় বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। পার্বত্য তিন জেলা অর্থনৈতিক ইউনিট ও সাক্ষরতায় পিছিয়ে থাকলেও খুলনা, বাগেরহাট ও গোপালগঞ্জের মতো জেলায় কিছু সূচক তুলনামূলক ভালো। ফলে ধর্মীয় বৈচিত্র্যকে অর্থনৈতিক অনগ্রসরতার একক ব্যাখ্যা হিসেবে না দেখে অঞ্চলভিত্তিক দারিদ্র্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, অবকাঠামো ও উন্নয়ন বরাদ্দের ঘাটতি চিহ্নিত করে নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়াই গুরুত্বপূর্ণ।

১

রাতেও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অনশনে নিয়োগবঞ্চিত ৮৩ প্রার্থী

২

দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যাচ্ছেন না সালাহউদ্দিন

৩

তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭

৪

স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেবে এনসিপি

৫

পারমাণবিক যুদ্ধ ও এআইয়ের অপব্যবহারে ২১০০ সালের মধ্যে মানবজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকি

৬

বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে এমপিদের ক্ষোভ

৭

আসিফ মাহমুদের ফেসবুক পোস্ট ভারতে ব্লক

৮

৩২৯ রানের লিড বাংলাদেশের, দিনশেষে অস্বস্তি

৯

রিয়াদের বিমানবন্দরে আবারও হামলা, টার্মিনালে আগুন

১০

ইউপি ভোটের দিনক্ষণ ঠিক করতে আজ ইসির বৈঠক

১১

শেরেবাংলা নগরে সচিবালয় স্থানান্তরের উদ্যোগ, ব্যয় ৩ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা

১২

ত্রিশালে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে : মিল্লাত

১৩

রেকর্ড ১১৫ বিলিয়ন ডলারে বিদেশি ঋণ, সরকারি খাতেই ৯৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি

১৪

রাহুল-খাড়গেদের সাক্ষাৎ দেবেন না প্রধান বিচারপতি, দিল্লিতে কড়াকড়ি

১৫

সারের ডিলার নিয়োগে অভিযোগের তীরবিদ্ধ সরকারি কর্মকর্তারা

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত