সম্পাদক হতে স্নাতক ডিগ্রি ও ১০ বছরের অভিজ্ঞতার প্রস্তাব, অনলাইন সংবাদমাধ্যমকেও আওতায় আনার পরিকল্পনা
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও সনদ দেওয়া, সংবাদ প্রকাশের কারণে সম্পাদক-প্রকাশক ও সাংবাদিকদের আর্থিক জরিমানা করা এবং পেশাগত অসদাচরণের বিচার করার ক্ষমতা চায় বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল। একই সঙ্গে সংবাদপত্রের সম্পাদক হতে ন্যূনতম স্নাতক ডিগ্রি, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও অন্তত ১০ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দিয়েছে সংস্থাটি।
প্রেস কাউন্সিল আইন, ১৯৭৪ এবং ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধীকরণ) আইন, ১৯৭৩ সংশোধনের জন্য তৈরি খসড়া প্রস্তাবে এসব সুপারিশ করা হয়েছে। মঙ্গলবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল ও গণমুখী করার আলোচনার অংশ হিসেবে প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করা হয়।
তবে বৈঠকে উপস্থিত একজন সদস্য জানিয়েছেন, প্রস্তাবগুলো উপস্থাপন করা হলেও সংসদীয় কমিটিতে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। ফলে এগুলোকে এখনই সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা আইন সংশোধনের অনুমোদন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
প্রেস কাউন্সিলের খসড়ায় ১৯৭৪ সালের আইন সংশোধনে ১৯টি এবং ১৯৭৩ সালের আইন সংশোধনে সাতটি প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও পেশাগত যোগ্যতা নির্ধারণ, অভিযোগের ভিত্তিতে জরিমানা, ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় তদন্ত, সাংবাদিকদের আইনি সহায়তা এবং সংবাদপত্রের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়গুলো উল্লেখযোগ্য।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. আব্দুস সবুর খান বলেন, ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইন সংশোধনের বিষয়ে মন্ত্রণালয় লিখিত প্রস্তাব চেয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে কাউন্সিলের সদস্যরা বৈঠক করে কোন কোন ধারা সংশোধন করা প্রয়োজন, তা নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রস্তাবগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
সচিব জানান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নিজেদের এবং অধীন দপ্তর ও সংস্থাগুলোর প্রস্তাব একত্র করে সংসদীয় কমিটিতে আলোচনার জন্য পাঠিয়েছে। সাংবাদিকদের নিবন্ধন, জরিমানা এবং ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা চাওয়ার বিষয়গুলোও কাউন্সিলের সদস্যদের আলোচনার ভিত্তিতে প্রস্তাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও সনদ
খসড়ায় সাংবাদিকদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণের পাশাপাশি বার কাউন্সিলের আদলে নিবন্ধন ও সনদ দেওয়ার ক্ষমতা প্রেস কাউন্সিলকে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবের যুক্তি হিসেবে সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন এবং পেশাগত পরিচিতি নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
ভুয়া সাংবাদিকদের শনাক্ত করতে প্রকৃত সাংবাদিকদের একটি অনলাইন তথ্যভাণ্ডার তৈরির ক্ষমতাও চায় কাউন্সিল। পাশাপাশি সাংবাদিকতার সঙ্গে একই সময়ে আইন ও শিক্ষকতার মতো অন্য পেশায় যুক্ত থাকার বিষয়টি পেশাগত নীতি-নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক কি না, তা আইনে স্পষ্ট করার প্রস্তাব রয়েছে।
তবে সাংবাদিকদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হলে নিবন্ধনের যোগ্যতা, আবেদন যাচাই, সনদ নবায়ন, প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে আপিল এবং নিবন্ধন বাতিলের প্রক্রিয়া কী হবে, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকতার প্রবেশাধিকার, পেশাগত স্বাধীনতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার কারণে অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের অবস্থান কী হবে, সেসব বিষয়ও স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ সংবাদ প্রকাশে জরিমানার ক্ষমতা
বর্তমান প্রেস কাউন্সিল আইনের ১২ ধারায় অভিযোগ তদন্তের পর সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা, সম্পাদক বা সাংবাদিককে সতর্ক করা, ভর্ৎসনা কিংবা নিন্দা জানানোর ক্ষমতা রয়েছে। তবে আর্থিক জরিমানা করার বিধান নেই। নতুন প্রস্তাবে ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক’ সংবাদ প্রকাশ, সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা ও জনরুচির পরিপন্থী সংবাদ পরিবেশন এবং আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সম্পাদক, প্রকাশক ও সাংবাদিকদের আর্থিক জরিমানা করার ক্ষমতা চাওয়া হয়েছে। সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির অভিযোগের ভিত্তিতে কাউন্সিল যেন ব্যবস্থা নিতে পারে, সেই বিধান যুক্ত করার প্রস্তাবও রয়েছে।
এ ছাড়া প্রেস কাউন্সিলকে ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ জন্য জেলা জজ পদমর্যাদার একজন বিচারককে কাউন্সিলের সদস্য করার প্রস্তাব রয়েছে। সাংবাদিকদের পেশাগত অসদাচরণের বিচার শুধু প্রেস কাউন্সিলের অধীনে সম্পন্ন করার ক্ষমতাও চাওয়া হয়েছে।
জাতীয় অখণ্ডতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য ক্ষতিকর কিংবা জনস্বার্থ ক্ষুণ্ন করে—এমন সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় নিজ উদ্যোগে তদন্ত ও আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা চায় কাউন্সিল। গুজব, ভুয়া খবর ও ঘৃণামূলক বক্তব্য ছড়ানোর ক্ষেত্রেও একই ধরনের ক্ষমতা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে।
তবে এসব ক্ষমতার পরিধি, জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা, অভিযোগ প্রমাণের মানদণ্ড এবং সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ কী হবে, তা খসড়ায় কীভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, সেটি পূর্ণাঙ্গভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। কারণ সংবাদ প্রকাশের কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা সংবাদমাধ্যমের জবাবদিহির পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সঙ্গেও সরাসরি সম্পর্কিত।
অনলাইন সংবাদমাধ্যমও আসবে আওতায়
সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার পাশাপাশি তাদের অনলাইন সংস্করণ এবং ডিজিটাল ও অনলাইন নিউজ পোর্টালকে প্রেস কাউন্সিলের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে এসব সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত এবং সম্পাদক ও সাংবাদিকদের জবাবদিহির আওতায় আনার ক্ষমতা পেতে পারে কাউন্সিল।
অন্যদিকে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং মবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতাও চাওয়া হয়েছে। কোনো সংবাদপত্রের প্রকাশক বা সম্পাদক অভিযোগ করলে কাউন্সিল তদন্ত করতে পারবে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা লঙ্ঘনের বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পেলে নিজ উদ্যোগেও তদন্তের প্রস্তাব রয়েছে।
পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে হুমকি, ভয়ভীতি বা হামলার শিকার সাংবাদিকেরা কাউন্সিলে আবেদন করতে পারবেন—এমন বিধান যুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। আবেদন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সুরক্ষার নির্দেশনা দেওয়ার ক্ষমতাও চায় সংস্থাটি।
এ ছাড়া পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মামলার মুখে পড়া সাংবাদিকদের আইনি সহায়তা দিতে প্রেস কাউন্সিলের অধীনে একটি আইনগত সহায়তা সেল গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। তবে সাংবাদিকদের পেশাগত অসদাচরণের বিচার শুধু কাউন্সিলের অধীনে রাখার প্রস্তাব গৃহীত না হলে এ সেল গঠনের বিষয়টি বিকল্প হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছে।
নিয়োগপত্র ও বেতন নিশ্চিত করার প্রস্তাব
সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র এবং নিয়মিত বেতন-ভাতা নিশ্চিত করতেও ১৯৭৩ সালের ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইন সংশোধনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। খসড়ায় বলা হয়েছে, কোনো সংবাদপত্রের মালিক নিয়োগপত্র ছাড়া সাংবাদিককে কাজে নিয়োজিত করলে কিংবা নিয়োগপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের অন্তত তিন মাসের বেতন-ভাতা দিতে ব্যর্থ হলে সংবাদপত্রের ঘোষণাপত্র বাতিলের বিধান যুক্ত করতে হবে। এ জন্য আইনের ২০ ধারা সংশোধনের প্রস্তাব রয়েছে।
নিয়োগপত্র বা বেতন-ভাতা না পেলে সাংবাদিকেরা প্রেস কাউন্সিলে আবেদন করতে পারবেন। অভিযোগ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতাও চায় কাউন্সিল।
তবে এ ক্ষেত্রে শ্রম আইন, ২০০৬-এর সঙ্গে এখতিয়ারের বিরোধ দূর করার প্রয়োজনীয়তার কথা খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে। কারণ সাংবাদিকদের নিয়োগ, বেতন-ভাতা এবং শ্রমসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান শ্রম আইনেও রয়েছে।
সম্পাদকের যোগ্যতা ও সংবাদপত্রের নিরীক্ষা
বর্তমান আইনে সংবাদপত্রের সম্পাদকের যুক্তিসঙ্গত শিক্ষাগত যোগ্যতা অথবা সাংবাদিকতায় পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতা থাকার কথা বলা হয়েছে। নতুন প্রস্তাবে সম্পাদক হতে স্নাতক ডিগ্রি, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং কমপক্ষে ১০ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে।
প্রেস কাউন্সিলের যুক্তি, যোগ্যতার বিষয়টি স্পষ্ট না থাকায় যে কেউ সংবাদপত্রের সম্পাদক হতে পারছেন। এতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ ও মানসম্মত সাংবাদিকতা নিশ্চিত করা কঠিন হচ্ছে। এ কারণে ছাপাখানা ও প্রকাশনা আইনের ১২(২)(জ) ধারা সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সরকারি সুবিধা পাওয়া তালিকাভুক্ত সংবাদপত্রের প্রতিবছর নিরীক্ষা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিধান যুক্ত করার প্রস্তাবও রয়েছে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) এবং প্রেস কাউন্সিলে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যার সঠিক হিসাব, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং সাংবাদিকদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাকে এর উদ্দেশ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
সংবাদপত্র নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে কি না, তা তদারকিতে জেলা প্রশাসন, ডিএফপি ও প্রেস কাউন্সিলের সমন্বয়ে কমিটি গঠন এবং সংবাদপত্রের কার্যালয় পরিদর্শনের বিধান যুক্ত করার প্রস্তাবও রয়েছে।
খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, ১৯৭৩ সালের আইনের অধীনে সংবাদপত্রের ঘোষণাপত্র প্রদান ও বাতিলের প্রক্রিয়া স্পষ্ট করতে বিধি প্রণয়ন প্রয়োজন। আইনটির বিধি তৈরি না হওয়ায় ঘোষণাপত্র দেওয়া বা বাতিল, নিয়মিত প্রকাশনা তদারকি এবং প্রেস আপিল বোর্ডের কার্যক্রম পরিচালনায় সমস্যা হচ্ছে বলে দাবি করেছে কাউন্সিল।
২০২২ সালে জারি করা সংবাদপত্র ও সাময়িকীর মিডিয়া তালিকাভুক্তি এবং নিরীক্ষা নীতিমালার আইনি ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। খসড়ায় দাবি করা হয়েছে, ওই নীতিমালার ভিত্তিতে ডিএফপির সুপারিশে সংবাদপত্রের ঘোষণাপত্র বাতিলের কিছু আদেশ দেওয়া হচ্ছে, যা ১৯৭৩ সালের আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কাউন্সিলের বক্তব্য অনুযায়ী, সংবাদপত্রের ঘোষণাপত্র বাতিলের আইনগত ক্ষমতা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের।
স্বাধীনতা ও আর্থিক সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা
প্রেস কাউন্সিলকে স্বাধীন ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে সংশোধিত আইনে স্বাধীন সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে এর মর্যাদা স্পষ্ট করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ঢাকার বাইরে শাখা কার্যালয় স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি, গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণে মনিটরিং সেল এবং গবেষণার জন্য পৃথক সেল গঠনের প্রস্তাবও রয়েছে।
বর্তমানে সরকারি অনুদানের ওপর নির্ভরশীল কাউন্সিল নিজস্ব আয় বাড়াতে সংবাদপত্রের প্রচারসংখ্যার ওপর ১ শতাংশ বা নির্ধারিত হারে লেভি আদায়ের ক্ষমতা চেয়েছে। অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্রের সম্পাদককে অভিযোগকারীর সঙ্গে আলোচনা করে বিরোধ মীমাংসার নির্দেশ দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে।
এ ছাড়া কাউন্সিলের স্থায়ী কার্যালয়ের জন্য ঢাকার ৪০ তোপখানা রোডের জমি স্থায়ীভাবে ইজারা দেওয়া এবং সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়িত হলে সাংবাদিকদের নিবন্ধন, সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং পেশাগত সুরক্ষার ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিলের ভূমিকা উল্লেখযোগ্যভাবে বদলে যেতে পারে। তবে আর্থিক জরিমানা, ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা এবং সাংবাদিকতার যোগ্যতা নির্ধারণের মতো প্রস্তাবের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা, ন্যায়সংগত প্রক্রিয়া ও আপিলের অধিকার কীভাবে নিশ্চিত করা হবে, তা আইন সংশোধনের চূড়ান্ত আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।