নিজের টাকায় পরিচর্যা, গড়ে তুলেছেন সবুজের বলয়

নিজের জমি নেই, তবু ২০ বছরে ৩০ হাজার গাছ লাগিয়েছেন বাদশা মিয়া

বিশেষ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১০
 ছবি:

নিজের কোনো জমি নেই। নেই ব্যক্তিগত বাগান গড়ে তোলার মতো জায়গাও। তবু গাছ লাগানোর স্বপ্ন থেকে সরে আসেননি বাদশা মিয়া। নিজের জায়গা না থাকায় সরকারি সড়কের দুই পাশ, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনা ও বিভিন্ন পতিত জমিকে বেছে নিয়েছেন তিনি। সেখানে এক-দুই বছর নয়, টানা দুই দশক ধরে গাছ লাগিয়ে চলেছেন। এভাবে গত ২০ বছরে তাঁর হাতে লাগানো গাছের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়েছে। গাছ লাগানোর পাশাপাশি নিজের টাকায় সার ও ওষুধ কিনে সেগুলোর পরিচর্যাও করেন তিনি। তাঁর এই নিরলস প্রচেষ্টায় রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে সবুজের আবহ।

৬৫ বছর বয়সী বাদশা মিয়ার বাড়ি উপজেলার শানেরহাট ইউনিয়নের মেষ্টা গ্রামে। জীবনের দীর্ঘ সময় পেরিয়ে এসেও গাছ লাগানোর আগ্রহে ভাটা পড়েনি তাঁর। বরং গাছের প্রতি ভালোবাসাকে তিনি নিজের জীবনের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছেন। নিজের জমি না থাকলেও যে পরিবেশের জন্য কাজ করা যায়, নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রকৃতির পাশে দাঁড়ানো যায়—বাদশা মিয়ার দুই দশকের কর্মকাণ্ড যেন সেই বার্তাই দিচ্ছে।

কিশোর বয়স থেকেই গাছের প্রতি তাঁর টান। যুবক বয়সে সেই আগ্রহকে বাস্তবে রূপ দিতে শুরু করেন। নিজের জমি না থাকায় সরকারি ও উন্মুক্ত জায়গায় গাছ লাগানোর পথ বেছে নেন। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তাঁর উদ্যোগের পরিধি। সড়কের পাশে, মসজিদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আঙিনায় এবং পতিত জমিতে গাছ লাগাতে থাকেন তিনি। সময়ের সঙ্গে তাঁর লাগানো গাছ বড় হয়েছে, কোথাও তৈরি হয়েছে ছায়া, কোথাও ফল ধরেছে। আর এসব গাছের মধ্য দিয়ে নিজের জমি না থাকা একজন মানুষের পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধের পরিচয় ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বড়দরগাহ-মাদারগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের মেষ্টা গ্রামের আমতলা থেকে ভগবানপুর পর্যন্ত প্রায় তিন কিলোমিটার সড়কের দুই পাশে সারি সারি গাছ। ফলদ, বনজ ও ঔষধি—বিভিন্ন ধরনের গাছ সড়কটির দুই পাশকে সবুজ করে রেখেছে। অনেক গাছে ঝুলছে ফল। পথ ধরে চলতে গেলে চোখে পড়ে গাছের সারি, যা সড়কের আশপাশের পরিবেশে ভিন্ন আবহ তৈরি করেছে।

এই গাছগুলো শুধু রোপণ করেই দায়িত্ব শেষ করেননি বাদশা মিয়া। চারা লাগানোর পর সেগুলো যেন বেঁচে থাকে, বেড়ে ওঠে এবং একসময় ছায়া ও ফল দিতে পারে, সে জন্য নিয়মিত যত্ন নেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। নিজের টাকায় সার ও ওষুধ কিনে গাছের পরিচর্যা করেন। গাছের বেড়ে ওঠাকে তিনি সন্তানের মতো দেখেন। একটি চারা মাটিতে পুঁতে দিলেই যে কাজ শেষ হয় না, সেটিকে বাঁচিয়ে বড় করাও যে সমান গুরুত্বপূর্ণ—তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে সেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

বাদশা মিয়ার বৃক্ষপ্রেমের প্রকাশ কেবল সড়কের দুই পাশেই সীমাবদ্ধ নয়। সামাজিক অনুষ্ঠানেও গাছকে উপহার হিসেবে বেছে নেন তিনি। কারও বিয়ে কিংবা শিশুর আকিকার দাওয়াত পেলে উপহার হিসেবে গাছ নিয়ে হাজির হন। প্রচলিত উপহারের বদলে একটি চারা বা গাছ উপহার দেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি অন্যদেরও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করতে চান। তাঁর কাছে গাছ কেবল প্রকৃতির অংশ নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাওয়ার মতো সম্পদ।

কেন এত গাছ লাগান—এমন প্রশ্নের উত্তরে বাদশা মিয়া বলেন, ‘ক্ষুধার্ত অবস্থায় বেঁচে থাকা যায়, কিন্তু অক্সিজেন ছাড়া এক মুহূর্তও বাঁচা সম্ভব নয়। গাছ আমাদের প্রকৃত বন্ধু। গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, মানুষের জীবন ও প্রকৃতিকে রক্ষা করে। তাই সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর অনুরোধ জানাই।’

নিজের জীবনে গাছ লাগানোর বিনিময়ে কোনো ব্যক্তিগত প্রাপ্তি বা স্বীকৃতির প্রত্যাশা আছে কি না, জানতে চাইলে তাঁর বক্তব্যও সরল। বাদশা মিয়া বলেন, ‘আমার চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। মানুষ বলে, গাছগুলো বাদশা লাগিয়েছে—এটাই আমার বড় পাওয়া।’

তাঁর এই কথায় ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জনের চেয়ে মানুষের মনে একটি ভালো কাজের স্মৃতি রেখে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষাই ফুটে ওঠে। নিজের নামে জমি না থাকলেও তাঁর হাতে লাগানো গাছগুলো বিভিন্ন স্থানে বেড়ে উঠছে। সেগুলোর ছায়া, ফল ও পরিবেশগত উপকারিতা স্থানীয় মানুষের কাজে আসছে। গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে নিজের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে কোনো বড় আয়োজন নয়, বরং দীর্ঘদিনের ছোট ছোট প্রচেষ্টাকে কীভাবে বড় উদ্যোগে পরিণত করা যায়, বাদশা মিয়া তার একটি উদাহরণ তৈরি করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা শামীম, ইমরান ও রতন জানান, গ্রীষ্মের তীব্র গরমে বাদশা মিয়ার লাগানো গাছের ছায়া পথচারীদের স্বস্তি দেয়। সড়কের পাশ দিয়ে চলাচলের সময় মানুষ এসব গাছের নিচে ছায়া পায়। আবার ফলদ গাছ থেকে ফল সংগ্রহ করে অনেকে খেয়েও থাকেন। তাঁদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগানো ও পরিচর্যার কারণে এলাকার বিভিন্ন স্থানে সবুজের উপস্থিতি বেড়েছে।

সড়কের দুই পাশে গাছ থাকলে পথচারীরা ছায়া পাওয়ার পাশাপাশি আশপাশের পরিবেশও তুলনামূলক আরামদায়ক অনুভব করতে পারেন। গাছ পাখিসহ বিভিন্ন প্রাণীর আশ্রয়স্থল হিসেবেও ভূমিকা রাখতে পারে। তবে গাছের এসব উপকার পেতে হলে শুধু রোপণ করলেই চলে না; গাছের প্রজাতি নির্বাচন, পরিচর্যা এবং দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণও জরুরি। বাদশা মিয়ার উদ্যোগের বিশেষ দিক হলো, তিনি চারা লাগানোর পর সেগুলোকে বড় করে তোলার দায়িত্বও নিজের কাঁধে নিয়েছেন।

শানেরহাট কেজে ইসলাম বালিকা স্কুল ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ খন্দকার এখলাছুর রহমান বাদশা মিয়াকে একজন প্রকৃত পরিবেশবন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, বাদশা মিয়ার মতো মানুষের উদ্যোগ নতুন প্রজন্মকে গাছ লাগাতে এবং পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে পারে। পরিবেশের জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে সরকারি উদ্যোগে পরিবেশ পদক দেওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এমন উদ্যোগের তাৎপর্য রয়েছে। পাঠ্যবইয়ে পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব জানা আর বাস্তবে কাউকে দীর্ঘদিন ধরে গাছ লাগাতে ও পরিচর্যা করতে দেখা এক বিষয় নয়। বাদশা মিয়ার কর্মকাণ্ড স্থানীয় শিশু-কিশোরদের সামনে এমন একটি দৃষ্টান্ত তুলে ধরে, যেখানে পরিবেশ রক্ষার জন্য বড় কোনো প্রতিষ্ঠান বা বিপুল অর্থের অপেক্ষা না করে ব্যক্তিগত উদ্যোগ থেকেই কাজ শুরু করা সম্ভব।

শানেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেছবাহুর রহমান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে বাদশা মিয়ার মতো মানুষের উদ্যোগ দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় সবুজায়নের যে দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করেছেন, তা সমাজের জন্য অনুকরণীয়।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বসবাসের পরিবেশ উন্নত করার ক্ষেত্রে বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে মানানসই প্রজাতির গাছ লাগানো এবং সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষ সমন্বিতভাবে কাজ করলে ব্যক্তিগত উদ্যোগের সুফল আরও বিস্তৃত হতে পারে।

পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহীল বাকিউল বারী বলেন, তিনি এ উপজেলায় সদ্য যোগ দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমে বাদশা মিয়া সম্পর্কে জেনেছেন। তাঁর ভাষ্য, বাদশা একজন বৃক্ষপ্রেমী মানুষ। তাঁর গাছ লাগানোর উদ্যোগ অব্যাহত রাখতে উপজেলা পরিষদ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার এই আশ্বাস বাদশা মিয়ার উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তাঁর মতো মানুষের দীর্ঘদিনের শ্রমকে কাজে লাগিয়ে নতুন করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নেওয়া, গাছের পরিচর্যা নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় মানুষকে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে। তবে উদ্যোগটি টেকসই করতে রোপণ করা গাছের সুরক্ষা ও নিয়মিত পরিচর্যার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।

বাদশা মিয়ার গল্পের বিশেষত্ব শুধু ২০ বছরে ৩০ হাজারের বেশি গাছ লাগানোর সংখ্যায় নয়। নিজের জমি না থাকার সীমাবদ্ধতাকে তিনি গাছ লাগানোর পথে বাধা হতে দেননি। যে জায়গায় গাছ লাগানোর সুযোগ পেয়েছেন, সেখানেই সবুজ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছেন। আবার সেই গাছগুলো বাঁচিয়ে রাখতে নিজের অর্থ ও শ্রম ব্যয় করেছেন। তাঁর কাছে এই কাজ কোনো সাময়িক কর্মসূচি নয়; বরং দীর্ঘদিনের অভ্যাস, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের অংশ।

বাদশা মিয়ার স্বপ্ন, একদিন পুরো এলাকা সবুজে ঘেরা হবে। মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে আরও নিবিড় বন্ধনে আবদ্ধ হবে। নিজের নামে জমি না থাকলেও তাঁর হাতে লাগানো গাছগুলো বেড়ে উঠবে মানুষের উপকারে। আর সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সেই গাছগুলো মনে করিয়ে দেবে—প্রকৃতির জন্য কাজ করতে হলে সব সময় ব্যক্তিগত সম্পদের প্রয়োজন হয় না; প্রয়োজন সদিচ্ছা, ধৈর্য এবং কাজটি চালিয়ে যাওয়ার মানসিকতা।

১

বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা কতটা, সামনে যেসব শর্ত

২

তারেক-তাকাইচি শীর্ষ বৈঠকে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

৩

এনসিপির নতুন কমিটিতে ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস, প্রশ্নে স্বতন্ত্র রাজনীতি ও নারী নেতৃত্ব

৪

ব্যালন ডি’অরে কে কোন পুরস্কার জিতলেন

৫

এনসিপির নতুন উইং ‘জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক শক্তি’, নেতৃত্বে আলোচনায় যারা

৬

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর কবর খোঁড়ার ভাইরাল ছবি: যা জানা গেল

৭

‘আওয়ামী লীগ’ আখ্যা দিয়ে সিপিবি কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ

৮

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ইরানের

৯

চীনের এআই ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে ধস, উধাও ৪৮ হাজার কোটি ডলার

১০

কক্সবাজারে মেরিন ড্রাইভে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৬ কোটি টাকার রিসোর্ট

১১

সরকার অনুমতি দিলেই কি ‘ক্রসফায়ার’ বৈধ, সংবিধান ও আইনে কী আছে

১২

ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন, ২৫ বছর পর ইংল্যান্ডের সাফল্য

১৩

প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে রূপপুর

১৪

পুলিশের কাজ অপরাধী শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা, বিচার করা নয়: সাদিক কায়েম

১৫

তেলবাজদের নিয়ে বিদেশ সফর, জানেও না কেন যাচ্ছে; আবার বলছে প্রথমবার বাইরে: জামায়াত এমপি মাসুদ

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত