হামাস নিরস্ত্র না হলে গাজা পুনর্গঠন হবে না: কুশনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও বিশেষ দূত জার্ড কুশনার বলেছেন, ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস সম্পূর্ণভাবে অস্ত্র সমর্পণ না করা পর্যন্ত গাজা পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে না।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে গাজা রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনার পর কুশনার এ কথা বলেন। তবে তাদের আলোচনায় কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলের অবস্থান হলো, হামাসকে আগে সম্পূর্ণ নিরস্ত্র হতে হবে। এরপর গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হবে। অন্যদিকে হামাসের দাবি, ইসরায়েলি সেনাদের আগে গাজা থেকে প্রত্যাহার করতে হবে; এরপর তারা অস্ত্র সমর্পণের বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে কুশনার বলেন, “গাজাকে পুনর্গঠনের জন্য আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে। কিন্তু নিরস্ত্রকরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা গাজাকে পুনর্গঠিত হতে দেব না।”

তিনি আরও বলেন, “কেউ আর এমন জায়গায় অর্থ ঢালবে না, যেখানকার নিয়ন্ত্রণ সন্ত্রাসীরা নেবে অথবা সেগুলো আবার (ইসরায়েল) ধ্বংস করে দেবে।”

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শর্ত মেনে হামাস প্রথমবারের মতো অস্ত্র সমর্পণে সম্মত হয়েছে। তবে ইসরায়েল সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, গাজা সম্পূর্ণ নিরস্ত্র করার পরই ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার করা হবে।

কুশনারও ইসরায়েলের অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বলেন, হামলার হুমকি থাকলে ইসরায়েলকে আত্মরক্ষার সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার অর্থ কী—সেটিও স্পষ্ট করতে হবে।

উল্লেখ্য, গত বছর হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে আলজাজিরার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি হামলায় প্রায় প্রতিদিনই প্রাণহানি ঘটেছে এবং এ সময়ে আরও ১ হাজার ২৬৫ জন নিহত হয়েছেন।

সূত্র: আলজাজিরা

 

শু/আজা

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত