ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদন

বিহারের কথা মাথায় রেখে বাংলাদেশের সঙ্গে পানিচুক্তি, ‘উপযুক্ত পদক্ষেপ’ নেবে ভারত

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯
 ছবি:

গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে ৩০ বছর আগে করা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রাক্কালে বিহারের পানির স্বার্থকে বিশেষভাবে বিবেচনায় রাখার আশ্বাস দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির বাস্তবায়ন ও ভবিষ্যৎ দিক পর্যালোচনার সময় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রয়োজন বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে এবং বিহারের স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই ‘উপযুক্ত সিদ্ধান্ত’ নেওয়া হবে। বিজেপির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের এই অবস্থান সামনে এসেছে বিহারের ক্ষমতাসীন জোটের অন্যতম শরিক জনতা দল ইউনাইটেডের (জেডিইউ) চাপের পর।

ভারতের ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেডিইউর কার্যকরী সভাপতি ও রাজ্যসভার সদস্য সঞ্জয় কুমার ঝা গত ৬ আগস্ট রাজ্যসভায় গঙ্গার পানি বণ্টনের বিষয়টি তোলেন। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে বিহারের পানির চাহিদা ও স্বার্থকে বিবেচনায় নেওয়ার দাবি জানান তিনি। এর জবাবে ২৮ আগস্ট তাঁকে চিঠি দেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর।

চিঠিতে জয়শঙ্কর বলেন, গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে সঞ্জয় ঝার উদ্বেগ সরকার বুঝতে পেরেছে। চুক্তিটির বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে সার্বিক পর্যালোচনার জন্য ভারতের পানিশক্তি মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক হয়েছে। এসব আলোচনায় বিহারের পানির প্রয়োজনীয়তাসহ বিভিন্ন রাজ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিষয়গুলো বিবেচনা করা হয়েছে। এসব বিষয় মাথায় রেখেই সরকার উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান তিনি।

জয়শঙ্করের চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ২২ আগস্ট ও ৩০ অক্টোবর এবং ২০২৪ সালের ১৫ মার্চ ও ৩১ মে অনুষ্ঠিত পরামর্শসভাগুলোতে বিহার সরকারের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এসব বৈঠকে বিহারের খাওয়ার পানি ও শিল্পকারখানার পানির চাহিদা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। অর্থাৎ গঙ্গার পানি বণ্টনের ভবিষ্যৎ কাঠামো নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিহারের দাবিকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার আনুষ্ঠানিক আলোচনার অংশ হিসেবে বিবেচনা করেছে।

সঞ্জয় ঝা এই আশ্বাসকে বিহারের মানুষের জন্য স্বস্তির বিষয় হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ভারত সরকার গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে যে সিদ্ধান্তই নিক, তাতে বিহারের স্বার্থ ‘সম্পূর্ণ ও ন্যায্যভাবে’ বিবেচনা করা উচিত। তাঁর ভাষ্য, বিহার কোনো অনুগ্রহ চাইছে না; বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে আগামী ৩০ বছরের জন্য রাজ্যের প্রায় ১৩ কোটি মানুষের পানীয় জল, সেচ ও শিল্পকারখানার পানির প্রয়োজন নিশ্চিত করতে চায়।

বিহারের এই দাবি সামনে আসছে এমন এক সময়ে, যখন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির ৩০ বছরের মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। চুক্তিটি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং ৩০ বছরের জন্য কার্যকর হওয়ার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য। বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, চুক্তিটির মেয়াদ ২০২৬ সালে শেষ হচ্ছে।

১৯৯৬ সালের চুক্তির মূল বিষয় হলো ফারাক্কায় গঙ্গার পানির প্রবাহ থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে শুষ্ক মৌসুমে পানি ভাগাভাগি। প্রতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ১০ দিন অন্তর প্রবাহের হিসাব করে পানি ভাগ করা হয়। ফারাক্কায় পানির প্রাপ্যতা ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম হলে দুই দেশ সমানভাবে পানি পায়। ৭০ হাজার থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক প্রবাহ হলে বাংলাদেশ পায় ৩৫ হাজার কিউসেক এবং অবশিষ্ট পানি ভারত পায়। আর প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হলে ভারত ৪০ হাজার কিউসেক এবং অবশিষ্ট পানি বাংলাদেশ পায়।

চুক্তিতে মার্চের শুরু থেকে মে মাসের প্রথম ভাগ পর্যন্ত পানির ন্যূনতম প্রবাহ নিয়েও বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। নির্দিষ্ট তিনটি ১০ দিনের পর্যায়ে দুই দেশকে পালাক্রমে ৩৫ হাজার কিউসেক করে পানি পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে দুই দেশের পানির প্রয়োজনের মধ্যে একটি ভারসাম্য রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ভারত ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যৌথ কমিটি রয়েছে। ফারাক্কা ও বাংলাদেশের হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় পানি প্রবাহ পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহ করা হয়। কমিটি প্রতিবছর দুই দেশের সরকারের কাছে তথ্য ও প্রতিবেদন দেয় এবং চুক্তি বাস্তবায়নে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৭ সাল থেকে প্রতিবছর জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত এই চুক্তির আওতায় পানি ভাগাভাগি হয়ে আসছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরেও ফারাক্কায় গঙ্গার পানি বণ্টন নিয়ে গঠিত যৌথ কমিটির ৮৫তম বৈঠক ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত এর বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণ একটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মধ্যেই হয়েছে।

তবে এবার চুক্তি নবায়নের আলোচনা আগের তুলনায় আরও জটিল হতে পারে। কারণ শুধু বাংলাদেশ ও ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বার্থ নয়, ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজ্যগুলোর পানির চাহিদাও আলোচনায় উঠে আসছে। বিশেষ করে বিহারের মতো গঙ্গার অববাহিকাভুক্ত রাজ্যগুলোর দাবি এখন ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সামনে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জেডিইউর নেতা সঞ্জয় ঝার অবস্থান থেকে বিষয়টির রাজনৈতিক গুরুত্বও স্পষ্ট। জেডিইউ বিহারে বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটের অন্যতম শরিক। ফলে বিহারের পানির দাবি শুধু একটি আঞ্চলিক প্রশাসনিক প্রশ্ন নয়; এটি বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের জোট-রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সঞ্জয় ঝা আগেও বিহারের পানির ন্যায্য হিস্যার বিষয়টি সামনে এনেছেন।

বিহারের উদ্বেগের পেছনে রয়েছে সেচ ও পানীয় জলের প্রয়োজন। গঙ্গা ও এর উপনদীগুলো রাজ্যটির কৃষি, জনজীবন ও শিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঞ্জয় ঝা তাঁর বক্তব্যে আগামী ৩০ বছরের জন্য বিহারের পানীয় জল, কৃষি ও শিল্পের প্রয়োজনের কথা তুলে ধরেছেন। ফলে নতুন কোনো চুক্তি বা ব্যবস্থায় বিহারের জন্য পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করার বিষয়টি ভারতীয় অভ্যন্তরীণ আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

তবে বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, ভারতের অভ্যন্তরীণ পানির চাহিদা বাড়লে ফারাক্কায় বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত পানি বণ্টন ব্যবস্থায় তার কী প্রভাব পড়বে। ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ফারাক্কায় পানি ভাগের নির্দিষ্ট সূত্র রয়েছে। নতুন চুক্তি হলে সেই সূত্র অপরিবর্তিত থাকবে, নাকি পরিবর্তিত হবে—এটি এখনো স্পষ্ট নয়।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যেও নতুন কোনো পানি-বণ্টন সূত্রের ঘোষণা নেই। বরং তিনি বলেছেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে সরকার উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেবে। ফলে এটি এখন পর্যন্ত ভারতের অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে একটি নীতিগত আশ্বাস; বাংলাদেশ-ভারত নতুন চুক্তির চূড়ান্ত শর্ত বা পানি ভাগের নতুন হিস্যা ঘোষণা নয়।

বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ আরও একটি কারণে। গঙ্গার পানি শুধু নদীতে পানির প্রবাহের প্রশ্ন নয়; এর সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি, সেচ, নৌপরিবহন, মৎস্য, ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণ এবং সুন্দরবনের মিঠাপানির পরিবেশ সরাসরি যুক্ত। ইউনেসকোর একটি মূল্যায়নেও সুন্দরবনে মিঠাপানির প্রবাহ কমে যাওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং দীর্ঘমেয়াদি নদী অববাহিকাভিত্তিক সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।

১৯৯৬ সালের চুক্তির সময়ও শুধু পানি ভাগ নয়, গঙ্গার প্রবাহ বাড়ানোর দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। চুক্তির মূল দলিলে দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধার জন্য নদী অববাহিকার পানিসম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের পাশাপাশি গঙ্গার প্রবাহ বৃদ্ধির দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।

এই জায়গাটিই নতুন চুক্তির আলোচনায় বাংলাদেশের জন্য বড় প্রশ্ন হয়ে উঠতে পারে। শুধু ফারাক্কায় কত কিউসেক পানি বাংলাদেশ পাবে, তার বদলে পুরো গঙ্গা অববাহিকার পানি ব্যবস্থাপনা, উজানে পানি প্রত্যাহার, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, শুষ্ক মৌসুমে প্রবাহ কমে যাওয়া এবং অববাহিকার অন্যান্য দেশ—বিশেষ করে নেপালের সঙ্গে সমন্বয়—আলোচনায় আসবে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

ভারতের সরকারি নথিতেও গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তিকে ফারাক্কাকেন্দ্রিক শুষ্ক মৌসুমের পানি ভাগাভাগির ব্যবস্থা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৩ সালে ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ নদী কমিশনের কারিগরি পর্যায়ের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে নদী ব্যবস্থাপনা ও পানি নিয়ে নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগের এই কাঠামোই ভবিষ্যৎ আলোচনার ভিত্তি হতে পারে।

বাংলাদেশের জন্য আরেকটি তাৎপর্য হলো, চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় যত এগিয়ে আসছে, ভারতের ভেতরে রাজ্যভিত্তিক পানির দাবি তত দৃশ্যমান হচ্ছে। বিহারের পর অন্য রাজ্যগুলোর পানির প্রয়োজনও আলোচনায় আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনায় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে একদিকে আন্তর্জাতিক চুক্তির দায়বদ্ধতা, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ রাজ্যগুলোর পানির দাবি—দুই দিকই সামলাতে হবে।

তবে চুক্তির মূল দলিলে একটি বিষয় পরিষ্কার—এর মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন কোনো ব্যবস্থা কার্যকর হবে এমন কথা নেই। চুক্তিটি ৩০ বছরের জন্য এবং পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে নবায়নযোগ্য। ফলে ১২ ডিসেম্বর ২০২৬-এর পর কী ধরনের ব্যবস্থা হবে, তা দুই দেশের আলোচনার ওপর নির্ভর করবে।

এই পরিস্থিতিতে জয়শঙ্করের চিঠিকে বাংলাদেশের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে নতুন কোনো পানি-বণ্টন সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তবে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সংকেত—ভারত নতুন করে গঙ্গার পানি বণ্টনের কাঠামো নিয়ে ভাবছে এবং সেই আলোচনায় বিহারের পানির চাহিদাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিবেচনায় রাখছে।

অন্যদিকে বাংলাদেশের জন্য আসন্ন আলোচনায় শুধু বিদ্যমান চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো নয়, শুষ্ক মৌসুমে পর্যাপ্ত প্রবাহ নিশ্চিত করা, পানির হিসাবের পদ্ধতি, দীর্ঘমেয়াদি প্রবাহ বৃদ্ধির উদ্যোগ, নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়গুলোও সামনে আনা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

কারণ গঙ্গার পানি বণ্টনের নতুন অধ্যায়টি শুধু দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের বিষয় নয়। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষক, মৎস্যজীবী, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য এবং কোটি মানুষের পানিসম্পদের ভবিষ্যতের সঙ্গে জড়িত। আর ভারতের ভেতরে বিহারের ১৩ কোটি মানুষের পানির দাবিও যখন নতুন চুক্তির আলোচনায় প্রবেশ করেছে, তখন ১৯৯৬ সালের চুক্তির পরবর্তী কাঠামো নির্ধারণে দুই দেশের জন্যই সামনে আসছে আরও কঠিন সমীকরণ।
 

বাংলাদেশ-ভারত নৌচলাচল চুক্তি ও এমওইউ, বৈঠকে বসতে বারবার দিল্লির চিঠি, আগ্রহ কম ঢাকার

মালয়েশিয়া থেকে অবৈধ পথে ইন্দোনেশিয়ায়, আট বাংলাদেশিসহ ১৬ জন আটক

বারনই নদীতে হঠাৎ ভেসে উঠল বিপুল মাছ, পানির নমুনা পরীক্ষার দাবি

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক উচ্চতর পর্যায়ে, ভারতের সঙ্গে বাস্তবতা মেনে চলতে হবে

চান্দিনার জয়দেবপুরে ফুলসজ্জিত গাড়িতে ইমামের বিদায়

এমবাপের পেনাল্টি মিস, বেতিসের মাঠে রিয়াল মাদ্রিদের হতাশার হার

এবার হেরেই গেল পিএসজি

ইসাকের জোড়া গোলে লিভারপুলের প্রথম জয়

বন্যার পর সুড়ঙ্গে ৯ দিন: অন্ধকারে মন্ত্র জপে বেঁচে ছিলেন দুই জলবিদ্যুৎকর্মী

১০

ব্রিকসে তারেক রহমান বা তাঁর প্রতিনিধি আসছেন কি না, জানে না ভারত

১১

পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে শেষ মুহূর্তে প্রশাসনিক জটিলতার আভাস

১২

‘এক্স-ফ্যাক্টর’ নিয়ে আসা হাসানের প্রশংসায় মুখর কেন্ট সতীর্থ

১৩

মিয়ানমারে ড্রোন হামলায় ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সম্পৃক্ততার দাবি এনআইএর

১৪

এভারেস্টে পর্বতারোহীদের প্রস্রাবেও গলছে হিমবাহ, বছরে গলছে আড়াই হাজার টন বরফ

১৫

ভারতে জেন-জির পর জেন-আলফার আন্দোলন, শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে রাজপথে শিশুরা

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত