বিশেষ কমিটির বৈঠক: ১৩৩ অধ্যাদেশের অধিকাংশে ‘ঐকমত্য’

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে দুই দিনের আলোচনায় অধিকাংশ বিষয়ে ‘ঐকমত্য’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিন।

তিনি বলেন, ২০টি বিষয়ে আরও ব্যাখ্যা ও আলোচনা দরকার হওয়ায় ২৯ মার্চ রাত সাড়ে ৮টায় আবার বৈঠকে বসবে কমিটি।

বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির মুলতবি বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন কমিটির সভাপতি।


ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম দিনের অধিবেশনেই এই বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সেদিন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করেন। পরে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদিনের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। কণ্ঠভোটে তা অনুমোদন পায়।

সংসদে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, ২ এপ্রিলের মধ্যে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা।

সংসদ অধিবেশন আবার ২৯ মার্চ বসবে এবং চলতি অধিবেশন ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। ফলে বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন এই অধিবেশনেই আলোচনায় আসার সুযোগ থাকছে।


জয়নুল আবেদিন বলেন, “বিষয়টি হচ্ছে ১৩৩টি অধ্যাদেশ গত দুইদিনে আমরা পরীক্ষা করেছি এবং সেখানে কতগুলো বিষয় নিয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছি এবং সেখানে কোনো বিরোধ ছিল না। আর চারটি গতকালকে ছিল, আর আজকে আরও কয়েকটি যোগ হয়েছে। এমন মোট ২০টি বিষয়ের ব্যাপারে আমরা মনে করি যে এটা ব্যাখ্যা দরকার আছে।” তিনি বলেন, যেসব অধ্যাদেশে কমিটি একমত হয়েছে, সেগুলোতে জামায়াতের পক্ষ থেকেও কোনো আপত্তি তোলা হয়নি। তার ভাষায়, “এই অধ্যাদেশগুলো, আমরা যে যেগুলোতে সম্মত হয়েছি, যেগুলো আমরা পাস করেছি, সেগুলোতে ওনারা কোনো আপত্তি উত্থাপন করেন নাই। জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি উপস্থাপন করেন নাই।” 

সভাপতি বলেন, যেগুলো আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার বলে মনে হয়েছে, সেগুলোই পরে আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে। আমরা মনে করেছি যে অধ্যাদেশগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা দরকার, সেগুলোই আমরা রেখেছি অধিকতর পরীক্ষার জন্য। আমরা অধিকতর পরীক্ষা করে এটাকে উপস্থাপন করব,” বলেন তিনি। 

২ এপ্রিলের মধ্যে সংসদে রিপোর্ট দেওয়ার বাধ্যবাধকতার কথাও তুলে ধরেন জয়নুল আবেদিন। তিনি বলেন, “পার্লামেন্ট থেকে নির্ধারণ করে দিয়েছে ২ তারিখের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার জন্য। সেজন্য আমরা চেষ্টা করছি ২ তারিখের মধ্যেই এই রিপোর্ট পেশ করার জন্য। যদি আমরা রিপোর্ট পেশ না করতে পারি, তাহলে এটা পার্লামেন্টে আলোচনা করতে পারবে না।”

সংবিধানের বাধ্যবাধকতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সংসদ বসার এক মাসের মধ্যে রাষ্ট্রপতির জারি করা অধ্যাদেশগুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত না হলে সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে ল্যাপস হয়ে যাবে। তার ভাষায়, “এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এই গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণেই আমরা এটা চুলচেরা বিশ্লেষণ করে আলাপ-আলোচনা করেছি।” তিনি বলেন, যেসব বিষয়ে আপত্তি আছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে। প্রয়োজন হলে পরে বিল আকারে সংসদে আনার সুযোগও আছে। জয়নুল আবেদিন বলেন, “আমরা সংবিধান মোতাবেক আগাতে চাই। যেহেতু সংবিধান মোতাবেকই এই সমস্ত কাজকর্ম গত সরকার করেছেন, সেজন্য এই অর্ডিন্যান্সগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

গণভোট অধ্যাদেশ নিয়ে প্রশ্নে তিনি বলেন, এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা এটা রহিত করারও প্রস্তাব করি নাই, আমরা এটাকে রাখারও প্রস্তাব করি নাই। আমরা বলেছি যে এটা নিয়ে আলোচনা হতে পারে। যেহেতু আপনারা উত্থাপন করেছেন, সংবিধানের আলোকে এগুলো আলোচনা করতে হবে। সংবিধান সকলের ঊর্ধ্বে, পার্লামেন্ট সংবিধান মোতাবেক চলবে,” বলেন তিনি।

দুদক আইন, পুলিশ কমিশন আইন, বিচারক নিয়োগ ও মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত অধ্যাদেশের বিষয়ে প্রশ্নে জয়নুল আবেদিন বলেন, এসবও পরবর্তী আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে। তার ভাষায়, “চারটি বিষয় গতকালকে উত্থাপিত হয়েছিল এবং আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল। সেটার সাথে আজকে আরও ১৬টি যোগ হয়েছে। মোট ২০টি বিষয়ে আমরা পরবর্তীতে আলাপ-আলোচনা করে আমরা উপস্থাপন করব।”

এখন পর্যন্ত কোনো সংশোধনী প্রস্তাব কমিটিতে এসেছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমিটিতে এখনো কোনো সংশোধনী প্রস্তাব আনা হয়নি। “জামায়াত আনেন নাই, আমরাও কোনো সংশোধনী প্রস্তাব আনি নাই। সংশোধন করতে হলে পরে এটা বিল আকারে আসতে হবে। এটা ইচ্ছা করলেই আমরা সংশোধন করতে পারি না,” বলেন তিনি।

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে প্রশ্নে বিশেষ কমিটির সভাপতি বলেন, সংসদ চাইলে ভবিষ্যতে সেটি পরিবর্তন করতে পারবে। তিনি বলেন, “পার্লামেন্ট ইজ ওপেন ফর পিপল। জনগণের জন্য পার্লামেন্ট, পার্লামেন্টের জন্য জনগণ। সেই ক্ষেত্রে যেকোনো সময় যেকোনো বিষয়ে পার্লামেন্টে বিল আসতে পারে।

“পার্লামেন্টের সব ক্ষমতাই আছে এবং পার্লামেন্ট জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। এই পার্লামেন্ট ইচ্ছা করলে ৩২ কে ৩৬ করতে পারে। সেটা হল পার্লামেন্টের ক্ষমতা। এখন যেভাবে আসছে বিলটি, সেভাবে আমরা ওকে করে দিয়েছি।”

 

১২০টি যাচাই, অধিকাংশে মতৈক্য

বৈঠক শেষে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১২০টি নিয়ে যাচাই-বাছাই হয়েছে এবং এর অধিকাংশ বিষয়ে মতৈক্য হয়েছে। তবে কোনগুলো রাখা হবে, কোনগুলো রাখা হবে না, সেই প্রশ্নে কিছু বিষয় আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, “সবকিছুই আমরা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার দিকে দৃষ্টি রেখে এগিয়ে যাচ্ছি। আইন যেভাবে পাস হয় সেভাবেই যাবে।”

আইনমন্ত্রী বলেন, ২ এপ্রিলের পরে প্রতিবেদনে সবকিছু স্পষ্ট হবে। দুই তারিখের পরে অপেক্ষা করেন। একবার এসব বলে দিলে নেক্সট দিন কি বলব?”

জুলাই জাতীয় সনদের প্রশ্নে তিনি বলেন, “আমরা জুলাই সনদের বাইরে এখন পর্যন্ত কোনো পদক্ষেপ নিইনি।” তার ভাষায়, “জুলাই সনদ আমাদের কাছে অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং অত্যন্ত রেসপেক্টেড জায়গা।”

তিনি বলেন, জুলাই সনদের কিছু অংশ বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন আছে, আর কিছু বিষয় অধ্যাদেশ, আইন বা অন্যভাবে করা সম্ভব, `আমরা সংবিধান এবং জুলাই সনদকে প্রাধান্য দিচ্ছি। সংবিধান এবং জুলাই সনদকে বাইপাস করে কোনো কিছু করা হবে না।”

জুলাই সনদের কাঠামো ব্যাখ্যা করে আইনমন্ত্রী বলেন, সেখানে কিছু অংশ স্পষ্টভাবে সংবিধান সংশোধন-সাপেক্ষ, আর কিছু অংশ আইন বা অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়নযোগ্য। তার ভাষায়, “সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে যে কথাটা বলা আছে, সেই জায়গাটা আপনারা ভালো করে দেখেন।”

 

জুলাই সুরক্ষা অধ্যাদেশ হুবহু যাবে, বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মুলতবি বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমরা ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনাটা আজকে শেষ করেছি, দুই দিন মিলে। কিন্তু কিছু কিছু অধ্যাদেশের বিষয়ে আলোচনার প্রস্তাব করেছেন কয়েকজন সদস্য।”

এখন পর্যন্ত কতগুলো অধ্যাদেশে একমত হতে পেরেছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এগুলো গুনিনি। অধিকাংশ বিষয়েই একমত।”

জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশের বিষয়ে এক প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ওইটার বিষয়ে সবাই একমত এবং হুবহু ওইভাবেই পার্লামেন্টে উপস্থাপন করা হবে।”

তবে জননিরাপত্তা আইন, মানবাধিকার কমিশন আইনসহ কয়েকটি অধ্যাদেশের বিষয়ে তিনি বলেন, “এগুলোর বিষয়ে আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে। এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অধ্যাদেশগুলোর ক্ষেত্রে তিন ধরনের সিদ্ধান্ত হতে পারে। কিছু অধ্যাদেশ আগের মতোই বিল আকারে তুলে পাস হবে। কিছু সংশোধনীসহ বিল আকারে আসবে। আর যেগুলোতে ঐকমত্য হবে না, সেগুলো এই অধিবেশনে বাতিল হয়ে যাবে। পরে প্রয়োজন হলে নতুন করে বিল আকারে আনা যাবে। তিনি বলেন, যেগুলো পাস হবে, সেগুলো বিল আকারেই উত্থাপন করে পাস করতে হবে। আর পুরোনো অধ্যাদেশ আগে অননুমোদন করিয়ে তারপর নতুন বিল পাস করতে হবে, যাতে একই বিষয়ে দুটি আইন একসঙ্গে বিদ্যমান না থাকে। 

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “সাংবিধানিকতা এবং জুলাই জাতীয় সনদ, দুটোই আমরা বিবেচনায় নিয়েছি। জুলাই জাতীয় সনদকে আমরা এখানে প্রাধান্য দেব। আর সাংবিধানিকতা যাতে রক্ষা করা যায়, সেই বিষয়টা আমাদের লক্ষ্য রাখতে হচ্ছে।”

 

জামায়াতের আপত্তি ১৮ থেকে ২০ বিষয়ে

দুই দিনের আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খানও। তিনি বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৮ থেকে ২০টি বিষয়ে কমিটি এখনো ঐকমত্য হয়নি, বাকি প্রায় ১১৫টির বিষয়ে কমবেশি একমত।

তার ভাষায়, “যেগুলি দেশের জন্য জনগণের জন্য কল্যাণকর, ইতিবাচক, এ বিষয়গুলিতে কিন্তু আমরা একমত হয়ে গিয়েছি।” রফিকুল ইসলাম খান বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, গণভোট অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন ও মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত কিছু বিষয়ে তাদের আপত্তি আছে।

দুদক আইনের সংশোধনী সম্পর্কে তিনি বলেন, সার্চ কমিটি বাদ দিয়ে সরকারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। সরকার যাকে ইচ্ছা তাকে নিয়োগ দেবে, এ ব্যাপারে আমরা দ্বিমত পোষণ করেছি।”

পুলিশ কমিশনের ক্ষেত্রেও আগের নিয়োগ কাঠামো বাদ দেওয়ার প্রস্তাবে তারা দ্বিমত পোষণ করেছেন।

বিরোধী দলীয় এই হুইপের ভাষায়, “ওই সিস্টেমটা ওনারা বাদ দিয়ে সংশোধনী আকারে সরকার যাকে ইচ্ছা তাকেই নিয়োগ করতে পারবে। এজন্য আমরা এটার বিরোধিতা করেছি।”

গণভোট অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাবেও আপত্তি জানিয়ে তিনি বলেন, “গণভোট মানে তো জনগণ ভোট দিয়া তাদের রায় ঘোষণা করেছে। যারা জনগণের ভোটকে অস্বীকার করবে তারা তো জনকল্যাণকামী সরকার হবে না।”

রফিকুল ইসলাম বলেন, কোনো আইন এখতিয়ারবহির্ভূতভাবে হয়েছে কি না, সেটি আদালতই ঘোষণা করবে। বিদ্যমান আইনকে এভাবে বাতিলের প্রস্তাব আনা ঠিক হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তার মতে, গুম প্রতিরোধ, মানবাধিকার কমিশন ও বিচার-সংক্রান্ত যেসব অধ্যাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে আনা হয়েছে, সেগুলো জনগণের সংস্কার ও বিচারের দাবির সঙ্গে যুক্ত। তাই সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সেগুলো বাদ দেওয়ার চেষ্টা হলে তা জনগণ মেনে নেবে না।

২ এপ্রিলের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার সময়সীমা নিয়েও আপত্তি তুলে তিনি বলেন, ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে তাড়াহুড়ো না করে আরও সময় নিয়ে আলোচনা করা উচিত।

জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বুধবারের মুলতবি বৈঠকে ৯৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মঙ্গলবারের প্রথম বৈঠকে আলোচনা হয়েছিল ৪০টি অধ্যাদেশ। দুই দিনের বৈঠক মিলিয়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশই আলোচনায় এসেছে।

সংসদ সচিবালয় বলেছে, কমিটি অধ্যাদেশগুলোর প্রয়োজনীয়তা ও যথার্থতা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন আকারে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে পেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিশেষ কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদিনের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এ এম মাহবুব উদ্দিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, মুহাম্মদ নওশাদ জমির, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মো. মুজিবুর রহমান, মো. রফিকুল ইসলাম খান ও জি এম নজরুল ইসলাম।

বৈঠকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

এলাকার খবর

সম্পর্কিত