হুইল চেয়ারে করে গত মে মাসে কারাবন্দি স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আসেন তিনি
সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ডা. দীপু মনির স্বামী ব্যারিস্টার তৌফীক নেওয়াজ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন); তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। মঙ্গলবার রাতে ঢাকার কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড) তার মৃত্যু হয়।
দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু বলেন, "রাত ১০টা ২৭ মিনিটে তিনি মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।" কোথায় কখন দাফন এবং জানাজা হবে, তা বুধবার দুপুরের পর সিদ্ধান্ত হবে বলেও জানান টিপু।
২০১৯ সালে স্ট্রোক করেন তৌফীক নেওয়াজ। হুইল চেয়ারে করে গত ২৬ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাকে স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করাতে নিয়ে আসেন স্বজনরা। পেশায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছিলেন তৌফীক নেওয়াজ, যিনি ধ্রুপদি সংগীতের চর্চাও করতেন।
জুলাই অভ্যুত্থানের সময়কার একাধিক মামলার আসামি হয়ে বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি আছেন দীপু মনি। তৌফীক নেওয়াজের অসুস্থতার কথা তুলে ধরে গত ২৭ মে দীপু মনিকে সাত দিন প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার আবেদন করেন তার মেয়ে তানি দীপাবলী নেওয়াজ। মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর করা ওই আবেদনে সাড়া মেলেনি।
এবার তার মৃত্যুর পর আবার দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির আবেদন জানানো হবে বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম। তিনি বলেন, বুধবার সকালে মুন্সীঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানানো হবে।
তৌফীক নেওয়াজ দীর্ঘ দিন ধরে কিডনি ও লিভারের নানা জটিলতাও ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসাসহ তার দেখভালের দায়িত্বে থাকা আপেল খকশি। তিনি বলেন, "সোমবার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে তৌফীক নেওয়াজকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।"