শিল্পপতির বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করা অস্ত্রধারীরা শনাক্ত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আজাদ প্রতিবেদন
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

চট্টগ্রামে শিল্পপতি মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়িতে চাঁদা না পেয়ে গুলি ছোড়া সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের শনাক্ত করা হয়। তবে কৌশলগত কারণে কারও নাম প্রকাশ করতে চাইছে না পুলিশ। ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি ছোড়ার ঘটনায় সন্ত্রাসীদের একটি গ্রুপকে চিহ্নিত করা গেছে বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।

এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজাদের বাহিনীর সদস্যরা ব্যবসায়ীর বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এই বাহিনীর অন্যতম সদস্য মো. রায়হান ও বোরহানের নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলা হয়েছে। 

পুলিশ বলছে, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। তবে আজ রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মোস্তাফিজুর রহমান স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান। তাঁর ভাই সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান এই গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। দুজনই পরিবার নিয়ে নগরীর চন্দনপুরা এলাকার বাড়িতে বাস করেন। ঘটনার পর থেকে পরিবার নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা।

এদিকে, আজ সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ দুই মাস আগে এক বড় ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা চেয়েছিল। পুলিশ কমিশনারের নজরে আনলে চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার তাঁর বাসায় পুলিশ পাহারার ব্যবস্থা করেন। সেই সন্ত্রাসী গ্রুপ হয়তো সুবিধা পায়নি। এ জন্য দুই মাস পরে আবার একই রকম কর্মকাণ্ড করেছে। ভারী অস্ত্রসহ গোলাগুলি করেছে। আমাদের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে। আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। 

কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে গতকাল শনিবার ভোর ৬টার দিকে নগরীর চন্দনপুরায় স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়ি লক্ষ্য গুলির ঘটনা ঘটে। 

নগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন কবির ভূঁইয়া জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা, গোয়েন্দা ও বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গুলি ছোড়া সন্ত্রাসীর বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া গেছে। এসব সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারে নানামুখী চেষ্টা চলছে।

এলাকার খবর

সম্পর্কিত