৭ বছরের জটিলতার অবসান

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও রেলপথের চার লেনের কাজ চলবে

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১০
 ছবি:

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের চলমান নির্মাণকাজ এবং এর নিচ দিয়ে চার লেনের রেলপথ নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক এ আদেশ দেন। আদালতের এই নির্দেশনার ফলে রাজধানীর মগবাজারের পেয়ারাবাগ এলাকায় জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘ সাত বছর ধরে চলা আইনি জটিলতার অবসান হয়েছে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামো প্রকল্পের নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও এর নিচ দিয়ে চার লেনের রেললাইন নির্মাণে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা যাবে। তবে জমির মালিকানা নিয়ে দাবিদার এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের ক্ষতিপূরণ বা ‘অ্যাওয়ার্ড মানি’ পাওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। ফলে একদিকে উন্নয়নকাজ চালিয়ে যাওয়ার পথ উন্মুক্ত হয়েছে, অন্যদিকে জমির দাবিদারের ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, রাজধানীর মগবাজারের পেয়ারাবাগ এলাকায় জমির মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে ও এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও চার লেনের রেলপথ নির্মাণকাজ প্রায় সাত বছর ধরে বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে একের পর এক আইনি পদক্ষেপের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে।

জানা যায়, জমির মালিকানা দাবি করে এ এম মোস্তাফিজুর রহমান ২০১৯ সালে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। ওই বছরের ২৯ মে মামলাটিতে তার পক্ষে রায় দেয়া হয়। তবে সে সময় ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত না থাকায় সরকার উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হলেও কার্যকর কোনো আদেশ পায়নি। পরবর্তী সময়ে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠিত হলে সরকারের পক্ষ থেকে সেখানে আপিল করা হয়।


গত ২ সেপ্টেম্বর ওই আপিলের রায় বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষে যায়। এতে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের আইনি প্রক্রিয়ায় নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আপিল ট্রাইব্যুনালের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে এ এম মোস্তাফিজুর রহমান রিট আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৮ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট জমির বিষয়ে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দেন।

হাইকোর্টের ওই আদেশের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় এক্সপ্রেসওয়ে ও রেলপথ নির্মাণকাজ আবারও অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। এতে প্রকল্পের কাজ অব্যাহত রাখা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হয়। হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ, রেলওয়ে মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং সেটেলমেন্ট অফিসারের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগে সিভিল মিসলেনিয়াস আবেদন দায়ের করা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) এসব আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের অবকাশকালীন চেম্বার আদালত নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। আদালতের এই আদেশের ফলে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং এর নিচ দিয়ে চার লেনের রেলপথ নির্মাণে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনি বাধা দূর হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

তবে আদালত শুধু নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েই বিষয়টি শেষ করেননি। জমির মালিকানা নিয়ে দাবিদার এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের ক্ষতিপূরণ বা ‘অ্যাওয়ার্ড মানি’ পাওয়ার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনাও দিয়েছেন। ফলে সংশ্লিষ্ট জমি নিয়ে মালিকানা বিরোধের প্রেক্ষাপটে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। অন্যদিকে এ এম মোস্তাফিজুর রহমানের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. নুরুল আমিন।

১

জামায়াতের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, জেলার মহানগরী কার্যালয়ে ভাঙচুর

২

হালান্ডের রেকর্ডের রাতে সিটির হার, প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পিএসজি

৩

৯ গোলের লড়াইয়ে বারকোলার হ্যাটট্রিক, লিভারপুলের বড় জয়

৪

৭ গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৭ মিনিটের ঝড়ে রিয়াল মাদ্রিদের জয়

৫

৪৫ বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ, সুপারিশ পেলেন ১৭০২ জন

৬

সংজ্ঞা ও মানদণ্ড নির্ধারণের তাগিদ, নতুন করে যাচাই হবে জুলাইযোদ্ধা তালিকা, আবেদনের সুযোগ বাদ পড়াদের

৭

তুমুল আলোচিত নেহা বোরা সম্পর্কে যা জানতে চাইছেন মানুষ

৮

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সহিংসতার তদন্ত চায় ভারত

৯

নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে প্রস্তুত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

১০

ডিসেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের তৎপরতা, নাশকতার আশঙ্কায় উদ্বেগ

১১

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও রেলপথের চার লেনের কাজ চলবে

১২

প্রযুক্তির ভিড়ে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

১৩

রংপুরে জলাশয় থেকে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

১৪

ঢাকা থেকে সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী

১৫

গাইবান্ধায় জামায়াত নেতার পদত্যাগ

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত