রাজনীতি

ডিসেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের তৎপরতা, নাশকতার আশঙ্কায় উদ্বেগ

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১০
 ছবি:

ড. ইউনূসকে নিউইয়র্কে হেনস্তা, সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার; দেশে ঝটিকা মিছিল ও অনলাইন প্রচারণা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

ডিসেম্বর সামনে রেখে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য রাজনৈতিক তৎপরতা নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল, বিদেশে দলটির নেতাকর্মীদের কর্মকাণ্ড, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পরিকল্পনা—এসব বিষয়কে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য চলছে। সরকার ও বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষগুলোর একাংশের আশঙ্কা, ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে দলটির কিছু নেতাকর্মী অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করতে পারেন। তবে সম্ভাব্য নাশকতার পরিকল্পনা সম্পর্কে যেসব দাবি সামনে এসেছে, সেগুলোর সবকটির স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে ধরে স্লোগান ও বাক্যবিনিময়ের ঘটনা আলোচনায় এসেছে। ১২ অক্টোবরের ওই ঘটনার ভিডিও ও বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নিউইয়র্ক শাখার কয়েকজন নেতার উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী এবং যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান চৌধুরীর নামও এসেছে। ঘটনাটি নিয়ে দেশে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিদেশে এমন ঘটনা দলটির সমর্থকদের মধ্যে দৃশ্যমান থাকার চেষ্টা এবং রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার কৌশলের অংশ হতে পারে। তবে একটি ঘটনার ভিত্তিতে দেশজুড়ে সমন্বিত নাশকতার পরিকল্পনা রয়েছে বলে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। এ ধরনের দাবির পক্ষে নির্দিষ্ট তথ্য, পরিকল্পনার প্রমাণ এবং সংশ্লিষ্ট তদন্তের ফল প্রকাশ করা প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ঘটনাটিকে ‘আওয়ামী সন্ত্রাস’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন বলে সংবাদমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করলে তা বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দেওয়া হবে না। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে এবং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও অতীতের অভিযোগগুলোর বিচারের দাবি তুলেছে। দলগুলোর এসব বক্তব্য তাদের রাজনৈতিক অবস্থান হিসেবে বিবেচ্য।

 সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার, চার দিনের রিমান্ড
এদিকে সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, অর্থ সংগ্রহ এবং উসকানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি ও ছড়ানোর অভিযোগে সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাঁরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা এবং অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবাশীষ। ১২ অক্টোবর প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, তাঁদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, সাইবার-সংক্রান্ত আইন ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে মামলা হয়েছে। আদালত তাঁদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তাঁরা আওয়ামী লীগের কয়েকজন পলাতক নেতা ও সমর্থকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সরকারবিরোধী প্রচারণা চালানো, অর্থ সংগ্রহ এবং উসকানিমূলক কনটেন্ট তৈরির অভিযোগও মামলার নথিতে রয়েছে। তবে পুলিশ ও তদন্তকারীদের এসব অভিযোগ এখনো আদালতে বিচারাধীন। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন।

সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারের ঘটনা ডিসেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং আওয়ামী লীগের সামগ্রিক সাংগঠনিক পরিকল্পনা—দুটি বিষয়কে এক করে দেখা ঠিক হবে না। তদন্তে কী তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে, অর্থের উৎস কী এবং অভিযোগের সঙ্গে দলটির সাংগঠনিক নেতৃত্বের কোনো প্রত্যক্ষ যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট নথি ও তদন্তের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।

ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনার দাবি
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনাও ডিসেম্বর ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনার অন্যতম বিষয়। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ কয়েকজন নেতা ডিসেম্বরের দিকে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি ভারতে অবস্থান করছেন এবং বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিচারিক কার্যক্রম চলমান। তবে দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা বলা আর বাস্তবে দেশে ফেরার সময়সূচি চূড়ান্ত হওয়া এক বিষয় নয়।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন না এবং আওয়ামী লীগের বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগে দলটির রাজনৈতিক পুনর্বাসনের সুযোগ নেই। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত অপরাধের দায় শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের ওপর বর্তায়। এসব বক্তব্য রাজনৈতিক অবস্থান ও অভিযোগের অংশ; বিচারিক সিদ্ধান্ত এবং প্রত্যাবর্তন-সংক্রান্ত বাস্তব পরিস্থিতি আলাদাভাবে বিবেচনা করতে হবে।

অনলাইন প্রচারণা ও মাঠপর্যায়ের যোগাযোগ নিয়ে উদ্বেগ
গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে আপনার দেওয়া তথ্যে বলা হয়েছে, ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের কিছু অঙ্গসংগঠনের নিষ্ক্রিয় কর্মীকে অর্থায়ন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেখ হাসিনার বক্তব্য বা অডিও ছড়িয়ে দেওয়া এবং টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সরকারবিরোধী প্রচারণা চালানোর পরিকল্পনা নিয়ে নজরদারি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ভিডিও ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ব্যবহারের আশঙ্কার কথাও বলা হয়েছে।

তবে এসব দাবির পক্ষে নির্দিষ্ট গোয়েন্দা প্রতিবেদন, অর্থের লেনদেনের নথি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় বা যাচাই করা ডিজিটাল উপাদান প্রকাশ্যে না থাকলে এগুলোকে নিশ্চিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা যায় না। অনলাইনে রাজনৈতিক প্রচারণা, সরকারবিরোধী বক্তব্য এবং সহিংসতা বা নাশকতার বাস্তব পরিকল্পনা—এগুলো পৃথক বিষয়। কোনো কনটেন্টকে ভুয়া বা কৃত্রিমভাবে তৈরি বলা হলে তার উৎস, প্রমাণ এবং কারিগরি যাচাইয়ের ফলও গুরুত্বপূর্ণ।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন, প্রশাসনের ভেতরে থাকা একটি অংশ আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার সুযোগ দিতে ইন্ধন জোগাচ্ছে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা বিদেশে অবস্থান করে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও গণমাধ্যম ব্যবহার করে দেশের নিরাপত্তার জন্য সংকট তৈরি করছেন। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে খুন, গুম, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক নিপীড়নের অভিযোগের বিচার এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি। এসব অভিযোগের পক্ষে সংশ্লিষ্ট প্রমাণ ও তদন্তের তথ্য প্রকাশ করা হলে বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট হবে।

নিরাপত্তা জোরদারের কথা, প্রমাণভিত্তিক পদক্ষেপের দাবি
ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া এবং রাজধানীসহ বিভিন্ন প্রবেশপথ ও স্পর্শকাতর এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর কথা আপনার দেওয়া তথ্যে এক কর্মকর্তার বরাতে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ওই কর্মকর্তার পরিচয়, বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা কিংবা নিরাপত্তা পরিকল্পনার লিখিত নির্দেশনা প্রকাশ্যে না থাকায় এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেওয়া প্রয়োজন।

রাজনৈতিক অস্থিরতা বা নাশকতার আশঙ্কা থাকলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব হলো নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে ঝুঁকি মূল্যায়ন করা, সহিংসতার পরিকল্পনা থাকলে তা প্রতিরোধ করা এবং অপরাধের অভিযোগে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া। একই সঙ্গে রাজনৈতিক মতপ্রকাশ, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য বজায় রাখা জরুরি।

ডিসেম্বর সামনে রেখে আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে রাজনৈতিক উদ্বেগ বাড়লেও এখন পর্যন্ত প্রকাশ্য তথ্যের ভিত্তিতে দেশজুড়ে সমন্বিত নাশকতার ছক চূড়ান্ত হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই। নিউইয়র্কের ঘটনা, সাবেক দুই সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা, শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পরিকল্পনা এবং অনলাইন প্রচারণা নিয়ে অভিযোগগুলো পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে তদন্তের ফল, নির্ভরযোগ্য নথি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক তথ্যই নির্ধারণ করবে ডিসেম্বর ঘিরে বাস্তব নিরাপত্তাঝুঁকি কতটা।

১

জামায়াতের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ, জেলার মহানগরী কার্যালয়ে ভাঙচুর

২

হালান্ডের রেকর্ডের রাতে সিটির হার, প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় পিএসজি

৩

৯ গোলের লড়াইয়ে বারকোলার হ্যাটট্রিক, লিভারপুলের বড় জয়

৪

৭ গোলের রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে ৭ মিনিটের ঝড়ে রিয়াল মাদ্রিদের জয়

৫

৪৫ বিসিএসের চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ, সুপারিশ পেলেন ১৭০২ জন

৬

সংজ্ঞা ও মানদণ্ড নির্ধারণের তাগিদ, নতুন করে যাচাই হবে জুলাইযোদ্ধা তালিকা, আবেদনের সুযোগ বাদ পড়াদের

৭

তুমুল আলোচিত নেহা বোরা সম্পর্কে যা জানতে চাইছেন মানুষ

৮

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সহিংসতার তদন্ত চায় ভারত

৯

নভেম্বরে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ দিতে প্রস্তুত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

১০

ডিসেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের তৎপরতা, নাশকতার আশঙ্কায় উদ্বেগ

১১

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ও রেলপথের চার লেনের কাজ চলবে

১২

প্রযুক্তির ভিড়ে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে যাওয়া যাবে না: প্রধানমন্ত্রী

১৩

রংপুরে জলাশয় থেকে ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার

১৪

ঢাকা থেকে সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৫ হাজার যাত্রী

১৫

গাইবান্ধায় জামায়াত নেতার পদত্যাগ

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত