অবহেলিত নবাব সিরাজউদ্দৌলা, সযত্নে মীর জাফরের কবর

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১০
 ছবি:

বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা স্বাধীনতা রক্ষায় পলাশীর যুদ্ধে তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার হন। সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে ২৩ জুন ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন নবাব সিরাজউদ্দৌলা। পলাশীর যুদ্ধে তার পরাজয় ও মৃত্যুর পরই ভারতবর্ষে ১৯০ বছরের ইংরেজ-শাসনের সূচনা হয়। রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার শাসনভার গ্রহণ করে।

সিরাজউদ্দৌলা তার নানা নবাব আলীবর্দী খান-এর কাছ থেকে ২২ বছর বয়সে ১৭৫৬ সালে বাংলার নবাবের ক্ষমতা অর্জন করেন।

মৃত্যুর পরেও এই বীর নবাবের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো হচ্ছে না। চরম অবহেলা ও অযত্নে রয়েছে তার সমাধিস্থল। অন্যদিকে ব্রিটিশদের সঙ্গে আঁতাত করা মীর জাফর, তার তিন স্ত্রী এবং বংশধরদের কবরস্থান বেশ সংরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজ্য সরকারের অবহেলার কারণেই এমন অবস্থা।

১৭৫৭ সালে ইংরেজদের সঙ্গে গোপন চুক্তি করে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করে ক্ষমতায় আসেন মীর জাফর। তার মৃত্যুর পর তিন স্ত্রী ও ১১০০ বংশধরকে মুর্শিদাবাদের জাফরাবাদে কবর দেয়া হয়। তার কবরস্থানটি অত্যন্ত সুরক্ষিত। দর্শনার্থীদের ভারতীয় ১৫ টাকা টিকিট কেটে সেখানে প্রবেশ করতে হয়, প্রবেশপথটিও যথেষ্ট সুরক্ষিত। সেখানে সার্বক্ষণিক দেখভাল ও নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে লোকজন।

অপরদিকে, সিরাজউদ্দৌলা ও তার নানা আলীবর্দি খাঁসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সমাধিস্থলটি অনেকটাই অবহেলিত ও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। দেখভালের কোনো লোকজন না থাকায় সেখানকার প্রবেশের দরজা-জানালা ভেঙে গেছে। দেয়ালের পলেস্তার খসে শ্রীহীন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

এছাড়া সিরাজউদ্দৌলার সমাধি দেখতে যাওয়ার জন্য ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থাও নেই। এখনও নৌকায় ভাগীরথী নদী পার হয়ে সেখানে যেতে হয়। তবে সিরাজের সমাধিস্থলে প্রবেশে কোনো টিকিট কাটতে হয় না। সেখানকার গাইডদের ৪০ থেকে ১০০ টাকা দিয়েই বিস্তারিত ইতিহাস জানতে পারেন দর্শনার্থীরা।

মুর্শিদাবাদের জাফরাগঞ্জে সিরাজউদ্দৌলাকে যে স্থানে হত্যা করা হয়, সে স্থানটিও রয়েছে বেহাল অবস্থায়। সেখানকার প্রধান গেটটি পড়ে রয়েছে অযত্ন আর অবহেলায়। নেই কোনো তত্ত্বাবধায়ক বা নিরাপত্তারক্ষী। শুধু একটি সাইনবোর্ডে প্রবেশ নিষেধ লিখেই দায়িত্ব পালন করেছে কর্তৃপক্ষ। 

১

সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, বাবার মরদেহ দাফনে বাধা দিলেন ৭ সন্তান

২

ঋণ করে বিয়ে, শোধ করতে যে কাণ্ড ঘটালেন যুবক

৩

একসময় হতো রাজকীয় আয়োজন, কেন কমে গেল পরীমনির জন্মদিনের জৌলুশ

৪

শান্ত-মুশফিকদের ভরসা জোগালেন কালাম-জিসান

৫

অভিষেকেই প্রশ্নবিদ্ধ আলিসের বোলিং অ্যাকশন

৬

প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে ব্যতিক্রমী ক্রিকেট বিশ্বকাপ

৭

৪২৯ রান তাড়া করে ইংল্যান্ডকে হারাল শ্রীলঙ্কা

৮

সন্দ্বীপে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

৯

সৌদির দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় দুই বাংলাদেশি আহত

১০

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

১১

ওসির সঙ্গে রুমিনের বাদানুবাদ, বললেন ‘আপনি বিরাট আওয়ামী লীগ ছিলেন’

১২

সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে কাজ চলছে: তথ্যমন্ত্রী

১৩

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় নিয়েও বাঁচানো গেল না রাবির চেসি ত্রিপুরাকে

১৪

আরও ২০ বাংলাদেশির সাজা কী জানায়নি সৌদি সরকার, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর বাড়ছে উদ্বেগ

১৫

সাইবার হামলার শঙ্কায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত