সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান: এবার সাড়া মিলবে তো?

দেশে গ্যাসের সংকট ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। বাসাবাড়ি, শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ উৎপাদন—প্রায় সব খাতেই এর প্রভাব পড়ছে। পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমছে, স্থলভাগে নতুন বড় মজুতের সন্ধান মিলছে না। ফলে বাড়ছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির ওপর নির্ভরতা। এমন পরিস্থিতিতে আবারও বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে সরকার। ২৬টি অফশোর ব্লকে অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে পেট্রোবাংলা। এর মধ্যে ১১টি অগভীর সমুদ্রের এবং ১৫টি গভীর সমুদ্রের ব্লক। সরকার এবার দরপত্রে ভালো সাড়া পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। ইতিমধ্যে দুটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি দরপত্র কিনেছে এবং সাতটি কোম্পানি তথ্য-প্যাকেজ সংগ্রহ করেছে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। তবে আগের অভিজ্ঞতা আশাবাদে কিছুটা সংশয়ও তৈরি করছে। ২০২৪ সালে বড় বড় আন্তর্জাতিক কোম্পানি আগ্রহ দেখালেও শেষ পর্যন্ত কোনো প্রতিষ্ঠানই দরপত্র জমা দেয়নি। এবারের দরপত্রে বিদেশি কোম্পানিগুলো কতটা সাড়া দেয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। সংকট বাড়ছে, কমছে দেশীয় উৎপাদন দেশে গ্যাসের দৈনিক চাহিদার তুলনায় সরবরাহে ঘাটতি এখন প্রায় ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। গত রোববার সকাল ১০টার হিসাবে দেশে মোট ২ হাজার ৩২৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে দেশীয় উৎপাদন ছিল ১ হাজার ৬২১ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এলএনজি থেকে পাওয়া যায় ৭০৩ মিলিয়ন ঘনফুট। অথচ একসময় দেশে দৈনিক প্রায় ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস উৎপাদন হয়েছে। এখন উৎপাদন নেমে এসেছে প্রায় ১ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে। জ্বালানি বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেন, ভোলা ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে দেশে বড় কোনো গ্যাসের সন্ধান পাওয়া যায়নি। পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদনও ক্রমাগত কমছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘‘গ্যাস সংকট মোকাবিলায় অনুসন্ধানের পরিবর্তে আমরা দীর্ঘদিন ধরে আমদানির ওপর বেশি নির্ভর হয়ে পড়েছি। পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন কমতে থাকায় সংকট আরও তীব্র হচ্ছে।’’ ২৬ ব্লকে নতুন দরপত্র চলতি বছরের মে মাসে বঙ্গোপসাগরের ২৬টি ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে পেট্রোবাংলা। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় আগামী ৩০ নভেম্বর। পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) মো. শোয়েব জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত দুটি আন্তর্জাতিক কোম্পানি দরপত্র কিনেছে। আরও সাতটি কোম্পানি তথ্য-প্যাকেজ সংগ্রহ করেছে। দরপত্র কেনা কোম্পানির মধ্যে রয়েছে তুর্কি পেট্রোলিয়াম ওভারসিজ কোম্পানি (টিপিএও) এবং চীনের জ্বালানি প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল অফশোর অয়েল করপোরেশন (সিএনওওসি)। এ ছাড়া বেরিংগিয়া পাওয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড, ক্রিসএনার্জি, পিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড, অনোডা ইনকরপোরেটেড, রিস্ট্যাড এনার্জি, ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড এবং টিপিএও তথ্য-প্যাকেজ কিনেছে। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা বলছেন, দরপত্র জমা দেওয়ার...

$post['title']

দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই: খাদ্যমন্ত্রী

$post['title']

বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের পদক্ষেপের প্রশংসা জাতিসংঘের কমিশনে

$post['title']

তিন বছরে বন্ধ হয়েছে ৪ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা: বাণিজ্যমন্ত্রী

$post['title']

পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের স্বস্তি, লাগামহীন মূল্যস্ফীতিতে সাধারণ মানুষের কী হবে

$post['title']

৯ম জাতীয় পে স্কেল অনুমোদন, এ সপ্তাহেই গেজেট