জাতীয়

প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান-পদায়নে সুখবর

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৯
 ছবি:

১৪ হাজার ৩৮৪ সহকারী শিক্ষককে যোগদানের প্রশাসনিক আদেশ অনুমোদন; ১ অক্টোবরের মধ্যে যোগদান, এরপর পদায়ন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীর যোগদানের পথ খুলেছে। এসব শিক্ষককে নিজ নিজ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে যোগদান করানোর প্রশাসনিক আদেশ অনুমোদন করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে তাঁদের যোগদান করানোর প্রক্রিয়ায় আর কোনো বাধা থাকছে না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের দুজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ১৪ হাজারের বেশি সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকের যোগদানপত্র সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে পাঠানোর প্রশাসনিক আদেশ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এতে সই করেছেন। মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ অধিদপ্তরে পৌঁছালে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

ওই কর্মকর্তা বলেন, সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে যোগদান কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পাওয়ার পর সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেওয়া হবে। ১ অক্টোবরের মধ্যে সুপারিশপ্রাপ্ত সব সহকারী শিক্ষক যোগদানপত্র হাতে পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। যোগদানের পর তাঁদের পদায়ন করা হবে।

তবে যোগদানের পরপরই নতুন শিক্ষকেরা সরাসরি শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু করবেন না। তাঁদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকবে। প্রশিক্ষণ শেষ করার পরই তাঁদের শ্রেণিকক্ষে পাঠানো হবে।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমির (নেপ) মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ বলেন, প্রশিক্ষণ চাকরির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পদায়নের সঙ্গে সঙ্গে নতুন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ শুরু হওয়া উচিত। তাঁদের দুই মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর তাঁরা বিদ্যালয়ে ক্লাস নিতে পারবেন। এর আগে তাঁদের ক্লাসে পাঠানো হবে না।

নতুন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ না হলে নিয়োগ বাতিল হবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রশিক্ষণের মূল্যায়ন থাকলেও এ মূল্যায়নের ভিত্তিতে সুপারিশপ্রাপ্ত কাউকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত এখন পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের মডিউল তৈরির সঙ্গে যুক্ত নেপের মহাপরিচালক ফরিদ আহমদ বলেন, প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ হতে না পারলে কারও নিয়োগ বাতিল হবে—এমন সিদ্ধান্ত তিনি মনে করেন না। তবে এ ধরনের কোনো বিধান প্রশিক্ষণ মডিউলে যুক্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দিতে পারবে।

এর আগে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে নানা আলোচনা ও বিতর্ক তৈরি হয়। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিভিন্ন বক্তব্যে নিয়োগ পরীক্ষা তাড়াহুড়ো করে নেওয়া এবং এতে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন।

এরপর সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদানের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ হওয়ার শর্তের কথাও বলা হয়েছিল। তবে বর্তমানে প্রশিক্ষণ শেষ না করা পর্যন্ত শ্রেণিকক্ষে পাঠদান না করানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রশিক্ষণের মূল্যায়নের ভিত্তিতে কাউকে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে কি না, তা এখনো মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আলাদাভাবে স্পষ্ট করা হয়নি।

সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় গত ৯ জানুয়ারি। পার্বত্য তিন জেলা বাদে দেশের ৬১ জেলায় একযোগে এমসিকিউ পদ্ধতিতে ওই পরীক্ষা নেওয়া হয়। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করা হয়।

পরে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়। একই সঙ্গে জেলাভিত্তিক উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তালিকাও প্রকাশ করা হয়।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নিয়োগের প্রক্রিয়ার সব ধাপ শেষ করলেও এসব প্রার্থী এত দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করতে পারেননি। এ নিয়ে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় এবং তাঁরা যোগদান ও পদায়নের দাবিতে আন্দোলন করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ১ অক্টোবরের মধ্যে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদান ও পদায়নের ঘোষণা দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন প্রশাসনিক আদেশ অনুমোদনের ফলে সেই ঘোষণা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হলো। যোগদানের পর প্রশিক্ষণ এবং পদায়নের মাধ্যমে নতুন শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে দায়িত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে।
 

কার্ডে বাড়ছে লেনদেন, পাঁচ বছরে প্রবৃদ্ধি ১০৮ শতাংশ

জাকির নায়েকের বাড়িতে আজহারী, বিদায়ের আগে পেলেন ‘কিসওয়াতুল কাবা’ আতর

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কী উদ্যোগ, জানতে চাইল সংসদীয় কমিটি

প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার শিক্ষকের যোগদান-পদায়নে সুখবর

সৌদির অনুরোধের পর ইরানকে হুতিদের থামাতে বলেছে বেইজিং

সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি

‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর পাভেলের ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়া নিয়ে আলোচনা

দীঘিকে এড়িয়ে গেলেন তথ্যমন্ত্রী, জয় বললেন—পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার দিন শেষ

হকির আরেকটি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

১০

চরিত্রের ভেতর দিয়ে মানুষের জীবন অনুভব করতে চান রুনা খান

১১

চীনের নতুন জলপথে বদলে যাচ্ছে বঙ্গোপসাগরের সংযোগ-মানচিত্র

১২

ঋতুপর্ণাদের ফিরিয়েও হাফডজন গোলে হার বাংলাদেশের

১৩

নরেন্দ্র মোদিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন তারেক রহমান

১৪

ওসির অডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় পুলিশের তদন্ত কমিটি, জিজ্ঞাসাবাদ

১৫

২৫ কোটি বাজেটে ৩১০ কোটি আয়, ইতিহাস গড়ল ‘অসম প্রেমের’ সিনেমাটি

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত