জাতীয়

৫৩ হিসাব, ৩.৫২ কোটি টাকার লেনদেন, দুবাইয়ে বিনিয়োগ— হাদি হত্যা মামলার আসামি ফয়সালের অর্থের উৎসে সিআইডি

আজাদ প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৯
 ছবি:

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদের অর্থের উৎস অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা সম্ভাব্য সম্পদ ও আর্থিক লেনদেনের একটি জটিল চিত্র পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। দেশে তাঁর নিজের, স্ত্রী ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৫৩টি ব্যাংক হিসাব জব্দের পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে তাঁর সম্ভাব্য বিনিয়োগ ও সম্পদের তথ্যও যাচাই করছে সংস্থাটি।

সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিটের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার আদাবর থানায় ফয়সাল ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ, তাঁর স্ত্রী শাহেদা পারভিন সামিয়া এবং আরও দুই-তিনজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অর্থপাচারের মামলা করা হয়েছে। মামলার নথিতে ফয়সালের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের লেনদেন, অর্থের উৎস এবং অর্থ স্থানান্তরের বিষয়ে একাধিক অসঙ্গতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে তদন্তে কোনো হিসাবের লেনদেন অস্বাভাবিক বা সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত হওয়া মানেই সংশ্লিষ্ট অর্থ অবৈধ—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না। অর্থের উৎস, প্রকৃতি ও ব্যবহারের বৈধতা তদন্ত এবং পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে। ফয়সালের পক্ষের বক্তব্যও এ বিষয়ে প্রকাশ্যে পাওয়া যায়নি।

৫৩ ব্যাংক হিসাবে নজর

সিআইডির তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে ফয়সাল, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৫৩টি ব্যাংক হিসাব। এসব হিসাবের লেনদেন বিশ্লেষণ করে অর্থ কোথা থেকে এসেছে, কোথায় গেছে এবং কী কাজে ব্যবহার হয়েছে—সেসব তথ্য সংগ্রহ করছে তদন্ত সংস্থা। এর আগে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে আদালতের আদেশে এসব হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছিল। তখন সিআইডি আদালতকে জানিয়েছিল, হিসাবগুলোতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া গেছে। আদালত ৫৩টি হিসাবে থাকা প্রায় ৬৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে জব্দ এবং হিসাবগুলো স্থগিত রাখার নির্দেশ দেন।

সিআইডির সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে এই হিসাবগুলোর আর্থিক গতিপথ আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে একটি হিসাবের লেনদেন বিশেষভাবে তদন্তকারীদের নজরে এসেছে।

ঘোষিত বার্ষিক লেনদেন ১.২০ কোটি, দুই মাসেই ৩.৫২ কোটি

তদন্ত নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর একটি বেসরকারি ব্যাংকের রূপনগর শাখায় হিসাবটি খোলেন ফয়সাল। হিসাব খোলার সময় ব্যবসার ধরন হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তি, পরামর্শসেবা ও প্রশিক্ষণের কথা উল্লেখ করা হয়। বছরে সম্ভাব্য লেনদেনের পরিমাণ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল ১ কোটি ২০ লাখ টাকা।

কিন্তু হিসাব খোলার পরের দুই মাসেই ওই হিসাবে মোট ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে বলে সিআইডির নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। অর্থাৎ হিসাব খোলার সময় যে বার্ষিক লেনদেনের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, মাত্র দুই মাসেই তার প্রায় তিনগুণ অর্থ ওই হিসাবের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়েছে।

তদন্তকারীরা বলছেন, শুধু লেনদেনের পরিমাণ নয়, এর প্রকৃতি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। হিসাবের ঘোষিত ব্যবসার ধরন, লেনদেনের ধরন এবং ব্যবসা পরিচালনার অনুমতিপত্রে দেওয়া তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি পাওয়া গেছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নগদ টাকা উত্তোলনের পরিমাণ তুলনামূলক কম হলেও বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ পরিশোধ এবং এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য—এমন তথ্যও তদন্তে এসেছে।

এখন সিআইডির জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে, এত দ্রুত এত বড় অঙ্কের অর্থ ওই হিসাবে কেন প্রবেশ করেছে, অর্থের প্রকৃত উৎস কী এবং পরে তা কোথায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

স্ত্রীর নামে ৬৫ লাখ টাকার এফডিআর

ফয়সালের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী শাহেদা পারভিন সামিয়ার সম্পদের বিষয়টিও তদন্তে এসেছে। নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর তাঁর স্ত্রীর নামে ৬৫ লাখ টাকার একটি স্থায়ী আমানত বা এফডিআর করা হয়। এ অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে তদন্ত সংস্থা। এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনও ফয়সালের স্ত্রীকে তাঁর জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ ৬৫ লাখ টাকার সম্পদের বিষয়ে সম্পদ বিবরণী জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। অর্থাৎ সিআইডির অর্থপাচার অনুসন্ধান এবং দুদকের সম্পদ-সংক্রান্ত অনুসন্ধান—দুই সংস্থার কাজের একটি জায়গায় এসে মিলেছে। তবে একই অর্থ বা সম্পদ নিয়ে দুই তদন্তের ফল কী দাঁড়ায়, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

দুবাইয়ে কী আছে ফয়সালের?

দেশের ব্যাংক হিসাবের পাশাপাশি এবার বিদেশে ফয়সালের সম্পদের খোঁজ শুরু করেছে সিআইডি। তদন্তে জানা গেছে, ফয়সালের সংযুক্ত আরব আমিরাতের একাধিকবার প্রবেশ ও বের হওয়ার সুযোগসংবলিত পর্যটন ভিসা ছিল। ২০২৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাংলাদেশে ফেরেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে দুবাইয়ে তাঁর কোনো সম্পদ, বিনিয়োগ বা অর্থ স্থানান্তরের ঘটনা ঘটেছে কি না, তা যাচাই করছে সিআইডির আর্থিক অপরাধ ইউনিট। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাধ্যমে অর্থপাচার বা অবৈধ বিনিয়োগ করা হয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।

তবে এখন পর্যন্ত দুবাইয়ে ফয়সালের নামে কোনো নির্দিষ্ট সম্পদ বা বিনিয়োগ চূড়ান্তভাবে শনাক্ত হয়েছে—এমন তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। বরং সিআইডি সম্ভাব্য সম্পদের অস্তিত্ব যাচাই করছে। ফলে ‘দুবাইয়ে অবৈধ সম্পদ রয়েছে’—এমন চূড়ান্ত বক্তব্যের বদলে ‘সম্ভাব্য বিনিয়োগের তথ্য’ বলাই তদন্তের বর্তমান অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

বিদেশে সম্পদের সন্ধান পেতে তদন্তকারীদের ব্যাংকিং তথ্য, ভিসা ও ভ্রমণ রেকর্ড, ব্যবসায়িক যোগাযোগ, কোম্পানির মালিকানা এবং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট দেশের কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন হতে পারে।

জাল দরপত্রে ৫৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা

সিআইডির অনুসন্ধানে ফয়সালের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের একটি অংশও সামনে এসেছে। তাঁর মালিকানাধীন অ্যাপল সফট আইটি এবং পিনাকল সলিউশন ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে একটি চুক্তির তথ্য পেয়েছে তদন্ত সংস্থা।

মামলার নথি অনুযায়ী, দুটি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে তিনটি সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তাব দিয়েছিল। পরে তদন্তে ওই তিন প্রকল্পের দরপত্র প্রস্তাব জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছিল বলে তথ্য পাওয়া যায়।

তবে প্রকল্পগুলো যৌথভাবে বাস্তবায়নের কথা বলে ফয়সালের ব্যাংক হিসাবে ৫৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা জমা দেওয়া হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে এসেছে। সিআইডির অভিযোগ, ঠিকাদারি ব্যবসার আড়ালে জাল দরপত্রের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দেওয়ার সুযোগ দেখিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছিল।

এই অভিযোগের সঙ্গে সাম্প্রতিক দুদকের মামলারও মিল রয়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর দুদক ফয়সালের বিরুদ্ধে জালিয়াতি, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও অর্থপাচারের অভিযোগে মামলা করেছে। ওই মামলায় একটি জাল দরপত্র ও ভুয়া নথি ব্যবহার করে প্রায় ৯৫ লাখ ৬৯ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সময়ে জ্ঞাত আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগেও তাঁর বিরুদ্ধে পৃথক মামলা হয়েছে। অর্থাৎ ফয়সালের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অনুসন্ধান এখন শুধু একটি ব্যাংক হিসাব বা একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ব্যবসা, ব্যাংক লেনদেন, সরকারি প্রকল্প, স্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান—সব মিলিয়ে তদন্তের পরিধি বিস্তৃত হচ্ছে।

১২৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের আগের তথ্য

ফয়সালের আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন অবশ্য নতুন নয়। এর আগে সিআইডি জানিয়েছিল, ফয়সাল ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে ১২৭ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সিআইডি ওই তথ্য প্রকাশ করে অর্থপাচার প্রতিরোধ আইনে অনুসন্ধান শুরু করেছিল। তদন্ত সংস্থার ভাষ্য ছিল, এসব লেনদেন অর্থপাচার, সংঘবদ্ধ অপরাধ বা সম্ভাব্য সন্ত্রাসে অর্থায়নের সঙ্গে যুক্ত কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। ১২৭ কোটি টাকা ছিল ‘অস্বাভাবিক লেনদেন’-এর মোট পরিমাণ; সেটি পুরোপুরি অবৈধ অর্থ বা আত্মসাৎ করা অর্থ—এমন সিদ্ধান্ত তদন্ত সংস্থাও দেয়নি। একইভাবে সাম্প্রতিক ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার লেনদেনও তদন্তাধীন। এই অর্থের উৎস ও ব্যবহার যাচাই করাই এখন তদন্তের মূল বিষয়।

হত্যা মামলা থেকে অর্থের অনুসন্ধান

শরীফ ওসমান বিন হাদিকে ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টন এলাকায় গুলি করা হয়। ছয় দিন পর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ওই হত্যা মামলায় ফয়সাল করিম মাসুদকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। হত্যা মামলার তদন্তের পাশাপাশি ফয়সালের আর্থিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আলাদা করে অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর এখন দুটি তদন্তের মধ্যে কোনো আর্থিক যোগসূত্র আছে কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ৫৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের সময় সিআইডি আদালতকে জানিয়েছিল, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ফয়সাল ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এখন নতুন অর্থপাচার মামলায় তদন্তকারীদের সামনে আরও নির্দিষ্ট প্রশ্ন—হিসাবগুলোতে আসা অর্থের উৎস কী, ব্যবসার সঙ্গে তার সম্পর্ক কতটা, অর্থের কোনো অংশ বিদেশে গেছে কি না এবং বিদেশে গেলে তা কীভাবে বিনিয়োগ বা স্থানান্তর করা হয়েছে।

ভারতে হেফাজতে ফয়সাল

হাদি হত্যা মামলার পর থেকেই ফয়সাল পলাতক ছিলেন। বর্তমানে তিনি ভারতে পুলিশের হেফাজতে আছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে বাংলাদেশে চলমান হত্যা, অর্থপাচার, দুর্নীতি ও সম্পদ অনুসন্ধানের মামলাগুলোতে তাঁর সরাসরি বক্তব্য নেওয়ার বিষয়টিও তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক সংস্থার অনুসন্ধান এখন একই প্রশ্নের দিকে যাচ্ছে—ফয়সালের আর্থিক সাম্রাজ্যের প্রকৃত উৎস কোথায়?

একদিকে ৫৩টি ব্যাংক হিসাব, অন্যদিকে দুই মাসে একটি হিসাবেই ৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার লেনদেন; স্ত্রীর নামে ৬৫ লাখ টাকার এফডিআর; সরকারি প্রকল্পের নামে ৫৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা গ্রহণের অভিযোগ; অতীতে ১২৭ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক লেনদেন এবং সর্বশেষ দুবাইয়ে সম্ভাব্য বিনিয়োগের অনুসন্ধান—সব মিলিয়ে আর্থিক তদন্তের পরিধি এখন আগের চেয়ে অনেক বড়।

তবে এসব তথ্যের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অভিযোগ, সন্দেহজনক লেনদেন ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের সঙ্গে আদালতে প্রমাণিত অপরাধের পার্থক্য রয়েছে। কোন অর্থ বৈধ ব্যবসা থেকে এসেছে, কোনটি প্রতারণা বা জালিয়াতির মাধ্যমে সংগৃহীত, কোনো অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে কি না এবং এসবের সঙ্গে হাদি হত্যার কোনো আর্থিক যোগসূত্র রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর মিলবে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায়।

সিআইডির নতুন অর্থপাচার মামলা সেই অনুসন্ধানকে আরও বিস্তৃত করেছে। এখন তদন্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হতে পারে অর্থের পুরো ‘মানি ট্রেইল’ বা উৎস থেকে গন্তব্য পর্যন্ত গতিপথ চিহ্নিত করা। বিশেষ করে দেশীয় ব্যাংক হিসাব থেকে কোনো অর্থ বিদেশে গেছে কি না এবং গেলে তার শেষ গন্তব্য কোথায়—এই তথ্যই দুবাই-সংক্রান্ত অনুসন্ধানের বাস্তব চিত্র স্পষ্ট করতে পারে।

লালমনিরহাটে গোপন বৈঠকের অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা আটক

ক্ষেপণাস্ত্রে চড়ে মস্কো যাবেন জেলেনস্কি!

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন-ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে : জামায়াত আমির

পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগিয়ে বাস পোড়ানো হচ্ছে: রিজভী

জাতিসংঘে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে জিপিই’র আরও অর্থায়ন চাইলেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ভিসা দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘে বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়ালি ভাষণ দেবেন ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট

শেখ হাসিনাকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে : রিজভী

মিছিল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী আটক, ছাড়িয়ে নিলেন পথচারীরা

সরকার ব্যাংকে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিচ্ছে না: রাষ্ট্রপতি

১০

ভারতজুড়ে ফের বিক্ষোভের হুঁশিয়ারি তেলাপোকাদের

১১

সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অ্যাক্রেডিটেশন গৌরবের মাইলফলক: ডা. শফিকুর

১২

গাজায় খাবারের বিনিময়ে বিক্রি হচ্ছে মেয়েরা

১৩

আবার মার্কিন হামলা হলে যুদ্ধ ভারত মহাসাগর পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে পারে ইরান

১৪

আমিরাতগামী সব ফ্লাইট বাতিল করল ইরান

১৫

বেহেশতের টিকিট বিক্রেতারা ফ্যাসিস্টদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে: পরিবারকল্যাণমন্ত্রী

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

১৫

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

সম্পর্কিত