জাতি এখন সবচেয়ে বড় সংকটে আছে : ডা. শফিকুর রহমান

আজাদ অনলাইন
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৯
 ছবি:

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, এই জাতি এখন সবচেয়ে বড় সংকটে আছে। এই সংকট থেকে জাতিকে উত্তরণ করতেই হবে। আমাদের মধ্যে বহু ট্যালেন্ট আছেন। বাট মোস্ট অফ দেম আর ইভিল ট্যালেন্টস। আল্লাহর দেওয়া মেধার এই নিয়ামতকে মানবতার, সৃষ্টির এবং কল্যাণের জন্য না লাগিয়ে, এই স্বার্থপর, সংকীর্ণমনা লোকগুলো শুধু বৈধ অবৈধ সব পথে তার নিজের লাভটা খুঁজে বেড়ায়।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে আয়োজিত ‘রোড টু সিরাহ’ জাতীয় সিরাত পাঠ প্রতিযোগিতা ২০২৬-এর পুরষ্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার রাস্তা একটাই। আর তা হচ্ছে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নকশা কদম অনুসরণ। পায়ে পায়ে, অক্ষরে অক্ষরে তাকে অনুসরণ করে চলা।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনকে অনুসরণীয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, একজন শিশুকে যদি প্রশ্ন করা হয় বা একজন শিশু যদি প্রশ্ন করে যে আমি কাকে অনুসরণ করব? তার উত্তর হচ্ছে মা আমিনা এবং হালিমাতুস সাদিয়া রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহার শিশুপুত্র মোহাম্মদ হচ্ছে তোমার অনুসরণীয়।

তিনি আরও বলেন, তিনি অবুঝ থাকা অবস্থায়ও দুধ ভাইয়ের হক তিনি নষ্ট করেননি। কাউকে কষ্ট দেননি। মুখ দিয়ে একটা অশ্লীল কথা বলেননি। কারো হক নষ্ট করেননি।

কিশোর বয়সের উদাহরণ তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এরপরে যদি একজন কিশোরকে জিজ্ঞেস করা হয় বা কিশোর যদি জিজ্ঞেস করে যে আমি কাকে অনুসরণ করব? তাহলে মক্কার সেই শান্ত, সৌম, বুদ্ধিদীপ্ত, দায়িত্বশীল কিশোর মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লামের কথাটা এখানে এসে যাবে।

তিনি বলেন, কাবাঘর মেরামতের পর পাথর, কালো পাথর, হাজরে আসওয়াদ এটা প্রতিস্থাপন নিয়ে যে সংকট দেখা দিয়েছিল, সেখানে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আশঙ্কা চারটা কবিলার মধ্যে দেখা দিয়েছিল। তার নিখুঁত সমাধান ইনসাফপূর্ণ সমাধান দিয়েছিলেন সেই কিশোর মোহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ।

তিনি বলেন, আল্লাহ তাআলা এভাবেই তাকে শৈশব, কৈশোর, যৌবন এই সবগুলাতে নিয়ামত পড়া আখলাক দিয়ে তাকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছিলেন।

মহানবী (সা.)-এর জীবনের নানা প্রতিকূলতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি জন্মগতভাবেই তিনি এতিম ছিলেন। জন্মের আগেই পিতা তিনি তার মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেছিলেন আর ছয় বছরের মাথায় মাকেও হারিয়েছিলেন। আট বছরের মাথায় দাদাকে হারিয়েছিলেন। এভাবে জীবনে একটার পর একটা ধাক্কা তার জীবনে এসেছিল।

তিনি আরও বলেন, একজন ব্যবসায়ী, একজন দার্শনিক, একজন চিন্তাবিদ, একজন সমন্বয়ক, একজন প্রধান বিচারপতি যে ক্ষেত্রেই জীবনের প্রশ্ন আসবে যে আমি কাকে অনুসরণ করব? নিঃসন্দেহে তিনি হচ্ছেন মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম।

প্রতিযোগীদের অভিনন্দন জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, আজকের প্রতিযোগী যারা তারা এই চর্চার মাধ্যমে আমি মনে করি তাদের হৃদয় কাল আলোকিত হয়েছে। তারা জানার সুযোগ পেয়েছে। রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম কত বড় নেয়ামত মানবজাতির জন্য কত নিখুঁত আদর্শ বিশ্ববাসীর জন্য। আমি বিশ্বাস করি, পুরস্কার লাভের আশায় তারা এটা করেনি। তারা হেদায়েতের পুরস্কার পাওয়ার আশায় এটা করেছে।

হেদায়েতের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, হেদায়েত মানে হচ্ছে সঠিক পথ প্রদর্শন। নিজের জন্য দোয়া করে না। রাগ করে আরেকজনের জন্য দোয়া করে। এবং এত বড় একটি দোয়াকে মানুষ বদদোয়া মনে করে। কী আশ্চর্য ব্যাপার। হেদায়েত কামনা হচ্ছে সঠিক পথটা পাওয়ার দোয়া আল্লাহ তাালার দরবারে।

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীরবিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

‘হৈ হৈ, রৈ রৈ, বিএনপিরা গেলি কই’—স্লোগানে ছাত্রলীগের মিছিল

ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে আর্থিক অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী

তিতুমীর কলেজে ফ্রি রিসার্চ মেথডলজি প্রোগ্রাম, সাদিয়ার চিকিৎসায় সহায়তার আহ্বান

বাব-এল-মান্দেব প্রণালির নিয়ন্ত্রণে ইয়েমেনে শত শত সেনা পাঠাল ইরান

জাতি এখন সবচেয়ে বড় সংকটে আছে : ডা. শফিকুর রহমান

পত্নীতলায়  চোরাই মালামালসহ আটক ২

নওগাঁয় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নিয়োগ-বাণিজ্য ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে মিলল সত্যতা

আহত ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিনকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী

১০

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে ১০ হাজার কোটি ডলারে নিতে চায় রাশিয়া-ভারত

১১

রাজধানীর একটি বাসায় মাটি খুঁড়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

১২

মিয়ানমারে ড্রোন হামলার পর বন্ধ বিমানবন্দর

১৩

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার বক্তব্য প্রত্যাহারে আসিফ মাহমুদের আইনি নোটিশ

১৪

দর্শক চাপে উপচে পড়ছে গ্যালারি, কক্সবাজারে আধুনিক ফুটবল স্টেডিয়ামের দাবি

১৫

বান্ধবীকে বিয়ে করতে তরুণীর স্তন অস্ত্রোপচার, কয়েক ঘণ্টা পর মৃত্যু

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৩

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত