বিমান হামলায় সেনা নিহতের পর যুক্তরাষ্ট্রকে ইরাকের কঠোর হুঁশিয়ারি

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

সম্প্রতি এক বিমান হামলায় সাতজন সেনা নিহত হওয়ার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরাক। এই হামলার পর তাদের সশস্ত্র বাহিনী ‘নীরব থাকবে না’ বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।

ইরানের চলমান সংঘাত থেকে দূরে থাকার চেষ্টা সত্ত্বেও যুদ্ধে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে পড়েছে ইরাক। ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরুর পর দেশটিতে থাকা ইরানপন্থি গোষ্ঠীগুলো মার্কিন দূতাবাসসহ বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। জবাবে মার্কিন বাহিনী তাদের ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হেনেছে।

তবে সম্প্রতি ইরানপন্থি পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের (পিএমএফ) অবস্থানকে লক্ষ্য করে চালানো এক হামলায় অন্তত ৭ ইরাকি সেনা নিহত হয়েছে। পিএমএফ ইরাকের নিয়মিত সশস্ত্র বাহিনীর অংশ হলেও এতে ইরান-সমর্থিত বিভিন্ন ব্রিগেড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পিএমএফ মার্কিন বাহিনীকে হামলার জন্য দায়ী করে জানিয়েছে, এতে তাদের একজন কমান্ডারসহ আরও ১৪ যোদ্ধা নিহত হন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করা এক পোস্টে বলা হয়, ‘আমাদের সামরিক ইউনিটগুলোকে লক্ষ্য করে নিন্দনীয় হামলা অব্যাহত রয়েছে। সবশেষ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আল-হাব্বানিয়া সামরিক ক্লিনিকে আঘাত হানা হয়েছে।’

ইরাক বলেছে, ‘জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী সরকার ও সশস্ত্র বাহিনীর কাছে সব ধরনের উপায়ে প্রতিক্রিয়া জানানোর অধিকার রয়েছে। আমাদের বীর শহীদদের রক্তের পবিত্রতার বিষয়ে কখনোই নীরব থাকব না।’ একই সঙ্গে তারা সতর্ক করে জানিয়েছে, এই হামলা ‘ইরাক ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করছে’।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল সুদানি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে ‘কঠোর ভাষায় আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদপত্র” প্রদান করবে তার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে মার্কিন বাহিনীর ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ডের’ তীব্র নিন্দা জানানো হবে।

এ ছাড়া, ইরাক জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদেও একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করবে বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

এলাকার খবর

সম্পর্কিত