মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে ভারতীয় চোরাকারবারিদের ‘গোলাগুলি’র ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে বিজিবি। এ সময় আহত অবস্থায় এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ৫০০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে বড়লেখার সীমান্তবর্তী কুমারশাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তির নাম বলাই দাস। বিজিবির দাবি, তিনি সীমান্তকেন্দ্রিক একটি চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত।
বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান সুজন শুক্রবার সকালে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাঁরা জানতে পারেন, ভারতীয় একটি চোরাকারবারি দল কুমারশাইল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে মাদক ও অবৈধ অস্ত্র প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের একটি বিশেষ টহলদল কুমারশাইল এলাকায় অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের চ্যালেঞ্জ করা হলে তাঁরা বিজিবি সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন বলে দাবি করেন বিজিবি কর্মকর্তা। আত্মরক্ষার্থে বিজিবি সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়েন।
বিজিবির ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময় চোরাকারবারি দলের কয়েকজন সদস্য পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পরে আহত অবস্থায় বলাই দাসকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও ৫০০টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান সুজন বলেন, আটক ভারতীয় নাগরিক সীমান্তকেন্দ্রিক চোরাচালান চক্রের সঙ্গে জড়িত। উদ্ধার করা অস্ত্র ও মাদক বাংলাদেশে সরবরাহের উদ্দেশ্যে ভারত থেকে আনা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের শনাক্ত ও আটকের জন্য গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হচ্ছে। তাঁদের গ্রেপ্তারে অভিযানও অব্যাহত রয়েছে। আটক বলাই দাসের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে বিজিবি।