রিয়াদ বিমানবন্দরে প্রাণহানি, বন্ধ ফ্লাইট; সৌদির নিরাপত্তা ও বিনিয়োগের স্বপ্নে বড় ধাক্কা

৮৩ বিলিয়ন ডলারের সামরিক শক্তিও ঠেকাতে পারছে না হামলা

আজাদ ডেস্ক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১০
 ছবি:

বছরে ৮৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি সামরিক ব্যয়, অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এবং প্যাট্রিয়ট ও থাডের মতো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা—সবই রয়েছে সৌদি আরবের হাতে। তারপরও ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় দেশটির আকাশসীমা, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং বেসামরিক মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলার পর বিমান চলাচল বন্ধ, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক আয়োজনেও বিঘ্ন ঘটেছে। এতে সৌদি আরবের সামরিক সক্ষমতার পাশাপাশি দেশটির অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাও কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে।

১০ অক্টোবর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হন বলে সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাতে আলজাজিরা ও রয়টার্স জানিয়েছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে দুই বাংলাদেশিও ছিলেন। পরদিন ১১ অক্টোবর বিমানবন্দরের টার্মিনাল এলাকায় আবারও একটি ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্য কোনো প্রক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে এক পাকিস্তানি নাগরিক নিহত এবং আরও ১১ জন আহত হন। ফলে দুই দিনের হামলায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে যায়। সৌদি কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ইয়েমেনের হুতিরা এসব হামলা চালিয়েছে; হুতিরাও হামলার দায় স্বীকার করেছে বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

রিয়াদের বিমানবন্দর সৌদি আরবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক যোগাযোগকেন্দ্র। হামলার পর নিরাপত্তা যাচাই ও ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নের জন্য এর কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। রয়টার্সের ১২ অক্টোবরের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিমানবন্দরটি ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা তাদের ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত করেছে।

এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, এত বিপুল সামরিক ব্যয় ও উন্নত অস্ত্রভান্ডার থাকা সত্ত্বেও সৌদি আরব কেন সব হামলা ঠেকাতে পারছে না? সামরিক বিশ্লেষকদের আলোচনায় কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে—দেশটির বিশাল ভূখণ্ড, একাধিক ধরনের আকাশপথের হুমকি, প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের ব্যয় এবং দীর্ঘমেয়াদে অস্ত্রের মজুত ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ।

বিশাল ভূখণ্ড, বহু ধরনের হুমকি

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিপ্রি) হিসাবে, ২০২৫ সালে সৌদি আরবের সামরিক ব্যয় ছিল প্রায় ৮৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। ওই বছর সামরিক ব্যয়ের হিসাবে দেশটি বিশ্বে অষ্টম অবস্থানে ছিল। সৌদি সামরিক বাহিনীর হাতে এফ-১৫ যুদ্ধবিমান, ইউরোফাইটার টাইফুন এবং প্যাট্রিয়ট ও থাডের মতো উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা রয়েছে। এসব সরঞ্জামের বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে কেনা। তবে আধুনিক অস্ত্র থাকা মানেই প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনকে আকাশেই ধ্বংস করা সম্ভব—এমন নয়।

সৌদি আরবের আয়তন প্রায় ২২ লাখ বর্গকিলোমিটার। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে বিমানবন্দর, তেলক্ষেত্র, সামরিক ঘাঁটি, বন্দর, নগরী এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ছড়িয়ে রয়েছে। এত বিস্তৃত এলাকায় একই সঙ্গে সব স্থাপনার আকাশ প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন। একটি প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নির্দিষ্ট এলাকার সুরক্ষা দিতে পারলেও সব দিক থেকে আসা হুমকি শনাক্ত ও প্রতিহত করতে সমন্বিত রাডার, নজরদারি এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজন হয়।

আকাশ প্রতিরক্ষার কার্যকারিতা শুধু অস্ত্রের মানের ওপর নির্ভর করে না। কোন দিক থেকে হামলা আসছে, আক্রমণকারী অস্ত্রের গতি ও উচ্চতা কত, একসঙ্গে কতগুলো লক্ষ্যবস্তু এগিয়ে আসছে এবং প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কত দ্রুত সাড়া দিতে পারছে—এসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।

রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার পর সৌদি কর্তৃপক্ষ কীভাবে প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ব্যর্থতা বা সীমাবদ্ধতা মূল্যায়ন করছে, তা নিয়ে তদন্তের খবর প্রকাশ করেছে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)। তবে তদন্তের পূর্ণাঙ্গ ফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত হামলাগুলো ঠিক কোন প্রতিরক্ষা-ঘাটতির কারণে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছেছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের নতুন সমীকরণ

২০১৪ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর হুতিরা দেশটির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে গোষ্ঠীটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে ইয়েমেনের বাইরেও বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।

হুতিদের অস্ত্রভান্ডারে ‘প্যালেস্টাইন-২’ ও ‘তুফান’-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অস্ত্রের প্রকৃত সক্ষমতা, নির্ভুলতা ও পাল্লা নিয়ে গোষ্ঠীটির দাবির সঙ্গে স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্যের পার্থক্য থাকতে পারে। তাই কেবল ঘোষিত পাল্লা বা অস্ত্রের নাম দিয়ে হামলার সামরিক সক্ষমতা নির্ধারণ করা কঠিন।

সৌদি আরবের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো, একসঙ্গে বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হলে প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে একাধিক হুমকি শনাক্ত ও মোকাবিলা করতে হয়। সব লক্ষ্যবস্তু চিহ্নিত করা, কোনটিকে আগে প্রতিহত করতে হবে তা নির্ধারণ করা এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার কাজ তখন আরও জটিল হয়ে ওঠে।

আক্রমণকারী প্রতিটি অস্ত্রের সফলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোও জরুরি নয়। গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্থাপনায় একটি হামলা আঘাত হানতে পারলেও প্রাণহানি, আতঙ্ক, বিমান চলাচলে বিঘ্ন এবং নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে। রিয়াদ বিমানবন্দরের হামলা সেই ঝুঁকিকে সামনে এনেছে।

প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়লেও অস্ত্রের মজুত সীমাহীন নয়

প্যাট্রিয়ট ও থাডের মতো ব্যবস্থায় আক্রমণকারী ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে ব্যয়বহুল ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করা হয়। বিপরীতে, কিছু ধরনের ড্রোন তুলনামূলক কম খরচে তৈরি করা সম্ভব। ফলে প্রতিটি আক্রমণের জবাবে অত্যাধুনিক প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করলে দীর্ঘমেয়াদে প্রতিরক্ষার ব্যয় বাড়তে পারে।

এখানে শুধু অর্থের বিষয় নয়, সরবরাহের সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ। কোনো দেশ চাইলেই তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র সংগ্রহ করতে পারে না। উৎপাদন, সরবরাহ, প্রশিক্ষণ এবং ব্যবহৃত অস্ত্রের মজুত পুনর্গঠনে সময় লাগে। একই সময়ে একাধিক অঞ্চলে সংঘাত বাড়লে অস্ত্রের চাহিদাও বেড়ে যেতে পারে।

তবে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ঠিক কতটা কমেছে, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ সরকারি হিসাব প্রকাশ্যে নেই। তাই মজুত শেষ হয়ে যাওয়ার মতো কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। নিশ্চিতভাবে বলা যায়, ধারাবাহিক হামলা প্রতিহত করার ক্ষেত্রে অস্ত্রের মজুত ও পুনঃসরবরাহের সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষায় নিরাপত্তার ধাক্কা

সৌদি আরবের সংকট শুধু সামরিক নিরাপত্তায় সীমাবদ্ধ নয়। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনার লক্ষ্য তেলনির্ভর অর্থনীতির বাইরে পর্যটন, প্রযুক্তি, বিনোদন, শিল্প ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে দেশটি নিয়মিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও বড় ব্যবসায়িক আয়োজন করে থাকে।

কিন্তু রাজধানীর প্রধান বিমানবন্দরে প্রাণঘাতী হামলা হলে তার প্রভাব অর্থনীতিতেও পড়ে। বিদেশি কোম্পানিগুলো কর্মীদের নিরাপত্তা, যাতায়াত, বিমা ব্যয় এবং প্রকল্প পরিচালনার ঝুঁকি নতুন করে মূল্যায়ন করতে পারে। ফ্লাইট বন্ধ থাকলে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের চলাচলও ব্যাহত হয়।

রিয়াদে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড পেট্রোলিয়াম কংগ্রেসের কর্মসূচি থেকেও একাধিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি কোম্পানির প্রধান নির্বাহীর নাম বাদ পড়ে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এক্সনমবিল, টোটালএনার্জিস, শেল, শেভরন ও বিপির প্রধান নির্বাহীদের অনুপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। তবে সব প্রতিষ্ঠান একই কারণে সম্মেলনে অংশ নেয়নি—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম জানিয়েছে, তারা উপস্থিত থাকার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু ভ্রমণ বিঘ্নিত হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। <Cite refs={["turn333599news36"]}/>

রয়টার্সের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সৌদি আরবের লক্ষ্য বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা। ২০২৫ সালে দেশটিতে এ ধরনের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, লক্ষ্যমাত্রা ও অর্জনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান রয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে বিনিয়োগ বাড়ানোর এই লক্ষ্য অর্জন আরও কঠিন হতে পারে।

বিমান চলাচল ও ভ্রমণে সতর্কতা

বিমানবন্দরে হামলার পর সৌদি আরবের বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। একাধিক আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা রিয়াদগামী ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত করেছে। রয়টার্স জানিয়েছে, কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে যাত্রী পরিবহন, পণ্য পরিবহন এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশের ভ্রমণ সতর্কতা এবং বিমান চলাচলসংক্রান্ত নির্দেশনা দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে। তাই যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার ভ্রমণ পরামর্শ সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সরকারের সর্বশেষ নির্দেশনা যাচাই করা প্রয়োজন।

সৌদি আরবের সামনে এখন দুটি বড় কাজ—চলমান হামলা প্রতিহত করে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের আস্থা ধরে রাখা। সামরিক ব্যয় ও উন্নত অস্ত্রভান্ডার প্রতিরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলেও তা একা নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয় না। কার্যকর নজরদারি, বিভিন্ন প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সমন্বয়, পর্যাপ্ত অস্ত্রের মজুত এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

রিয়াদ বিমানবন্দরে ধারাবাহিক হামলা সৌদি আরবের সামরিক শক্তিকে অকার্যকর প্রমাণ করে না; বরং দেখিয়ে দেয়, উন্নত প্রতিরক্ষাব্যবস্থারও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এখন সেই সীমাবদ্ধতা কত দ্রুত শনাক্ত ও মোকাবিলা করা যায়, তার ওপরই নির্ভর করবে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার ভবিষ্যৎ।

১

ইসরায়েলের নির্দেশনায় বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের ক্রু বাদ দিচ্ছে এয়ার ফ্রান্স

২

শেষ দিনে বাংলাদেশের চাই ৭ উইকেট, আফগানিস্তানের ৩৪৭ রান

৩

লিটনের সেঞ্চুরি, ৪৭৮ রানের লিডে ইনিংস ঘোষণা বাংলাদেশের

৪

সাব্বিরকে নিয়ে হংকং সিক্সেসের দল ঘোষণা বাংলাদেশের

৫

সাদিক কায়েমের ছাত্রলীগের মিছিলে থাকার ছবি দেখালেন নুর

৬

যুক্তরাজ্যে আশ্রয় জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্তে শতাধিক আবেদন

৭

টেকসই উদ্ভাবনে পোশাকশিল্পের ১২ উদ্যোগকে পুরস্কার দেবে বিজিএমইএ

৮

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ সবার আগে নেবে: হাসনাত

৯

প্রধানমন্ত্রীর স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ৪৬৯ শিক্ষার্থী, সর্বোচ্চ ৩২ জন ঢাবির

১০

হার্নিয়ার অস্ত্রোপচার করতে গিয়ে যুবকের দেহে জরায়ু, ডিম্বনালি

১১

জ্ঞানেশের পর মোদি-অমিতের পালা, থামানো যাবে না: রাহুল

১২

কক্সবাজার সৈকতে পাঁচ টন প্লাস্টিকের ‘দানব’

১৩

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষাবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত

১৪

এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে বড় স্বপ্ন নিয়ে কুয়েতের পথে ফর্টিস

১৫

খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি শাসনের প্রথম দিনেই ২৭৮ পিটিআইকর্মী আটক

১

ট্রেনের ১৭ হাজার টিকিটের জন্য ২ কোটি ৭৬ লাখ বার চেষ্টা

২

দিল্লিতে ভারী বৃষ্টিতে বিমান চলাচল বিঘ্ন, ব্যাপক দুর্ভোগ

৩

মিরাজ-সৌম্যকে দলে টানতে চায় রংপুর

৪

আওয়ামী লীগ নেত্রী গ্রেফতার

৫

গাজায় একদিনে নিহত আরও ৭৯ ফিলিস্তিনি

৬

বিএসএফের গুলিতে ২ বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ

৭

মাদককারবারিদের নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ওসির

৮

২ বহিরাগতের নিয়ন্ত্রণে সরকারি অফিস!

৯

নাগরিক সমাজের অংশগ্রহণ ব্যতীত সংস্কার কার্যক্রমের অগ্রগতির সুযোগ নেই: আলী রীয়াজ

১০

বনানীতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ২

১১

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে স্থগিত যেসব চাকরির পরীক্ষা

১২

নন-ক্যাডারে ৪১৩৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ

১৩

৬৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ’র গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৪

নারায়ণগঞ্জের আলোর বাতিঘর ‘সুধীজন পাঠাগার’

১৫

মাদ্রাসায় গ্রামীণ ফোন করপোরেট নম্বর ব্যবহার বাধ্যতামূলক

সম্পর্কিত