বর্তমানে দেশে খাদ্যশস্যের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেন, সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে নির্ধারিত নিরাপত্তা মজুদের তুলনায় বেশি খাদ্যশস্য রয়েছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মো. মশিউর রহমান খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ৩০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি খাদ্য গুদামগুলোতে মোট ২৪ লাখ ৩৭ হাজার ৮০৭ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ ছিল। গত ৬ আগস্ট খাদ্য পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় স্বাভাবিক সময়ে নিরাপত্তা মজুদ ১৪ লাখ এবং সংকটকালে ১৫ লাখ মেট্রিক টন নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘সুতরাং দেশে খাদ্য (চাল ও গম/আটা) ঘাটতির কোনো সুযোগ নেই।’
এফএওর ‘ফুড আউটলুক’ প্রতিবেদন উদ্ধৃত করে আফরোজা খানম জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে চালের চাহিদা ছিল ৪ কোটি ২৩ লাখ মেট্রিক টন। বিপরীতে মোট সরবরাহ হয়েছে ৪ কোটি ৩৬ লাখ ৫২ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে ৪ কোটি ২৪ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন দেশীয় উৎপাদন এবং ১২ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন আমদানির মাধ্যমে এসেছে।
একই সময়ে গমের চাহিদা ছিল ৮২ লাখ মেট্রিক টন, বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ৮৩ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন। এর মধ্যে দেশীয় উৎপাদন ১০ লাখ ২৯ হাজার এবং আমদানি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন।
মন্ত্রী জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশে চালের চাহিদা ৪ কোটি ২৬ লাখ এবং গমের চাহিদা ৮৩ লাখ মেট্রিক টন হতে পারে। চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত ও বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার ও বেসরকারি খাত চাল ও গম আমদানি করে থাকে।
আজা